অ্যালামনাই সংবিধান
গঠনতন্ত্র
ভূমিকা:
ব্যাচ ৪২, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গঠনতন্ত্র একটি সুসংগঠিত এবং শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে প্রণীত হয়েছে, যা সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে একতা, সহযোগিতা এবং পারস্পরিক সম্মান গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করে। ২০০৯ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০৬-০৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের নিয়ে ’ব্যাচ ৪২, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠিত হয়। শুরুতে কয়েকটি বিভাগের বন্ধুরা একটি ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০৬-০৭ শিক্ষাবর্ষের সকল বিভাগের বন্ধুদের একত্রিত করে, যা পরবর্তীতে বিভিন্ন দিবস উদযাপন ও ইভেন্ট আয়োজনের মাধ্যমে আরও গতিশীল হয়ে ওঠে।
ব্যাচ ৪২-এর কার্যপরিধি ব্যাপক হওয়ায় পরবর্তীতে বিভিন্ন চাহিদা ও চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়, এবং গঠনতন্ত্রের অভাবে নানা সমস্যা দেখা দেয়। এরই প্রেক্ষিতে, ২০২৫ সালে নির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনতন্ত্র প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে এবং একটি সর্বজনগৃহীত ও সার্বজনীন গঠনতন্ত্র প্রণয়নের জন্য ৯ সদস্যবিশিষ্ট একটি উপ-কমিটি গঠন করা হয়। উপ-কমিটি ২০২৫ সালের জুলাই মাসে গঠনতন্ত্র কার্যনির্বাহী কমিটির কাছে হস্তান্তর করে, যা ২০২৫ সালের আগস্ট মাসের সাধারণ সভায় গৃহীত হয়।
ব্যাচ ৪২, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় একটি অরাজনৈতিক ও অলাভজনক সংস্থা হিসেবে কাজ করে, যার মূল লক্ষ্য হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬-০৭ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রদের উন্নয়ন সাধন। গঠনতন্ত্রের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রমের পরিচালনা, সদস্যপদ গ্রহণ, আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং সাধারণ সভার কার্যক্রম সুনির্দিষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ফলে সংগঠনটি আরও শক্তিশালী, দায়িত্বশীল এবং স্বচ্ছভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করতে সক্ষম হবে।
এই গঠনতন্ত্রটি সংগঠনের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা, সদস্যদের অধিকার ও দায়িত্ব এবং আর্থিক কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে। এটি সদস্যদের মধ্যে সমবায় এবং কল্যাণমুখী মনোভাব গড়ে তুলতে উৎসাহিত করবে, যার মাধ্যমে ব্যাচ ৪২, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় একটি শক্তিশালী সামাজিক, পেশাগত এবং সাংস্কৃতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। গঠনতন্ত্রটি সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি হিসেবে কাজ করবে, যা সংগঠনের অগ্রযাত্রায় একটি স্থিতিশীল এবং দৃঢ় ভিত্তি তৈরি করবে।
এই গঠনতন্ত্রের মাধ্যমে ব্যাচ ৪২ তার ভবিষ্যৎকে আরও প্রমাণিত করবে এবং প্রতিটি সদস্যকে সংগঠনের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে আরও একত্রিত ও প্রেরণা জোগাবে।
ব্যাচ ৪২, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গঠনতন্ত্র একটি সুসংগঠিত এবং শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে প্রণীত হয়েছে, যা সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে একতা, সহযোগিতা এবং পারস্পরিক সম্মান গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করে। ২০০৯ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০৬-০৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের নিয়ে ’ব্যাচ ৪২, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠিত হয়। শুরুতে কয়েকটি বিভাগের বন্ধুরা একটি ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০৬-০৭ শিক্ষাবর্ষের সকল বিভাগের বন্ধুদের একত্রিত করে, যা পরবর্তীতে বিভিন্ন দিবস উদযাপন ও ইভেন্ট আয়োজনের মাধ্যমে আরও গতিশীল হয়ে ওঠে।
ব্যাচ ৪২-এর কার্যপরিধি ব্যাপক হওয়ায় পরবর্তীতে বিভিন্ন চাহিদা ও চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়, এবং গঠনতন্ত্রের অভাবে নানা সমস্যা দেখা দেয়। এরই প্রেক্ষিতে, ২০২৫ সালে নির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনতন্ত্র প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে এবং একটি সর্বজনগৃহীত ও সার্বজনীন গঠনতন্ত্র প্রণয়নের জন্য ৯ সদস্যবিশিষ্ট একটি উপ-কমিটি গঠন করা হয়। উপ-কমিটি ২০২৫ সালের জুলাই মাসে গঠনতন্ত্র কার্যনির্বাহী কমিটির কাছে হস্তান্তর করে, যা ২০২৫ সালের আগস্ট মাসের সাধারণ সভায় গৃহীত হয়।
ব্যাচ ৪২, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় একটি অরাজনৈতিক ও অলাভজনক সংস্থা হিসেবে কাজ করে, যার মূল লক্ষ্য হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬-০৭ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রদের উন্নয়ন সাধন। গঠনতন্ত্রের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রমের পরিচালনা, সদস্যপদ গ্রহণ, আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং সাধারণ সভার কার্যক্রম সুনির্দিষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ফলে সংগঠনটি আরও শক্তিশালী, দায়িত্বশীল এবং স্বচ্ছভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করতে সক্ষম হবে।
এই গঠনতন্ত্রটি সংগঠনের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা, সদস্যদের অধিকার ও দায়িত্ব এবং আর্থিক কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে। এটি সদস্যদের মধ্যে সমবায় এবং কল্যাণমুখী মনোভাব গড়ে তুলতে উৎসাহিত করবে, যার মাধ্যমে ব্যাচ ৪২, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় একটি শক্তিশালী সামাজিক, পেশাগত এবং সাংস্কৃতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। গঠনতন্ত্রটি সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি হিসেবে কাজ করবে, যা সংগঠনের অগ্রযাত্রায় একটি স্থিতিশীল এবং দৃঢ় ভিত্তি তৈরি করবে।
এই গঠনতন্ত্রের মাধ্যমে ব্যাচ ৪২ তার ভবিষ্যৎকে আরও প্রমাণিত করবে এবং প্রতিটি সদস্যকে সংগঠনের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে আরও একত্রিত ও প্রেরণা জোগাবে।
ধারা-১ নাম
ব্যাচ ৪২, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
লোগোঃ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাচ ৪২ এর লোগোটি একটি সৃজনশীল ডিজাইন যা ব্যাচ ৪২ এর পরিচয় এবং ঐতিহ্যকে তুলে ধরে। এই লোগোটি তিনটি মূল উপাদান দিয়ে গঠিত:
সূর্য এবং আকাশ: লোগোর উপরের অংশে একটি সূর্য রয়েছে, যা বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত। সূর্যটির পেছনে একটি উজ্জ্বল আকাশের প্রতীক পাওয়া যায়, যা সাফল্য এবং ভবিষ্যতের প্রতি আশা ও আলোর প্রতীক হিসেবে দেখা যায়।
সবুজ পাহাড়ের রেখা: লোগোতে পাহাড়ের মতো সবুজ রেখা রয়েছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এর মধ্যে আরও একটি গভীর অর্থ নিহিত, যেখানে দেশপ্রেম ও অগ্রগতির প্রতিফলন রয়েছে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতীক: লোগোর মাঝখানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল প্রতীকরয়েছে, যা প্রতিষ্ঠানটির সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাগত গুরুত্বকে তুলে ধরে।
এই লোগোটি ব্যাচ ৪২ এর একটি স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে, যা সকল সদস্যদের একতা ও সহমর্মিতার চেতনা জাগিয়ে তোলে।দ
স্লোগানঃ ৪২-এর বন্ধন, চিরন্তন স্মৃতির আয়োজন!
ই-মেইলঃ batch42.0607.cu@gmail.com
লোগোঃ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাচ ৪২ এর লোগোটি একটি সৃজনশীল ডিজাইন যা ব্যাচ ৪২ এর পরিচয় এবং ঐতিহ্যকে তুলে ধরে। এই লোগোটি তিনটি মূল উপাদান দিয়ে গঠিত:
সূর্য এবং আকাশ: লোগোর উপরের অংশে একটি সূর্য রয়েছে, যা বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত। সূর্যটির পেছনে একটি উজ্জ্বল আকাশের প্রতীক পাওয়া যায়, যা সাফল্য এবং ভবিষ্যতের প্রতি আশা ও আলোর প্রতীক হিসেবে দেখা যায়।
সবুজ পাহাড়ের রেখা: লোগোতে পাহাড়ের মতো সবুজ রেখা রয়েছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এর মধ্যে আরও একটি গভীর অর্থ নিহিত, যেখানে দেশপ্রেম ও অগ্রগতির প্রতিফলন রয়েছে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতীক: লোগোর মাঝখানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল প্রতীকরয়েছে, যা প্রতিষ্ঠানটির সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাগত গুরুত্বকে তুলে ধরে।
এই লোগোটি ব্যাচ ৪২ এর একটি স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে, যা সকল সদস্যদের একতা ও সহমর্মিতার চেতনা জাগিয়ে তোলে।দ
স্লোগানঃ ৪২-এর বন্ধন, চিরন্তন স্মৃতির আয়োজন!
ই-মেইলঃ batch42.0607.cu@gmail.com
ধারা-২ প্রধান কার্যালয়
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
ধারা-৩ বর্তমান ঠিকানা
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
ধারা-৪ আওতা
সমগ্র বাংলাদেশ। অন্যান্য যে কোন দেশে এর কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা যাবে।
ধারা-৫ সংজ্ঞা
৫.১ “প্রাক্তন শিক্ষার্থী, “ব্যাচ, ও “ব্যাচ ৪২” বলতে বোঝাবে, যেকোনো শিক্ষার্থী যিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০৬-০৭ সেশনের যে কোন বিভাগ থেকে পাস করেছেন এবং এই সংগঠনের উদ্দেশ্য ও কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক। এছাড়া, ’২০০৬-০৭ সেশন’ এর সকল শিক্ষার্থী-ই ব্যাচ ৪২ বলে গন্য হবে।
৫.২ “ধারা ও উপধারা” বলতে বোঝাবে সংবিধানে উল্লিখিত ধারা এবং তার অন্তর্ভুক্ত উপ-ধারা।
৫.৩ “বছর” বলতে বোঝাবে জানুয়ারি ১ তারিখ থেকে ডিসেম্বর ৩১ তারিখ পর্যন্ত সময়কাল।
৫.৪ “সদস্য” বলতে বোঝাবে সাধারণ সদস্যগণকে।
৫.৫ “নিবন্ধন” বলতে বোঝাবে যারা এই গংগঠনের সদস্য হতে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী সদস্যপদ গ্রহণ করেছেন।
৫.৬ “প্রাক্তন সদস্য” বলতে বোঝাবে যেসব সদস্য সদস্যপদ ত্যাগ করেছেন বা তাদের সদস্যপদ বাতিল হয়েছে।
৫.৭ “প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ”বলতে বোঝাবে, ব্যাচ ৪২ এর সদস্যরা যে কোনো সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া, শিক্ষা বা অন্য কোনো প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন এবং এই প্রতিযোগিতাগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় উৎসাহ প্রদান করা হবে।
৫.৮ “সংগঠনের”বলতে ব্যাচ ৪২, চট্টগ্রাম বিশ্বদ্যিালয়কে বোঝাবে।
৫.৯ “শৃঙ্খলা ভঙ্গ” শৃঙ্খলা ভঙ্গ বলতে বোঝাবে এমন সকল আচরণ বা কার্যক্রম, যা সংগঠনের নীতি, লক্ষ্য, মর্যাদা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশের পরিপন্থী। নিম্নলিখিত কর্মকাণ্ডসমূহ শৃঙ্খলা ভঙ্গের অন্তর্ভুক্ত হবেঃ
ক. সংগঠনের সিদ্ধান্ত, নিয়ম বা কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অমান্য করা।
খ. সংগঠনের ভাবমূর্তি বা সুনামহানি করে এমন মন্তব্য, আচরণ বা কার্যকলাপ করা।
গ. সংগঠনের সম্পদ, তথ্য বা তহবিল ব্যক্তিগত স্বার্থে অপব্যবহার করা।
ঘ. সদস্যদের মধ্যে বিভেদ, বিরোধ বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা।
ঙ. সংগঠনের বা সদস্যদের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করা।
চ. অশোভন, অসৌজন্যমূলক বা আক্রমণাত্মক আচরণ করা।
ছ. অশ্লীল ভাষায় গালি দেওয়া বা অশালীন শব্দ ব্যবহার করা।
জ. কাউকে ব্যক্তিগত বিষয়ে প্রকাশ্যে অপমান করা বা ব্যঙ্গ করা।
ঝ. কোনো সদস্যের ব্যক্তিগত ছবি কাটপিস করে মিম বা অপমানমূলক কাজে ব্যবহার করা।
ঞ. সমালোচনার ক্ষেত্রে অশালীন, আক্রমণাত্মক বা অবমাননাকর ভাষা প্রয়োগ করা।
ট. রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করে কারও বিরুদ্ধে প্রচার বা অপপ্রচার চালানো।
ঠ. সংগঠনের ঐক্য, সম্মান ও শৃঙ্খলা নষ্ট করে এমন যেকোনো কাজ করা।
৫.২ “ধারা ও উপধারা” বলতে বোঝাবে সংবিধানে উল্লিখিত ধারা এবং তার অন্তর্ভুক্ত উপ-ধারা।
৫.৩ “বছর” বলতে বোঝাবে জানুয়ারি ১ তারিখ থেকে ডিসেম্বর ৩১ তারিখ পর্যন্ত সময়কাল।
৫.৪ “সদস্য” বলতে বোঝাবে সাধারণ সদস্যগণকে।
৫.৫ “নিবন্ধন” বলতে বোঝাবে যারা এই গংগঠনের সদস্য হতে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী সদস্যপদ গ্রহণ করেছেন।
৫.৬ “প্রাক্তন সদস্য” বলতে বোঝাবে যেসব সদস্য সদস্যপদ ত্যাগ করেছেন বা তাদের সদস্যপদ বাতিল হয়েছে।
৫.৭ “প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ”বলতে বোঝাবে, ব্যাচ ৪২ এর সদস্যরা যে কোনো সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া, শিক্ষা বা অন্য কোনো প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন এবং এই প্রতিযোগিতাগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় উৎসাহ প্রদান করা হবে।
৫.৮ “সংগঠনের”বলতে ব্যাচ ৪২, চট্টগ্রাম বিশ্বদ্যিালয়কে বোঝাবে।
৫.৯ “শৃঙ্খলা ভঙ্গ” শৃঙ্খলা ভঙ্গ বলতে বোঝাবে এমন সকল আচরণ বা কার্যক্রম, যা সংগঠনের নীতি, লক্ষ্য, মর্যাদা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশের পরিপন্থী। নিম্নলিখিত কর্মকাণ্ডসমূহ শৃঙ্খলা ভঙ্গের অন্তর্ভুক্ত হবেঃ
ক. সংগঠনের সিদ্ধান্ত, নিয়ম বা কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অমান্য করা।
খ. সংগঠনের ভাবমূর্তি বা সুনামহানি করে এমন মন্তব্য, আচরণ বা কার্যকলাপ করা।
গ. সংগঠনের সম্পদ, তথ্য বা তহবিল ব্যক্তিগত স্বার্থে অপব্যবহার করা।
ঘ. সদস্যদের মধ্যে বিভেদ, বিরোধ বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা।
ঙ. সংগঠনের বা সদস্যদের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করা।
চ. অশোভন, অসৌজন্যমূলক বা আক্রমণাত্মক আচরণ করা।
ছ. অশ্লীল ভাষায় গালি দেওয়া বা অশালীন শব্দ ব্যবহার করা।
জ. কাউকে ব্যক্তিগত বিষয়ে প্রকাশ্যে অপমান করা বা ব্যঙ্গ করা।
ঝ. কোনো সদস্যের ব্যক্তিগত ছবি কাটপিস করে মিম বা অপমানমূলক কাজে ব্যবহার করা।
ঞ. সমালোচনার ক্ষেত্রে অশালীন, আক্রমণাত্মক বা অবমাননাকর ভাষা প্রয়োগ করা।
ট. রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করে কারও বিরুদ্ধে প্রচার বা অপপ্রচার চালানো।
ঠ. সংগঠনের ঐক্য, সম্মান ও শৃঙ্খলা নষ্ট করে এমন যেকোনো কাজ করা।
ধারা-৬ কাঠামো
এই সংগঠনটি একটি অরাজনৈতিক, স্বেচ্ছাসেবী ও সমাজকল্যাণমুখী সংগঠন।
ধারা-৭ লক্ষ্য
ব্যাচ ৪২, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ্য হলো, ব্যাচের সকল শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, একতা এবং সহযোগিতা গড়ে তোলা। আমরা আমাদের সদস্যদের পেশাগত, সামাজিক এবং ব্যক্তিগত উন্নয়নে সহায়তা প্রদান করে, বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা এবং সমাজের কল্যাণে অবদান রাখতে কাজ করব। এছাড়া, সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া, শিক্ষা ও সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল এবং ফলপ্রসূ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ধারা-৮ উদ্দেশ্য
৮.১ ২০০৬-০৭ শিক্ষাবর্ষের সকল সাবেক শিক্ষার্থীর মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা।
৮.২ সদস্যদের ব্যক্তিগত, সামাজিক, পেশাগত ও মানসিক উন্নয়নে সহায়তা করা।
৮.৩ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ও মর্যাদা উন্নয়নে অবদান রাখা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সংহতি বজায় রাখা।
৮.৪ সময়োপযোগী বিভিন্ন সাংস্কৃতিক, সামাজিক, ক্রীড়া ও শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান আয়োজন করা।
৮.৫ সদস্যদের কল্যাণে প্রয়োজনীয় সহায়তা, পরামর্শ, সহমর্মিতা ও সহযোগিতা প্রদান করা।
৮.৬ সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ ও সামাজিক দায়বদ্ধতা পালন করা।
৮.৭ সদস্যদের মধ্যে তথ্য, অভিজ্ঞতা ও সুযোগের বিনিময় নিশ্চিত করা।
৮.৮ সংগঠনের আর্থিক স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং স্থিতিশীলতা বজায় রেখে তহবিল গঠন ও পরিচালনা করা।
৮.৯ সংগঠনের গঠনতন্ত্র, নীতিমালা ও লক্ষ্যসমূহের আলোকে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করা।
৮.১০ সদস্য ও সমাজের কল্যাণে সহায়ক নতুন কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা, যা সংগঠনের অগ্রগতিতে অবদান রাখবে।
৮.২ সদস্যদের ব্যক্তিগত, সামাজিক, পেশাগত ও মানসিক উন্নয়নে সহায়তা করা।
৮.৩ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ও মর্যাদা উন্নয়নে অবদান রাখা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সংহতি বজায় রাখা।
৮.৪ সময়োপযোগী বিভিন্ন সাংস্কৃতিক, সামাজিক, ক্রীড়া ও শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান আয়োজন করা।
৮.৫ সদস্যদের কল্যাণে প্রয়োজনীয় সহায়তা, পরামর্শ, সহমর্মিতা ও সহযোগিতা প্রদান করা।
৮.৬ সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ ও সামাজিক দায়বদ্ধতা পালন করা।
৮.৭ সদস্যদের মধ্যে তথ্য, অভিজ্ঞতা ও সুযোগের বিনিময় নিশ্চিত করা।
৮.৮ সংগঠনের আর্থিক স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং স্থিতিশীলতা বজায় রেখে তহবিল গঠন ও পরিচালনা করা।
৮.৯ সংগঠনের গঠনতন্ত্র, নীতিমালা ও লক্ষ্যসমূহের আলোকে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করা।
৮.১০ সদস্য ও সমাজের কল্যাণে সহায়ক নতুন কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা, যা সংগঠনের অগ্রগতিতে অবদান রাখবে।
ধারা-৯ সদস্যপদ
‘ব্যাচ ৪২, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়-এর সদস্য হতে পারেন যেকোনো বাংলাদেশি নাগরিক যিনি উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০৬-০৭ শিক্ষাবর্ষ তথা ৪২তম ব্যাচের যে কোন বিভাগ থেকে উত্তীর্ণ হয়েছেন।
৯.১ সাধারন সদস্য
বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০৬-০৭ শিক্ষাবর্ষ তথা ৪২তম ব্যাচের যে কোনো বিভাগ থেকে উত্তীর্ণ সকল শিক্ষার্থী, যারা সংগঠনের উদ্দেশ্য ও কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক এবং নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী সদস্য হতে চান, তারা সাধারণ সদস্য হিসেবে গণ্য হবেন। তবে, যারা সদস্যপদ ত্যাগ করেছেন বা বহিষ্কৃত হয়েছেন, তারা সাধারণ সদস্য হিসেবে গণ্য হবেন না।
৯.২ উপদেষ্টা
ব্যাচ ৪২, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব শিক্ষার্থী কর্মক্ষেত্রে স্ব-স্ব মর্যাদা ও মহত্বে উন্নয়ন/পরিবর্তনে সমর্থক, দানশীল এবং সম্মানজনক পদে রয়েছেন, তাদেরকে কার্যনির্বাহী কমিটি প্রয়োজনবোধে উপদেষ্টা পরিষদে অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে। তবে, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের কোনো নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রয়োজন হবে না।
৯.১ সাধারন সদস্য
বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০৬-০৭ শিক্ষাবর্ষ তথা ৪২তম ব্যাচের যে কোনো বিভাগ থেকে উত্তীর্ণ সকল শিক্ষার্থী, যারা সংগঠনের উদ্দেশ্য ও কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক এবং নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী সদস্য হতে চান, তারা সাধারণ সদস্য হিসেবে গণ্য হবেন। তবে, যারা সদস্যপদ ত্যাগ করেছেন বা বহিষ্কৃত হয়েছেন, তারা সাধারণ সদস্য হিসেবে গণ্য হবেন না।
৯.২ উপদেষ্টা
ব্যাচ ৪২, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব শিক্ষার্থী কর্মক্ষেত্রে স্ব-স্ব মর্যাদা ও মহত্বে উন্নয়ন/পরিবর্তনে সমর্থক, দানশীল এবং সম্মানজনক পদে রয়েছেন, তাদেরকে কার্যনির্বাহী কমিটি প্রয়োজনবোধে উপদেষ্টা পরিষদে অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে। তবে, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের কোনো নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রয়োজন হবে না।
ধারা-১০ সদস্যপদ গ্রহণের নিয়মাবলী
১০.১ সাধারণ সদস্যপদ:
যোগ্যতা:
১০.১.১ যে কোনো ব্যক্তি যিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০৬-০৭ শিক্ষাবর্ষ তথা ৪২তম ব্যাচের কোনো বিভাগ থেকে উত্তীর্ণ হয়েছেন, তিনি সাধারণ সদস্য হতে পারবেন।
প্রক্রিয়া:
১০.১.২ সদস্যপদ গ্রহণের জন্য সদস্যপ্রার্থীদের ব্যাচের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে সদস্যপদ প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে।
১০.১.৩ সদস্যপদ গ্রহণের জন্য আবেদনকারীকে সাধারন রেজিস্ট্রেশন ফর্ম (অনলাইন/হার্ড কপি) পূরণ করতে হবে।
১০.১.৪ রেজিস্ট্রেশন ফরমটি কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদনের জন্য জমা দিতে হবে।
১০.১.৫ কার্যনির্বাহী কমিটি রেজিস্ট্রেশন ফরম পর্যালোচনা করে অনুমোদন দিলে, আবেদনকারী সাধারণ সদস্য হিসেবে গন্য হবেন।
১০.১.৬ বাতিল: যদি কোনো সদস্য পদত্যাগ করেন বা তার সদস্যপদ বাতিল হয়, তবে তাকে সাধারণ সদস্য হিসেবে গণ্য করা হবে না।
১০.২. উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যপদ:
যোগ্যতা:
১০.২.১ যেসব প্রাক্তন শিক্ষার্থী পেশাগতভাবে বড় পদে রয়েছেন এবং সংগঠনের কল্যাণে অবদান রাখার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন, তাদেরকে উপদেষ্টা হিসেবে মনোনীত করা হবে।
প্রক্রিয়া:
১০.২.২কার্যনির্বাহী কমিটি তাদের অবদান এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে এই সদস্যপদ প্রদান করবে।
১০.২.৩ উপদেষ্টা সদস্যরা কোন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন না, তবে তারা পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করবে।
যোগ্যতা:
১০.১.১ যে কোনো ব্যক্তি যিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০৬-০৭ শিক্ষাবর্ষ তথা ৪২তম ব্যাচের কোনো বিভাগ থেকে উত্তীর্ণ হয়েছেন, তিনি সাধারণ সদস্য হতে পারবেন।
প্রক্রিয়া:
১০.১.২ সদস্যপদ গ্রহণের জন্য সদস্যপ্রার্থীদের ব্যাচের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে সদস্যপদ প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে।
১০.১.৩ সদস্যপদ গ্রহণের জন্য আবেদনকারীকে সাধারন রেজিস্ট্রেশন ফর্ম (অনলাইন/হার্ড কপি) পূরণ করতে হবে।
১০.১.৪ রেজিস্ট্রেশন ফরমটি কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদনের জন্য জমা দিতে হবে।
১০.১.৫ কার্যনির্বাহী কমিটি রেজিস্ট্রেশন ফরম পর্যালোচনা করে অনুমোদন দিলে, আবেদনকারী সাধারণ সদস্য হিসেবে গন্য হবেন।
১০.১.৬ বাতিল: যদি কোনো সদস্য পদত্যাগ করেন বা তার সদস্যপদ বাতিল হয়, তবে তাকে সাধারণ সদস্য হিসেবে গণ্য করা হবে না।
১০.২. উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যপদ:
যোগ্যতা:
১০.২.১ যেসব প্রাক্তন শিক্ষার্থী পেশাগতভাবে বড় পদে রয়েছেন এবং সংগঠনের কল্যাণে অবদান রাখার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন, তাদেরকে উপদেষ্টা হিসেবে মনোনীত করা হবে।
প্রক্রিয়া:
১০.২.২কার্যনির্বাহী কমিটি তাদের অবদান এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে এই সদস্যপদ প্রদান করবে।
১০.২.৩ উপদেষ্টা সদস্যরা কোন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন না, তবে তারা পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করবে।
ধারা-১১ সদস্যপদ বাতিল হওয়ার কারণ
নিম্নলিখিত কারণে সদস্যপদ বাতিল হবে
১১.১ যদি কোনো সদস্য শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেন;
১১.২ যদি কোনো সদস্য সংগঠনের গঠনতন্ত্র, নীতিমালা বা উদ্দেশ্যের পরিপন্থী কার্যকলাপে যুক্ত হন;
১১.৩ যদি মৃত্যুবরণ করেন;
১১.৪ যদি মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন হন বা মানসিক অবস্থা খারাপ হয়;
১১.৫ যদি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন
১১.৬ যদি অসাংগঠনিক কর্মে সম্পৃক্ত হন বা অন্য কোনো কারণে সদস্যপদ বাতিল করা যেতে পারে।
১১.১ যদি কোনো সদস্য শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেন;
১১.২ যদি কোনো সদস্য সংগঠনের গঠনতন্ত্র, নীতিমালা বা উদ্দেশ্যের পরিপন্থী কার্যকলাপে যুক্ত হন;
১১.৩ যদি মৃত্যুবরণ করেন;
১১.৪ যদি মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন হন বা মানসিক অবস্থা খারাপ হয়;
১১.৫ যদি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন
১১.৬ যদি অসাংগঠনিক কর্মে সম্পৃক্ত হন বা অন্য কোনো কারণে সদস্যপদ বাতিল করা যেতে পারে।
ধারা-১২ বহিষ্কার
উপরোক্ত ধারা ১০ এ বর্ণিত অবস্থার প্রেক্ষিতে অথবা গঠনতন্ত্র বহির্ভূত বা লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যে বিপরীতে কোনো কাজ করলে এবং এতদ্বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উপস্থাপিত হলে, কার্যনির্বাহী কমিটি কর্তৃক তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী সংগঠনের সভাপতি কোনো সদস্যের সদস্যপদ স্থগিত বা অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করতে পারবেন। তবে, সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সুনির্দিষ্ট কারণ দর্শিয়ে ব্যাচ ৪২, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে যেকোনো সদস্যকে সাময়িক/স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করতে পারবেন, যার বিশদ ব্যাখ্যা চলমান কার্যনির্বাহী পরিষদের নিকট পেশ করতে হবে।
ধারা-১৩ সদস্যপদ পুনঃপ্রাপ্তি
১৩.১ যোগ্যতা:
কোনো সদস্য যদি সদস্যপদ হারান বা বাতিল হয়, তবে তিনি পুনরায় কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদনক্রমে সদস্যপদ ফিরে পেতে পারেন। তবে তার বিরুদ্ধে কোনো শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ থাকলে তিনি সদস্যপদ ফিরে পাবেন না।
১৩.২ প্রক্রিয়া:
১৩.২.১ হারানো সদস্যপদ পুনরুদ্ধার করতে আগ্রহী সদস্য কার্যনির্বাহী কমিটিতে আবেদন করতে হবে।
১৩.২.২ আবেদনটি পর্যালোচনা করে পুনঃসদস্যপদ দেওয়া হবে। তবে, কোন শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ থাকলে তাকে সদস্যপদ দেয়া হবে না।
কোনো সদস্য যদি সদস্যপদ হারান বা বাতিল হয়, তবে তিনি পুনরায় কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদনক্রমে সদস্যপদ ফিরে পেতে পারেন। তবে তার বিরুদ্ধে কোনো শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ থাকলে তিনি সদস্যপদ ফিরে পাবেন না।
১৩.২ প্রক্রিয়া:
১৩.২.১ হারানো সদস্যপদ পুনরুদ্ধার করতে আগ্রহী সদস্য কার্যনির্বাহী কমিটিতে আবেদন করতে হবে।
১৩.২.২ আবেদনটি পর্যালোচনা করে পুনঃসদস্যপদ দেওয়া হবে। তবে, কোন শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ থাকলে তাকে সদস্যপদ দেয়া হবে না।
ধারা-১৪ সদস্যের অধিকার
১৪.১ সদস্যরা সাধারণ সভায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন এবং আলোচনায় অংশগ্রহণ ও সংগঠনের কার্যক্রমে মতামত প্রদান করতে পারবেন।
১৪.২ সদস্যদের বেছে নেওয়ার, ভোট প্রদানের এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণের অধিকার থাকবে (যদি তারা সাধারণ সদস্য হন এবং নির্বাচনের যোগ্যতা পূর্ণ করেন)।
১৪.৩ বিধি মোতাবেক কার্যনির্বাহী কমিটির কার্যাবলী ব্যাখ্যা দাবি করা এবং আয়-ব্যায়ের হিসাব চাওয়া।
১৪.৪ ব্যাচের যে কোন প্রতিযোগী দলে অন্তর্ভুক্ত হওয়া।
১৪.৫ ব্যাচের উন্নয়নে যেকোনো কার্যক্রমে নির্বাচিত কমিটির কাছে প্রস্তাব রাখা।
১৪.৬ ব্যাচের স্বার্থে নির্বাচিত কমিটির কাজের সমালোচনা করা।
১৪.২ সদস্যদের বেছে নেওয়ার, ভোট প্রদানের এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণের অধিকার থাকবে (যদি তারা সাধারণ সদস্য হন এবং নির্বাচনের যোগ্যতা পূর্ণ করেন)।
১৪.৩ বিধি মোতাবেক কার্যনির্বাহী কমিটির কার্যাবলী ব্যাখ্যা দাবি করা এবং আয়-ব্যায়ের হিসাব চাওয়া।
১৪.৪ ব্যাচের যে কোন প্রতিযোগী দলে অন্তর্ভুক্ত হওয়া।
১৪.৫ ব্যাচের উন্নয়নে যেকোনো কার্যক্রমে নির্বাচিত কমিটির কাছে প্রস্তাব রাখা।
১৪.৬ ব্যাচের স্বার্থে নির্বাচিত কমিটির কাজের সমালোচনা করা।
ধারা ১৫ সাংগাঠনিক কাঠামো
১৫.১ সাধারণ পরিষদ
• সাধারণ পরিষদ সংগঠনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ এবং এর মধ্যে সকল সদস্য অন্তর্ভুক্ত থাকেন। সাধারণ পরিষদ প্রতি বছর অন্তত একবার সভা আহ্বান করবে, যেখানে সংগঠনের কার্যক্রম, বাজেট, অডিট রিপোর্ট এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি সাধারণ পরিষদের সভা আহ্বান করবেন।
• সাধারণ পরিষদের সভায় সদস্যরা অংশগ্রহণ করবেন, ভোট প্রদান করবেন এবং বিভিন্ন প্রস্তাবের পক্ষে বা বিপক্ষে মতামত প্রদান করবেন। সাধারণ সভায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে সদস্যদের উপস্থিতির হার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হবে, যাতে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে বাধা না আসে।
১৫.২ কার্যনির্বাহী কমিটি
• কার্যনির্বাহী কমিটি হলো সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত দল।
কার্যনির্বাহী কমিটি সাধারণ পরিষদের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত সদস্যদের দ্বারা গঠিত হবে।
• কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা সাধারণ পরিষদের পরামর্শক্রমে সংগঠনের যাবতীয় কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবেন এবং তহবিল সংগ্রহ, বাজেট প্রণয়ন, এবং সংগঠনের উন্নয়নমূলক কাজ করবেন।
• কার্যনির্বাহী কমিটির মেয়াদ সাধারণত ২ বছর হবে। মেয়াদ শেষ হওয়ার কমপক্ষে ১৫ দিন পূর্বে নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
• যদি নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হয়, তবে সভাপতি ১ জন আহ্বায়ক ও ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি এডহক কমিটি গঠন করতে পারবে, যা ৪৫ দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশন গঠনপূর্বক নির্বাচন অনুষ্ঠিত করাবে।
• কার্যনির্বাহী কমিটির এক-তৃতীয়াংশ সদস্য কার্যনির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় উপস্থিতি সংখ্যা হিসেবে গণ্য হবে।
• কার্যনির্বাহী কমিটিতে ন্যুনতম ৭ জন মহিলা সদস্যের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে সংগঠনটি বৈচিত্র্যময় এবং প্রতিনিধিত্বমূলক হয়।
• পদাধিকারী হিসেবে সদ্য বিদায়ী কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নবগঠিত কমিটিতে সদস্য পদে বহাল হবেন। নবগঠিত কমিটির সদস্যদের দায়িত্ব গ্রহণের প্রক্রিয়া স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হবে, যাতে কোনরূপ বিভ্রান্তি না হয়।
১৫.৩ উপদেষ্টা পরিষদ
• উপদেষ্টা পরিষদ হলো অভিজ্ঞ সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত একটি সম্মানজনক দল যা কার্যনির্বাহী কমিটিকে পরামর্শ প্রদান করবে।
• এটি একটি সম্মানজনক দল এবং সাধারণত যারা প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন, তাদের নিয়ে গঠিত হবে।
• উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের কোনো নির্বাচনে অংশগ্রহণের অধিকার থাকবে না, তবে তারা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে পরামর্শ দিতে পারবেন।
• উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের নির্বাচন বা মনোনয়ন প্রক্রিয়া স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হবে, যাতে প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ থাকে।
১৫.৪ নির্বাচন কমিশন
• নির্বাচন কমিশন নির্বাচন প্রক্রিয়া পরিচালনা করবে। এটি নিরপেক্ষভাবে কার্যনির্বাহী কমিটি নির্বাচন করবে।
• নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা সাধারণ সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত হবেন এবং তাদের কাজ হবে নির্বাচন সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করা।
• নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের নির্বাচন এবং তাদের দায়িত্ব স্পষ্টভাবে বর্ণনা করা হবে, যাতে নির্বাচন প্রক্রিয়া সঠিকভাবে পরিচালিত হয়।
• সাধারণ পরিষদ সংগঠনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ এবং এর মধ্যে সকল সদস্য অন্তর্ভুক্ত থাকেন। সাধারণ পরিষদ প্রতি বছর অন্তত একবার সভা আহ্বান করবে, যেখানে সংগঠনের কার্যক্রম, বাজেট, অডিট রিপোর্ট এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি সাধারণ পরিষদের সভা আহ্বান করবেন।
• সাধারণ পরিষদের সভায় সদস্যরা অংশগ্রহণ করবেন, ভোট প্রদান করবেন এবং বিভিন্ন প্রস্তাবের পক্ষে বা বিপক্ষে মতামত প্রদান করবেন। সাধারণ সভায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে সদস্যদের উপস্থিতির হার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হবে, যাতে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে বাধা না আসে।
১৫.২ কার্যনির্বাহী কমিটি
• কার্যনির্বাহী কমিটি হলো সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত দল।
কার্যনির্বাহী কমিটি সাধারণ পরিষদের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত সদস্যদের দ্বারা গঠিত হবে।
• কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা সাধারণ পরিষদের পরামর্শক্রমে সংগঠনের যাবতীয় কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবেন এবং তহবিল সংগ্রহ, বাজেট প্রণয়ন, এবং সংগঠনের উন্নয়নমূলক কাজ করবেন।
• কার্যনির্বাহী কমিটির মেয়াদ সাধারণত ২ বছর হবে। মেয়াদ শেষ হওয়ার কমপক্ষে ১৫ দিন পূর্বে নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
• যদি নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হয়, তবে সভাপতি ১ জন আহ্বায়ক ও ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি এডহক কমিটি গঠন করতে পারবে, যা ৪৫ দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশন গঠনপূর্বক নির্বাচন অনুষ্ঠিত করাবে।
• কার্যনির্বাহী কমিটির এক-তৃতীয়াংশ সদস্য কার্যনির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় উপস্থিতি সংখ্যা হিসেবে গণ্য হবে।
• কার্যনির্বাহী কমিটিতে ন্যুনতম ৭ জন মহিলা সদস্যের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে সংগঠনটি বৈচিত্র্যময় এবং প্রতিনিধিত্বমূলক হয়।
• পদাধিকারী হিসেবে সদ্য বিদায়ী কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নবগঠিত কমিটিতে সদস্য পদে বহাল হবেন। নবগঠিত কমিটির সদস্যদের দায়িত্ব গ্রহণের প্রক্রিয়া স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হবে, যাতে কোনরূপ বিভ্রান্তি না হয়।
১৫.৩ উপদেষ্টা পরিষদ
• উপদেষ্টা পরিষদ হলো অভিজ্ঞ সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত একটি সম্মানজনক দল যা কার্যনির্বাহী কমিটিকে পরামর্শ প্রদান করবে।
• এটি একটি সম্মানজনক দল এবং সাধারণত যারা প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন, তাদের নিয়ে গঠিত হবে।
• উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের কোনো নির্বাচনে অংশগ্রহণের অধিকার থাকবে না, তবে তারা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে পরামর্শ দিতে পারবেন।
• উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের নির্বাচন বা মনোনয়ন প্রক্রিয়া স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হবে, যাতে প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ থাকে।
১৫.৪ নির্বাচন কমিশন
• নির্বাচন কমিশন নির্বাচন প্রক্রিয়া পরিচালনা করবে। এটি নিরপেক্ষভাবে কার্যনির্বাহী কমিটি নির্বাচন করবে।
• নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা সাধারণ সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত হবেন এবং তাদের কাজ হবে নির্বাচন সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করা।
• নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের নির্বাচন এবং তাদের দায়িত্ব স্পষ্টভাবে বর্ণনা করা হবে, যাতে নির্বাচন প্রক্রিয়া সঠিকভাবে পরিচালিত হয়।
ধারা ১৬ কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য
সভাপতি – ০১ জন
সিনিয়ন সহ-সভাপতি – ০১ জন
সহ-সভাপতি – ১০ জন
সাধারন সম্পাদক – ০১ জন
যুগ্ম সাধারন সম্পাদক – ০৫ জন
সাংগাঠনিক সম্পাদক – ০৫ জন
প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক - ০১ জন
দপ্তর সম্পাদক – ০১ জন
অর্থ সম্পাদক – ০১ জন
আইন সম্পাদক – ০১ জন
তথ্য ও যোগযোগ প্রযুক্তি সম্পাদক – ০১ জন
আপ্যায়নসম্পাদক - ০১ জন
সমাজকল্যাণ সম্পাদক – ০১ জন
জেন্ডার বিষয়ক সম্পাদক – ০১ জন
শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক – ০১ জন
ভ্রমণ ও পর্যটন সম্পাদক – ০১ জন
আন্তর্জাতিক সম্পাদক – ০১ জন
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সম্পাদক – ০১ জন
ক্রীড়া সম্পাদক – ০১ জন
সাংস্কৃতিক সম্পাদক – ০১ জন
কার্যনির্বাহী সদস্য – ১৪ জন
----------------------------------------------------------------------------------
মোট সদস্য সংখ্যা = ৫১ জন
তবে কার্যনির্বাহী কমিটির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বার্ষিক সাধারণ সভায় উপস্থিত সদস্যদের দুই-তুতীয়াংশ সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে গঠনতন্ত্র পরিবর্তন স্বাপেক্ষে কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যপদ ও সদস্য সংখ্যা বাড়ানো বা কমানো যাবে।
সিনিয়ন সহ-সভাপতি – ০১ জন
সহ-সভাপতি – ১০ জন
সাধারন সম্পাদক – ০১ জন
যুগ্ম সাধারন সম্পাদক – ০৫ জন
সাংগাঠনিক সম্পাদক – ০৫ জন
প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক - ০১ জন
দপ্তর সম্পাদক – ০১ জন
অর্থ সম্পাদক – ০১ জন
আইন সম্পাদক – ০১ জন
তথ্য ও যোগযোগ প্রযুক্তি সম্পাদক – ০১ জন
আপ্যায়নসম্পাদক - ০১ জন
সমাজকল্যাণ সম্পাদক – ০১ জন
জেন্ডার বিষয়ক সম্পাদক – ০১ জন
শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক – ০১ জন
ভ্রমণ ও পর্যটন সম্পাদক – ০১ জন
আন্তর্জাতিক সম্পাদক – ০১ জন
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সম্পাদক – ০১ জন
ক্রীড়া সম্পাদক – ০১ জন
সাংস্কৃতিক সম্পাদক – ০১ জন
কার্যনির্বাহী সদস্য – ১৪ জন
----------------------------------------------------------------------------------
মোট সদস্য সংখ্যা = ৫১ জন
তবে কার্যনির্বাহী কমিটির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বার্ষিক সাধারণ সভায় উপস্থিত সদস্যদের দুই-তুতীয়াংশ সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে গঠনতন্ত্র পরিবর্তন স্বাপেক্ষে কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যপদ ও সদস্য সংখ্যা বাড়ানো বা কমানো যাবে।
ধারা ১৭ কার্যনির্বাহী কমিটির ক্ষমতা ও দায়িত্ব
কার্যনির্বাহী কমিটি সংগঠনের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দায়ী। এই কমিটি সংগঠনের সফলতা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন ধরনের ক্ষমতা ও দায়িত্ব পালন করে। কার্যনির্বাহী কমিটির ক্ষমতা ও দায়িত্ব নিম্নরূপ:
১৭.১ ক্ষমতা:
• সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা: কার্যনির্বাহী কমিটি সংগঠনের সকল কার্যক্রম, যেমন ইভেন্ট আয়োজন, ফান্ড রেইজিং, সদস্য সংগ্রহ এবং অন্যান্য কার্যক্রম পরিচালনা করতে সক্ষম।
• বাজেট অনুমোদন: কমিটি সংগঠনের যে কোন ইভেন্টের বাজেট প্রস্তুত করবে এবং তা সাধারণ সভায় উপস্থাপন করে অনুমোদন লাভ করবে।
• অন্যান্য কমিটি গঠন: প্রয়োজনে কার্যনির্বাহী কমিটি স্ট্যান্ডিং কমিটি বা উপ-কমিটি গঠন করতে পারবে, যা সংগঠনের বিশেষ কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
• সংগঠনের নিয়মাবলী প্রণয়ন: প্রয়োজনে নতুন নিয়মাবলী বা সংশোধনী প্রণয়ন ও গ্রহণ করতে পারবে, যা গঠনতন্ত্রের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ হবে।
• ব্যবসায়িক ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত: সদস্যদের কল্যাণের জন্য যে কোন অর্থনৈতিক বা ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম।
• প্রচারণা ও সম্পর্ক উন্নয়ন: কমিটি সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন এবং সামাজিক যোগাযোগে সহযোগিতা করতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত।
১৭. ২ দায়িত্ব:
• অধিকারী ও অন্যান্য সদস্যদের পরিচালনা: কমিটি সকল সদস্যদের মধ্যে দায়িত্ব ও কাজের সমন্বয় করবে এবং তাদের সঠিকভাবে কাজ করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করবে।
• অনুষ্ঠান আয়োজন: সাংস্কৃতিক, সামাজিক, শিক্ষামূলক, ক্রীড়া, এবং অন্যান্য সভা ও কার্যক্রম আয়োজন করবে।
• আর্থিক ব্যবস্থাপনা: সংগঠনের আয়ের উৎস সুনিশ্চিত করবে এবং তহবিল সংগ্রহের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করবে। সংগঠনের বাজেট প্রস্তুত করবে এবং তহবিলের কার্যকর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করবে।
• গঠনতন্ত্র অনুসরণ: গঠনতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবে এবং এটি অনুসরণ করবে, যাতে সংগঠনের কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালিত হয়।
• প্রতিবেদন প্রদান: কার্যনির্বাহী কমিটি বার্ষিক প্রতিবেদন প্রস্তুত করবে এবং তা সাধারণ সভায় উপস্থাপন করবে, যাতে সদস্যরা সংগঠনের কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত হতে পারেন।
• বহিরাগত সংস্থার সাথে সম্পর্ক: অন্যান্য সংগঠন, প্রতিষ্ঠান এবং সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন ও বজায় রাখতে কাজ করবে।
• শৃঙ্খলা রক্ষা: সংগঠনের মধ্যে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সদস্যদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ও সহযোগিতা নিশ্চিত করবে।
• সদস্যপদ ও সদস্যদের অধিকার: নতুন সদস্যদের সদস্যপদ প্রদান এবং সদস্যদের অধিকার সুনিশ্চিত করবে। সদস্যদের স্বার্থ উন্নয়ন এবং সমর্থনে কাজ করবে।
১৭.৩ বৈঠক ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ:
• সভা আয়োজন: কার্যনির্বাহী কমিটি প্রতি তিন মাসে অন্তত একবার বৈঠক করবে। বিশেষ প্রয়োজন হলে বৈঠক আহ্বান করতে পারবে।
• কোরাম পূর্ণতা: কমিটির সভায় কোরাম পূর্ণ হলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে, যা ২/৩ সদস্যের সমর্থনে গ্রহণযোগ্য হবে।
• ফলাফল ঘোষণা: সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত এবং কার্যক্রমের ফলাফল সাধারণ সভায় উপস্থাপন করা হবে।
১৭.৪ নির্বাচন পরিচালনা:
• কমিটির সদস্য নির্বাচন: কার্যনির্বাহী কমিটি উপযুক্ত প্রার্থী নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন গঠন করবে।
• নির্বাচনের শৃঙ্খলা রক্ষা: সুষ্ঠ নির্বাচন প্রক্রিয়া নিশ্চিত করবে এবং নির্বাচন কমিশনকে সর্বাত্বক সহযোগিতা করবে যাতে নির্বাচন স্বাধীন ও স্বচ্ছ হয়।
১৭.৫ গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলা:
• গঠনতন্ত্র অনুসরণ: গঠনতন্ত্রের নির্দেশনা অনুযায়ী সকল কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
• শৃঙ্খলা বজায় রাখা: সংগঠনের শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সদস্যদের মধ্যে নিয়মাবলী মানতে উৎসাহিত করবে।
১৭.৬ অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ও সমন্বয়:
• সমন্বিত পরিকল্পনা: সংগঠনের সকল কার্যক্রম একযোগে পরিচালনা করতে সদস্যদের মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করা হবে।
• ইনফরমেশন শেয়ারিং: সংগঠনের সকল তথ্য ও খবর সদস্যদের মধ্যে সুষ্ঠভাবে শেয়ার করবে।
১৭.৭ সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ও প্রতিবেদন: কার্যনির্বাহী কমিটি সকল কার্যক্রমের পর্যালোচনা এবং প্রতিবেদন তৈরি করবে, যা সাধারণ সভায় উপস্থাপন করা হবে। কমিটি তার কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কিত প্রতিবেদন একটি নির্দিষ্ট সময়ে প্রস্তুত করে সদস্যদের জানাবে।
১৭.১ ক্ষমতা:
• সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা: কার্যনির্বাহী কমিটি সংগঠনের সকল কার্যক্রম, যেমন ইভেন্ট আয়োজন, ফান্ড রেইজিং, সদস্য সংগ্রহ এবং অন্যান্য কার্যক্রম পরিচালনা করতে সক্ষম।
• বাজেট অনুমোদন: কমিটি সংগঠনের যে কোন ইভেন্টের বাজেট প্রস্তুত করবে এবং তা সাধারণ সভায় উপস্থাপন করে অনুমোদন লাভ করবে।
• অন্যান্য কমিটি গঠন: প্রয়োজনে কার্যনির্বাহী কমিটি স্ট্যান্ডিং কমিটি বা উপ-কমিটি গঠন করতে পারবে, যা সংগঠনের বিশেষ কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
• সংগঠনের নিয়মাবলী প্রণয়ন: প্রয়োজনে নতুন নিয়মাবলী বা সংশোধনী প্রণয়ন ও গ্রহণ করতে পারবে, যা গঠনতন্ত্রের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ হবে।
• ব্যবসায়িক ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত: সদস্যদের কল্যাণের জন্য যে কোন অর্থনৈতিক বা ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম।
• প্রচারণা ও সম্পর্ক উন্নয়ন: কমিটি সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন এবং সামাজিক যোগাযোগে সহযোগিতা করতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত।
১৭. ২ দায়িত্ব:
• অধিকারী ও অন্যান্য সদস্যদের পরিচালনা: কমিটি সকল সদস্যদের মধ্যে দায়িত্ব ও কাজের সমন্বয় করবে এবং তাদের সঠিকভাবে কাজ করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করবে।
• অনুষ্ঠান আয়োজন: সাংস্কৃতিক, সামাজিক, শিক্ষামূলক, ক্রীড়া, এবং অন্যান্য সভা ও কার্যক্রম আয়োজন করবে।
• আর্থিক ব্যবস্থাপনা: সংগঠনের আয়ের উৎস সুনিশ্চিত করবে এবং তহবিল সংগ্রহের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করবে। সংগঠনের বাজেট প্রস্তুত করবে এবং তহবিলের কার্যকর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করবে।
• গঠনতন্ত্র অনুসরণ: গঠনতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবে এবং এটি অনুসরণ করবে, যাতে সংগঠনের কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালিত হয়।
• প্রতিবেদন প্রদান: কার্যনির্বাহী কমিটি বার্ষিক প্রতিবেদন প্রস্তুত করবে এবং তা সাধারণ সভায় উপস্থাপন করবে, যাতে সদস্যরা সংগঠনের কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত হতে পারেন।
• বহিরাগত সংস্থার সাথে সম্পর্ক: অন্যান্য সংগঠন, প্রতিষ্ঠান এবং সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন ও বজায় রাখতে কাজ করবে।
• শৃঙ্খলা রক্ষা: সংগঠনের মধ্যে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সদস্যদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ও সহযোগিতা নিশ্চিত করবে।
• সদস্যপদ ও সদস্যদের অধিকার: নতুন সদস্যদের সদস্যপদ প্রদান এবং সদস্যদের অধিকার সুনিশ্চিত করবে। সদস্যদের স্বার্থ উন্নয়ন এবং সমর্থনে কাজ করবে।
১৭.৩ বৈঠক ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ:
• সভা আয়োজন: কার্যনির্বাহী কমিটি প্রতি তিন মাসে অন্তত একবার বৈঠক করবে। বিশেষ প্রয়োজন হলে বৈঠক আহ্বান করতে পারবে।
• কোরাম পূর্ণতা: কমিটির সভায় কোরাম পূর্ণ হলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে, যা ২/৩ সদস্যের সমর্থনে গ্রহণযোগ্য হবে।
• ফলাফল ঘোষণা: সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত এবং কার্যক্রমের ফলাফল সাধারণ সভায় উপস্থাপন করা হবে।
১৭.৪ নির্বাচন পরিচালনা:
• কমিটির সদস্য নির্বাচন: কার্যনির্বাহী কমিটি উপযুক্ত প্রার্থী নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন গঠন করবে।
• নির্বাচনের শৃঙ্খলা রক্ষা: সুষ্ঠ নির্বাচন প্রক্রিয়া নিশ্চিত করবে এবং নির্বাচন কমিশনকে সর্বাত্বক সহযোগিতা করবে যাতে নির্বাচন স্বাধীন ও স্বচ্ছ হয়।
১৭.৫ গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলা:
• গঠনতন্ত্র অনুসরণ: গঠনতন্ত্রের নির্দেশনা অনুযায়ী সকল কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
• শৃঙ্খলা বজায় রাখা: সংগঠনের শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সদস্যদের মধ্যে নিয়মাবলী মানতে উৎসাহিত করবে।
১৭.৬ অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ও সমন্বয়:
• সমন্বিত পরিকল্পনা: সংগঠনের সকল কার্যক্রম একযোগে পরিচালনা করতে সদস্যদের মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করা হবে।
• ইনফরমেশন শেয়ারিং: সংগঠনের সকল তথ্য ও খবর সদস্যদের মধ্যে সুষ্ঠভাবে শেয়ার করবে।
১৭.৭ সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ও প্রতিবেদন: কার্যনির্বাহী কমিটি সকল কার্যক্রমের পর্যালোচনা এবং প্রতিবেদন তৈরি করবে, যা সাধারণ সভায় উপস্থাপন করা হবে। কমিটি তার কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কিত প্রতিবেদন একটি নির্দিষ্ট সময়ে প্রস্তুত করে সদস্যদের জানাবে।
ধারা ১৮ কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের ক্ষমতা ও দায়িত্ব
১৮.১ সভাপতি
সভাপতির ক্ষমতা:
◦ সংগঠনের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে সমস্ত কার্যক্রমের পরিকল্পনা, পরিচালনা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের দায়িত্ব পালন করবেন।
◦ সাধারণ সভা এবং কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করবেন এবং সভার সুষ্ঠু পরিচালনা নিশ্চিত করবেন।
◦ সংগঠনের নীতি, কৌশল এবং উন্নয়ন পরিকল্পনা নির্ধারণে নেতৃত্ব প্রদান করবেন এবং কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখবেন।
◦ সংকটকালীন সময়ে জরুরি সভা আহ্বান করার ক্ষমতা রাখবেন।
◦ কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের কাজের সমন্বয় করবেন, তাদের কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করবেন, এবং লক্ষ্য অর্জন সুনিশ্চিত করবেন।
◦ কমিটির মধ্যে যেকোনো দ্বন্দ্ব বা সমস্যা সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
সভাপতির দায়িত্ব:
◦ সংগঠনের স্বার্থ ও কল্যাণে কাজ করবেন এবং সবসময় সংগঠনের লক্ষ্য পূরণের দিকে মনোযোগ দিবেন।
◦ কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের দায়িত্ব পালন ও কার্যক্রমের বাস্তবায়নে তদারকি করবেন।
◦ সদস্যদের মধ্যে সুষ্ঠু যোগাযোগ এবং পারস্পরিক সহযোগিতা নিশ্চিত করবেন।
◦ সংগঠনের পরামর্শক, উপদেষ্টা এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখবেন এবং তাদের থেকে মতামত গ্রহণ করবেন।
◦ সংগঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং শিক্ষামূলক উদ্যোগগুলি বাস্তবায়ন করবেন।
◦ কার্যনির্বাহী কমিটির সকল সদস্যকে তাঁদের নির্ধারিত দায়িত্ব পালনে সহায়তা প্রদান করবেন।
১৮.২ সিনিয়র সহ-সভাপতি
সিনিয়র সহ-সভাপতির ক্ষমতা:
◦ সভাপতি অনুপস্থিত থাকলে তার দায়িত্ব পালন করবেন এবং সভাপতির সিদ্ধান্ত ও দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
◦ কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন মনিটর করবেন, প্রয়োজন হলে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
◦ কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করবেন এবং সদস্যদের কাজের প্রতি লক্ষ্য রাখবেন।
সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্ব:
◦ সংগঠনের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রমের সুষ্ঠু পরিচালনা এবং বাস্তবায়ন তদারকি করবেন।
◦ সভাপতিকে সহায়তা করবেন, বিশেষ করে কৌশলগত সিদ্ধান্ত এবং কমিটির নীতি নির্ধারণে পরামর্শ প্রদান করবেন।
◦ অন্যান্য সহ-সভাপতিদের এবং কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের মধ্যে সমন্বয় এবং সহযোগিতা নিশ্চিত করবেন।
◦ সংগঠনের কার্যক্রমে যে কোনো সমস্যা বা চ্যালেঞ্জ দেখা দিলে তার সমাধানে সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন।
◦ সাংগঠনিক উদ্যোগগুলোর বাস্তবায়নে সিনিয়র সহ-সভাপতি প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হবেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
১৮.৩ সহ-সভাপতি
সহ-সভাপতির ক্ষমতা:
◦ সিনিয়র সহ-সভাপতিকে সহায়তা ও পরামর্শ প্রদান করবেন এবং তার নির্দেশনা অনুসারে কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবেন।
◦ সভাপতি ও সিনিয়র সহ-সভাপতির অনুপস্থিতিতে তাদের দায়িত্ব পালন করবেন, সংকট বা পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।
◦ সদস্যদের জন্য সঠিক পরামর্শ ও নির্দেশনা প্রদান করবেন, এবং প্রয়োজনে কার্যক্রমে উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।
সহ-সভাপতির দায়িত্ব:
◦ কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের কাজের সহায়তা করবেন, তাদের কাজের সমন্বয় নিশ্চিত করবেন এবং প্রয়োজনে উদ্বেগ বা সমস্যা সমাধানে সহায়তা করবেন।
◦ সাংগঠনিক ও আর্থিক কার্যক্রমে সহায়তা প্রদান করবেন, বিশেষ করে বাজেট বা অন্যান্য অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তে সহায়তা করবেন।
◦ সংস্থার অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সহায়তা করবেন, এবং কমিটির মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করবেন।
◦ অন্যান্য কার্যক্রমে সহ-সভাপতি সভাপতি ও সিনিয়র সহ-সভাপতির পরামর্শ অনুযায়ী সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন।
১৮.৪ সাধারণ সম্পাদক
সাধারণ সম্পাদকের ক্ষমতা:
◦ সংগঠনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে সমস্ত কার্যক্রমের পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন এবং সমন্বয় করবেন।
◦ সাধারণ সভা এবং কার্যনির্বাহী কমিটির সভা আহ্বান করবেন, এবং সভার সুষ্ঠু পরিচালনা নিশ্চিত করবেন।
◦ সংগঠনের সমস্ত কাগজপত্র, নথিপত্র, দলিল এবং হিসাব সংরক্ষণ করবেন।
◦ পরিকল্পনা, নির্দেশনা, আর্থিক কার্যক্রম এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমের তত্ত্বাবধান করবেন।
◦ সংকটকালীন পরিস্থিতিতে পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা তৈরি করবেন এবং তা বাস্তবায়ন করবেন।
◦ কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের কাজের সমন্বয় করবেন এবং তাদের দায়িত্ব পালন ও কর্মদক্ষতা পর্যালোচনা করবেন।
◦ সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া এবং সামাজিক কার্যক্রমের আয়োজন এবং সেগুলোর সুষ্ঠু বাস্তবায়ন তত্ত্বাবধান করবেন।
◦ সবার জন্য সৃজনশীল কার্যক্রম প্রণয়ন করবেন এবং মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা তত্ত্বাবধান করবেন।
◦ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ব্যবহারে সহায়তা করবেন এবং সংগঠনের প্রযুক্তিগত অগ্রগতি নিশ্চিত করবেন।
সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব
◦ সংগঠনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কার্যক্রমের সমন্বয়, বাস্তবায়ন এবং সঠিক নির্দেশনা প্রদান করবেন।
◦ সাংগঠনিক বৈঠক এবং সভা সম্পর্কে সদস্যদের অবহিত করবেন এবং তাদের জন্য কার্যকরী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।
◦ সভাপতি বা কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে সভার কার্যবিবরণী লিপিবদ্ধ করার ব্যবস্থা করবেন।
◦ সভাপতি বা কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে বার্ষিক প্রতিবেদন, আয়-ব্যয়ের হিসাব, অডিট রিপোর্ট এবং অন্যান্য আর্থিক ও প্রশাসনিক রিপোর্ট সাধারণ সভায় উপস্থাপন করবেন।
◦ সংকটকালীন সময়ে সংগঠনের কার্যক্রম স্থিতিশীল রাখার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
◦ সকল বৈঠক ও সভার পরবর্তী প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করবেন এবং সেগুলোর অগ্রগতি সম্পর্কে প্রতিবেদন প্রদান করবেন।
◦ কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের কর্মদক্ষতা পর্যালোচনা করবেন এবং লক্ষ্যের দিকে অগ্রসর হওয়ার জন্য পরিকল্পনা তৈরি করবেন।
◦ অন্যান্য কার্যক্রমের দিকনির্দেশনা দেবেন, সাংস্কৃতিক এবং সামাজিক ইভেন্টগুলোর সুষ্ঠু বাস্তবায়ন তত্ত্বাবধান করবেন।
◦ কার্যনির্বাহী কমিটির কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করবেন এবং প্রয়োজনীয় সংশোধন বা পরিবর্তন করবেন।
১৮.৫ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকে ক্ষমতা:
◦ সাধারণ সম্পাদক অনুপস্থিত থাকলে তার দায়িত্ব পালন করবেন এবং সংগঠনের কার্যক্রমের সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।
◦ সাধারণ সম্পাদক ও কার্যনির্বাহী কমিটির অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে সমন্বয় করে গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকে দায়িত্ব:
◦ সাধারণ সম্পাদককে সহায়তা করবেন এবং তার নির্দেশনায় অন্যান্য কার্যক্রম সমন্বয় করবেন।
◦ সদস্যদের মধ্যে সুষ্ঠু যোগাযোগ এবং সম্পর্ক বজায় রাখবেন। সদস্যদের প্রশ্ন, উদ্বেগ ও তথ্যের বিষয়ে সহায়তা প্রদান করবেন।
◦ সংগঠনের কার্যক্রমের অগ্রগতি তদারকি করবেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
◦ সংগঠনের বিভিন্ন ইভেন্ট, সভা বা কার্যক্রমের প্রস্তুতিতে অংশ নেবেন এবং তাদের সফল বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবেন।
◦ অফিসিয়াল রিপোর্ট, কার্যবিবরণী এবং অন্যান্য প্রশাসনিক নথি প্রস্তুত করতে সাধারণ সম্পাদককে সহায়তা করবেন।
১৮.৬ সাংগঠনিক সম্পাদক
সাংগঠনিক সম্পাদকে ক্ষমতা:
◦ অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা, আয়োজন এবং বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দিবেন।
◦ সদস্যদের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ এবং তথ্য পরিবহণের দায়িত্ব পালন করবেন।
◦ ইভেন্টের বাজেট, ভেন্যু নির্বাচন, এবং অন্যান্য মৌলিক পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।
◦ সাংগঠনিক কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ, সামগ্রী এবং অন্যান্য সঞ্চালন সংক্রান্ত বিষয়সমূহ পরিচালনা করবেন।
সাংগঠনিক সম্পাদকে দায়িত্ব:
◦ সদস্যদের একত্রিত করার জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম, সভা ও অনুষ্ঠান সংগঠিত করবেন এবং সেগুলোর কার্যকরী বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবেন।
◦ সভা, ইভেন্ট ও অন্যান্য সামাজিক কার্যক্রমের পরিকল্পনা, আয়োজন এবং সঠিকভাবে বাস্তবায়নে তদারকি করবেন।
◦ অন্যান্য কমিটির সদস্যদের সঙ্গে সমন্বয় করে ইভেন্টগুলো সফলভাবে পরিচালনা করবেন।
◦ সদস্যদের জন্য প্রয়োজনীয় অনুষ্ঠান বা প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করবেন যা তাদের পেশাগত ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নে সহায়ক হবে।
◦ বাহ্যিক সংগঠন এবং প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে, ইভেন্টের জন্য সমন্বয় ও সহযোগিতা করবেন।
১৮.৭ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক
প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদকে ক্ষমতা:
◦ সংগঠনের প্রচার, প্রচারণা এবং প্রকাশনা কার্যক্রম পরিচালনা করবেন, এবং সেগুলোর কার্যকরী পরিকল্পনা তৈরি করবেন।
◦ সংগঠনের বিপণন কৌশল এবং প্রচারণার পরিকল্পনা প্রণয়ন করবেন, যাতে সংগঠনের কার্যক্রম সঠিকভাবে উপস্থাপিত হয়।
◦ সামাজিক মিডিয়া, ই-মেইল, ওয়েবসাইট এবং অন্যান্য ডিজিটাল চ্যানেল মাধ্যমে প্রচারণা বৃদ্ধি করবেন।
প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদকে দায়িত্ব:
◦ সংগঠনের সংবাদ, ইভেন্ট, সেমিনার এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমের প্রচারণা করবেন।
◦ সামাজিক মিডিয়া, ওয়েবসাইট, ফেসবুক গ্রুপ, হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ, টুইটার, লিঙ্কডইন, ইত্যাদি মাধ্যমে সংগঠনের প্রচার বৃদ্ধি করবেন।
◦ সংগঠনের আদর্শ, উদ্দেশ্য, এবং চলমান কর্মসূচি প্রচার ও জনপ্রিয় করার জন্য পোস্টার, লিফলেট, প্রচারপত্র, পুস্তিকা ইত্যাদি প্রকাশ এবং বিতরণ করবেন।
◦ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রচারের জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন, মিডিয়া রিলিজ, প্রেস কনফারেন্স, এবং সংবাদ প্রকাশের উদ্যোগ নেবেন।
◦ সদস্যদের কাছে দ্রুত তথ্য পাঠানোর জন্য ডিজিটাল মাধ্যমে বিশেষ বার্তা, ইভেন্টের নোটিফিকেশন ইত্যাদি পাঠাবেন।
◦ মিডিয়া সম্পর্ক এবং পাবলিক রিলেশনস (PR) কৌশল নিয়ে কাজ করবেন, যাতে সংগঠনের সুনাম ও উপস্থিতি বৃদ্ধি পায়।
◦ অনলাইন এবং অফলাইন প্রচারণার সুষ্ঠু সমন্বয়ের মাধ্যমে সংগঠনের উপস্থিতি এবং কর্মসূচির প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করবেন।
১৮.৮ দপ্তর সম্পাদক
দপ্তর সম্পাদকে ক্ষমতা:
◦ সংগঠনের দাপ্তরিক কাজের তত্ত্বাবধান করবেন এবং সেগুলোর সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করবেন।
◦ দাপ্তরিক নথি ও রেকর্ড সংরক্ষণের জন্য একটি কার্যকরী ফাইলিং সিস্টেম প্রবর্তন করবেন এবং তার কার্যকারিতা তত্ত্বাবধান করবেন।
দপ্তর সম্পাদকে দায়িত্ব:
◦ সকল দাপ্তরিক নথি, রেকর্ড, চিঠিপত্র, রিপোর্ট এবং অন্যান্য প্রশাসনিক নথি সঠিকভাবে সংরক্ষণ করবেন।
◦ সংগঠনের প্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুত, পাঠানো এবং সংরক্ষণে সহায়তা প্রদান করবেন।
◦ কার্যনির্বাহী কমিটির অন্যান্য সদস্যদের দাপ্তরিক সমন্বয় ও সহায়তা করবেন, বিশেষ করে সভার কার্যবিবরণী, রিপোর্ট এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নথি তৈরি ও বিতরণে।
◦ দপ্তর সম্পর্কিত সমস্ত কাজের জন্য সঠিক রেকর্ড-রক্ষণের ব্যবস্থা করবেন এবং সংবেদনশীল তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।
◦ সকল দাপ্তরিক তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করবেন এবং সঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করবেন।
১৮.৯ অর্থ সম্পাদক
অর্থ সম্পাদক – ক্ষমতা:
◦ সংগঠনের বাজেট, তহবিল এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার তত্ত্বাবধান করবেন।
◦ আয়ের উৎস এবং ব্যয়ের পরিকল্পনা নির্ধারণ করবেন এবং তার বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবেন।
◦ তহবিল সংগ্রহ, বাজেট প্রণয়ন এবং ব্যয়ের নিয়ন্ত্রণে ক্ষমতা রাখবেন।
অর্থ সম্পাদক – দায়িত্ব:
◦ অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বাজেট তৈরি এবং তহবিল ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করবেন।
◦ সংগঠনের আয়ের উৎস চিহ্নিত করবেন এবং সেগুলোর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবেন, যেমন: দান, স্পন্সরশিপ, সদস্যপদ ফি ইত্যাদি।
◦ ব্যয়ের হিসাব, আর্থিক প্রতিবেদন এবং অডিট রিপোর্ট প্রস্তুত করবেন এবং তা সাধারণ সভায় উপস্থাপন করবেন।
◦ অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য এবং বিশ্লেষণ সরবরাহ করবেন, যেমন: খরচ কমানো, আয়ের বৃদ্ধি ইত্যাদি।
◦ তহবিল সংগ্রহের জন্য কর্মসূচি ও দান সংগ্রহের ব্যবস্থা করবেন এবং বাইরের প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করবেন।
◦ নিয়মিত আর্থিক পর্যালোচনা করবেন এবং তহবিল ব্যবহারের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবেন।
১৮.১০ আইন সম্পাদক
আইন সম্পাদকে ক্ষমতা:
◦ সংগঠনের সকল আইনগত বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করবেন এবং আইনি সিদ্ধান্তে সহায়তা করবেন।
◦ সংগঠনের সুরক্ষা এবং আইনি অধিকার রক্ষায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আইনগত পরামর্শ দেবেন।
◦ সংগঠনের পক্ষে মামলা-মোকদ্দমা দায়ের, পরিচালনা এবং আইনগত কৌশল নির্ধারণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।
আইন সম্পাদকে দায়িত্ব:
◦ সংগঠনের আইনগত সমস্যা সমাধান করবেন এবং আইনি দিকনির্দেশনা প্রদান করবেন।
◦ সংগঠনের সংবিধান, নিয়মাবলী এবং নীতি-নির্দেশিকা অনুসরণ নিশ্চিত করবেন, এবং প্রয়োজনে সংশোধনির প্রস্তাব করবেন।
◦ সংগঠনের পক্ষে মামলা-মোকদ্দমা দায়ের ও পরিচালনা করবেন, এবং আইনগত সুবিধা বা ক্ষতির বিষয়ে পর্যালোচনা করবেন।
◦ আইনি বিষয়ক চুক্তি, চিঠি বা অন্যান্য দাপ্তরিক কাগজপত্র প্রস্তুত করার ক্ষেত্রে সহায়তা প্রদান করবেন।
◦ আইনগত পরামর্শ প্রদান করে সংগঠনের অন্যান্য কমিটির সদস্যদের আইনগত বিষয়ে সচেতন করবেন এবং কার্যকরী আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণে সহায়তা করবেন।
◦ প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, আইন বিষয়ক ট্রেনিং বা কর্মশালা আয়োজন করবেন।
১৮.১১ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পাদক
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পাদকে ক্ষমতা:
◦ সংগঠনের সমস্ত প্রযুক্তিগত কার্যক্রমের তত্ত্বাবধান করবেন এবং প্রযুক্তিগত সিদ্ধান্তে সহায়তা প্রদান করবেন।
◦ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, ওয়েবসাইট, এবং অন্যান্য প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম পরিচালনা করবেন এবং তাদের কার্যকারিতা নিশ্চিত করবেন।
◦ তথ্য সিস্টেমের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা ব্যবস্থা তদারকি করবেন।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পাদকে দায়িত্ব:
◦ সংগঠনের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম (যেমন ওয়েবসাইট, সোশ্যাল মিডিয়া, ইমেইল সিস্টেম) কার্যকরভাবে পরিচালনা এবং আপডেট করবেন।
◦ তথ্য সিস্টেমের উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা করবেন, সিস্টেমের কার্যকারিতা পর্যালোচনা করবেন এবং প্রয়োজনীয় উন্নয়ন সাধন করবেন।
◦ সংগঠনের তথ্য প্রযুক্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন, তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করবেন এবং সাইবার আক্রমণের থেকে সংগঠনকে সুরক্ষিত রাখবেন।
◦ সদস্যদের জন্য সফটওয়্যার বা প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করবেন এবং তাদের প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত টুলস ব্যবহারে গাইডলাইন দেবেন।
◦ প্রযুক্তিগত সহায়তার জন্য প্রয়োজনীয় নেটওয়ার্ক সমন্বয় করবেন এবং অন্যান্য কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে প্রযুক্তি সমাধান তৈরি করবেন।
◦ সংগঠনের প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ আয়োজন করবেন এবং সদস্যদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত করবেন।
১৮.১২ আপ্যায়ন সম্পাদক
আপ্যায়ন সম্পাদকে ক্ষমতা:
◦ অতিথি আপ্যায়ন, সভা ও অনুষ্ঠান আয়োজনের সম্পূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন।
◦ অনুষ্ঠান ও সভার জন্য প্রয়োজনীয় আয়োজনের পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়ন করবেন, অতিথিদের জন্য সঠিক সেবা নিশ্চিত করবেন।
আপ্যায়ন সম্পাদকে দায়িত্ব:
◦ অনুষ্ঠান ও সভার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ এবং উপকরণ প্রস্তুত করবেন, অতিথিদের জন্য সঠিক সেবা ও সহায়তা প্রদান করবেন।
◦ অতিথিদের চাহিদা অনুযায়ী তাদের আপ্যায়ন নিশ্চিত করবেন এবং অনুষ্ঠান শেষে প্রতিক্রিয়া সংগ্রহ করে ভবিষ্যতে উন্নতি সাধন করবেন।
◦ সাংস্কৃতিক বা সামাজিক ইভেন্টগুলোর তত্ত্বাবধান করবেন এবং সেগুলোর আয়োজন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে তা নিশ্চিত করবেন।
◦ অনুষ্ঠানের জন্য অতিথি তালিকা তৈরি, পরিবেশন, পরিবহন ব্যবস্থা, খাবার এবং অন্যান্য সহায়ক কাজ তত্ত্বাবধান করবেন।
◦ অনুষ্ঠানের সুষ্ঠু বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে অন্যান্য কমিটির সদস্যদের সঙ্গে সমন্বয় করবেন।
১৮.১৩ সমাজকল্যাণ সম্পাদক
সমাজকল্যাণ সম্পাদকে ক্ষমতা:
◦ সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রমের তত্ত্বাবধান করবেন এবং সেগুলোর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবেন।
◦ সদস্যদের উন্নয়ন এবং সমাজকল্যাণ প্রকল্প পরিচালনা ও পর্যালোচনায় নেতৃত্ব প্রদান করবেন।
সমাজকল্যাণ সম্পাদকে দায়িত্ব:
◦ সদস্যদের জন্য সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রম, কর্মশালা, প্রশিক্ষণ এবং সহায়তা প্রোগ্রাম আয়োজন করবেন।
◦ সমাজকল্যাণমূলক প্রকল্পের পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন এবং সেগুলোর কার্যকারিতা নিশ্চিত করবেন, যেমন: দান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বা পরিবেশ সংরক্ষণ প্রকল্প।
◦ সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করবেন এবং তাদেরকে সমাজকল্যাণমূলক কাজের প্রতি উৎসাহিত করবেন।
◦ সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা, এনজিও এবং অন্যান্য সমাজকল্যাণ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতা এবং অংশীদারিত্ব তৈরি করবেন।
◦ প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল সংগ্রহ এবং প্রকল্প পরিচালনার জন্য নির্ধারিত বাজেট তত্ত্বাবধান করবেন।
◦ সমাজকল্যাণ প্রকল্পের ফলাফল পর্যালোচনা করবেন এবং সদস্যদের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে নিয়মিত আপডেট প্রদান করবেন।
১৮.১৪ জেন্ডার বিষয়ক সম্পাদক
জেন্ডার বিষয়ক সম্পাদকে ক্ষমতা:
◦ সংগঠনের মধ্যে লিঙ্গ সমতা এবং নারীর ক্ষমতায়ন বিষয়ক কার্যক্রমের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করবেন।
◦ লিঙ্গ বৈষম্য রোধে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন এবং সমতা প্রতিষ্ঠার জন্য নতুন নীতি প্রণয়ন করবেন।
জেন্ডার বিষয়ক সম্পাদকে দায়িত্ব:
◦ সংগঠনে লিঙ্গ বৈষম্য রোধে কাজ করবেন এবং সমতা প্রতিষ্ঠার জন্য কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
◦ লিঙ্গ সমতা এবং নারীর অধিকার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করবেন, যেমন: কর্মশালা, সেমিনার বা ক্যাম্পেইন আয়োজন।
◦ নারী উদ্যোক্তা এবং নেতৃস্থানীয় নারী সদস্যদের প্রোগ্রামগুলিতে অন্তর্ভুক্ত করবেন এবং তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করার উদ্যোগ নেবেন।
◦ সংগঠনের সকল কর্মকাণ্ডে লিঙ্গ সমতার পন্থা অনুসরণ নিশ্চিত করবেন, এবং প্রয়োজনীয় নীতি বা প্রোগ্রাম প্রণয়ন করবেন।
◦ সদস্যদের মধ্যে লিঙ্গ সমতা নিয়ে আলোচনা এবং দৃষ্টিভঙ্গি বদলানোর জন্য কার্যক্রম চালাবেন।
◦ সংগঠনকে নারীদের ক্ষমতায়ন এবং লিঙ্গ বৈষম্য দূরীকরণের লক্ষ্যসমূহে সহায়তা প্রদান করবেন।
১৮.১৫ শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক
শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদকে ক্ষমতা:
◦ সংগঠনের শিক্ষামূলক এবং গবেষণা সংক্রান্ত কার্যক্রমের পরিকল্পনা, তত্ত্বাবধান এবং বাস্তবায়ন করবেন।
◦ শিক্ষামূলক প্রকল্প, কর্মশালা এবং গবেষণা কার্যক্রমে নেতৃত্ব প্রদান করবেন।
◦ সদস্যদের এবং তাদের পরিবারের শিক্ষাগত উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা তৈরি করবেন।
শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদকে দায়িত্ব:
◦ শিক্ষামূলক প্রকল্প এবং গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করবেন, এবং তা সংগঠনের সদস্যদের উন্নয়নে সহায়ক হবে এমন প্রকল্প প্রবর্তন করবেন।
◦ সদস্যদের পরিবারের বিশেষ করে সন্তানদের শিক্ষাগত উন্নয়নে সহায়তা প্রদান করবেন, এবং শিক্ষামূলক সম্পদ বা পরামর্শ প্রদান করবেন।
◦ আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল সদস্যদের সন্তানদের জন্য শিক্ষাবৃত্তি, সহায়তা এবং স্কলারশিপ চালু করবেন।
◦ সদস্যদের গবেষণামূলক কাজের জন্য উৎসাহ প্রদান করবেন এবং তাদের গবেষণায় সহযোগিতা করবেন, যেমন: গবেষণার জন্য ফান্ডিং, পরামর্শ বা উপকরণ সরবরাহ।
◦ গবেষণার সুযোগ, প্রশিক্ষণ এবং কর্মশালার আয়োজন করবেন, যাতে সদস্যরা তাদের গবেষণার দক্ষতা বৃদ্ধি করতে পারেন।
◦ শিক্ষামূলক ফান্ডিং এবং স্কলারশিপের জন্য সংস্থাগুলির সাথে সহযোগিতা করবেন এবং প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা সংগ্রহ করবেন।
১৮.১৬ ভ্রমণ ও পর্যটন সম্পাদক
ভ্রমণ ও পর্যটন সম্পাদকে ক্ষমতা:
◦ সদস্যদের জন্য ভ্রমণ ও পর্যটন কার্যক্রমের পরিকল্পনা, তত্ত্বাবধান এবং বাস্তবায়ন করবেন।
◦ সদস্যদের ভ্রমণ সুবিধা প্রদান করবেন এবং এ সংক্রান্ত সমস্ত কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
ভ্রমণ ও পর্যটন সম্পাদকে দায়িত্ব:
◦ সদস্যদের জন্য ভ্রমণ ও পর্যটন পরিকল্পনা, যেমন: ট্যুর, সাইটসিয়িং, অ্যাডভেঞ্চার ট্রিপ ইত্যাদি আয়োজন করবেন।
◦ ভ্রমণ সংক্রান্ত সব ধরনের সুবিধা প্রদান করবেন, যেমন: ট্রান্সপোর্ট, হোটেল বুকিং, ভিসা সহায়তা, টিকেটিং ইত্যাদি।
◦ সদস্যদের জন্য পর্যটন সম্পর্কিত ইভেন্ট বা কার্যক্রম যেমন: সাংস্কৃতিক সফর, ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংক্রান্ত সফর আয়োজন করবেন।
◦ বিভিন্ন পর্যটন গন্তব্য এবং তাদের আকর্ষণ সম্পর্কে সদস্যদের অবহিত করবেন এবং সেই অনুযায়ী ভ্রমণ পরিকল্পনা তৈরি করবেন।
◦ ভ্রমণের জন্য প্রয়োজনীয় বাজেট এবং ফান্ডিং পরিকল্পনা করবেন এবং সেগুলোর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবেন।
◦ অন্যান্য কমিটির সদস্যদের সঙ্গে সমন্বয় করে ভ্রমণ এবং পর্যটন সম্পর্কিত কার্যক্রমের সফল বাস্তবায়ন করবেন।
১৮.১৭ আন্তর্জাতিক সম্পাদক
আন্তর্জাতিক সম্পাদকে ক্ষমতা:
◦ আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং বিদেশী সদস্যদের কার্যক্রমের তত্ত্বাবধান করবেন।
◦ বিদেশী সংগঠন, প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন এবং বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
আন্তর্জাতিক সম্পাদকে দায়িত্ব:
◦ বিদেশী সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং আন্তর্জাতিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন, এবং তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবেন।
◦ আন্তর্জাতিক সম্মেলন, সেমিনার, এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক কার্যক্রমে সংগঠনের প্রতিনিধিত্ব করবেন এবং বিশ্বব্যাপী প্রভাব তৈরি করার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
◦ দেশী ও বিদেশী সদস্যদের মধ্যে সমন্বয় সাধনের জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন, যেমন: সভা, কর্মশালা, ইভেন্ট আয়োজন এবং যোগাযোগ চ্যানেল স্থাপন।
◦ আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠা করবেন, এবং সংগঠনের সদস্যদের আন্তর্জাতিক সুযোগের বিষয়ে অবহিত করবেন।
◦ আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রের জন্য প্রয়োজনীয় নীতি, পরিকল্পনা এবং কৌশল তৈরি করবেন এবং সেগুলোর বাস্তবায়ন তত্ত্বাবধান করবেন।
১৮.১৮ স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সম্পাদক
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সম্পাদক – ক্ষমতা:
◦ সদস্যদের স্বাস্থ্যসেবা এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত সকল কার্যক্রমের তত্ত্বাবধান করবেন।
◦ চিকিৎসা সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা এবং চিকিৎসার সুবিধা বৃদ্ধি করতে পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সম্পাদক – দায়িত্ব:
◦ সদস্যদের জন্য স্বাস্থ্য সেবা এবং চিকিৎসার সুবিধা নিশ্চিতকল্পে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করবেন, যেমন: স্বাস্থ্য পরীক্ষা, প্রাথমিক চিকিৎসা ব্যবস্থা, এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য পরিষেবা।
◦ বিভিন্ন হাসপাতাল, ক্লিনিক এবং স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করবেন এবং সদস্যদের জন্য বিশেষ ডিসকাউন্ট বা সুবিধা প্রাপ্তির ব্যবস্থা করবেন।
◦ সদস্যদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়ানোর জন্য প্রশিক্ষণ, কর্মশালা, সেমিনার আয়োজন করবেন।
◦ চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়ে প্রাপ্ত সুবিধা, খরচ কমানোর কৌশল এবং বিভিন্ন সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা প্ল্যান প্রদান করবেন।
◦ সদস্যদের জন্য স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি, প্রোগ্রাম বা সার্ভিস ডিল তৈরি করবেন, যাতে তারা আরও সহজে এবং কম খরচে স্বাস্থ্য সেবা পেতে পারে।
◦ স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা বিষয়ক সহায়তার জন্য অন্যান্য কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করবেন।
১৮.১৯ ক্রীড়া সম্পাদক
ক্রীড়া সম্পাদকে ক্ষমতা:
◦ ক্রীড়া কার্যক্রমের পরিকল্পনা, তত্ত্বাবধান এবং বাস্তবায়ন করবেন।
◦ সদস্যদের ক্রীড়া কার্যক্রমের সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
ক্রীড়া সম্পাদকে দায়িত্ব:
◦ সদস্যদের জন্য বিভিন্ন ক্রীড়া কার্যক্রম এবং টুর্নামেন্ট আয়োজন করবেন, যেমন: ক্রিকেট, ফুটবল, বাস্কেটবল, টেবিল টেনিস ইত্যাদি।
◦ ক্রীড়া ইভেন্টগুলোর আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, স্থান এবং রেফারির ব্যবস্থা করবেন।
◦ সদস্যদের সন্তানদের ক্রীড়া সুবিধা প্রদান করবেন এবং তাদের জন্য ক্রীড়া শিবির, প্রশিক্ষণ বা অন্যান্য ক্রীড়া ইভেন্টে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করবেন।
◦ সদস্যদের জন্য ক্রীড়া উন্নয়ন এবং প্রশিক্ষণের সুযোগ বৃদ্ধি করবেন এবং প্রফেশনাল কোচিং সুবিধা প্রদান করবেন।
◦ ক্রীড়া সংক্রান্ত সমস্ত কার্যক্রমের রিপোর্ট এবং ফলাফল সংশ্লিষ্ট কমিটিতে উপস্থাপন করবেন।
◦ ক্রীড়া কার্যক্রমের জন্য বাজেট প্রস্তুত এবং ফান্ডিংয়ের ব্যবস্থা করবেন।
১৮.২০ সাংস্কৃতিক সম্পাদক
সাংস্কৃতিক সম্পাদকে ক্ষমতা:
◦ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং অন্যান্য সামাজিক অনুষ্ঠান আয়োজন করবেন এবং সেগুলোর তত্ত্বাবধান করবেন।
◦ সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের পরিকল্পনা, প্রোগ্রাম এবং কার্যক্রমের বাস্তবায়ন করবেন।
সাংস্কৃতিক সম্পাদকে দায়িত্ব:
◦ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, কর্মশালা, সেমিনার, বা প্রদর্শনী আয়োজন করবেন, যেমন: সংগীত, নৃত্য, নাটক, শিল্পকর্মের প্রদর্শনী ইত্যাদি।
◦ সদস্যদের মধ্যে সাংস্কৃতিক চর্চা বৃদ্ধি এবং সৃজনশীল কাজের উৎসাহ প্রদান করবেন, যেমন: সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, শিক্ষামূলক কর্মশালা, বা দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ।
◦ সদস্যদের সন্তানদের জন্য সাংস্কৃতিক চর্চায় সহায়তা প্রদান করবেন, যেমন: সংগীত, নৃত্য, নাটক, বা অন্যান্য সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করা।
◦ সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের জন্য বাজেট তৈরি এবং প্রয়োজনীয় তহবিল সংগ্রহ করবেন।
◦ সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের পর্যালোচনা এবং প্রতিবেদন তৈরি করবেন এবং সংগঠনের সিদ্ধান্তের জন্য তা উপস্থাপন করবেন।
◦ সাংস্কৃতিক চর্চা, ঐতিহ্য এবং মানসিক উন্নয়ন বৃদ্ধি করার জন্য কমিটির সদস্যদের সহযোগিতা এবং মনোযোগ নিবদ্ধ করবেন।
১৮.২১ কার্যনির্বাহী সদস্য
কার্যনির্বাহী সদস্যের – ক্ষমতা:
◦ কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্দিষ্ট দায়িত্ব পালন করবেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
◦ সভাপতি, সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সহ-সভাপতিবৃন্দের অনুপস্থিতিতে সভায় সভাপতিত্ব করবেন, এবং কার্যনির্বাহী কমিটির সুষ্ঠু পরিচালনা নিশ্চিত করবেন।
◦ প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে বিশেষ প্রকল্প বা কার্যক্রমের তত্ত্বাবধানে নেতৃত্ব দেবেন।
কার্যনির্বাহী সদস্যের দায়িত্ব:
◦ সভাপতি বা কার্যনির্বাহী কমিটি কর্তৃক অর্পিত যে কোন দায়িত্ব পালন করবেন এবং সময়মত ফলপ্রসূ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
◦ সদস্যদের মধ্যে যোগাযোগ বজায় রাখতে এবং তাঁদের প্রয়োজনে সহায়তা প্রদান করবেন।
◦ সংগঠনের প্রতিটি কার্যক্রমে সহায়তা প্রদান করবেন এবং কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের মধ্যে কার্যকরী সমন্বয় করবেন।
◦ বিশেষ কর্মসূচি, ইভেন্ট বা প্রকল্প পরিচালনার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত হলে তা সফলভাবে সম্পন্ন করবেন।
◦ সংগঠনের লক্ষ্য অর্জনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন এবং প্রয়োজনীয় প্রতিবেদন প্রস্তুত করবেন।
◦ সংগঠনের বাহ্যিক সম্পর্ক এবং সম্প্রসারণে অংশগ্রহণ করবেন, যেমন: মিডিয়া কভারেজ, প্রচারমূলক কার্যক্রম, ইভেন্টে প্রতিনিধিত্ব করা ইত্যাদি।
সভাপতির ক্ষমতা:
◦ সংগঠনের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে সমস্ত কার্যক্রমের পরিকল্পনা, পরিচালনা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের দায়িত্ব পালন করবেন।
◦ সাধারণ সভা এবং কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করবেন এবং সভার সুষ্ঠু পরিচালনা নিশ্চিত করবেন।
◦ সংগঠনের নীতি, কৌশল এবং উন্নয়ন পরিকল্পনা নির্ধারণে নেতৃত্ব প্রদান করবেন এবং কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখবেন।
◦ সংকটকালীন সময়ে জরুরি সভা আহ্বান করার ক্ষমতা রাখবেন।
◦ কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের কাজের সমন্বয় করবেন, তাদের কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করবেন, এবং লক্ষ্য অর্জন সুনিশ্চিত করবেন।
◦ কমিটির মধ্যে যেকোনো দ্বন্দ্ব বা সমস্যা সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
সভাপতির দায়িত্ব:
◦ সংগঠনের স্বার্থ ও কল্যাণে কাজ করবেন এবং সবসময় সংগঠনের লক্ষ্য পূরণের দিকে মনোযোগ দিবেন।
◦ কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের দায়িত্ব পালন ও কার্যক্রমের বাস্তবায়নে তদারকি করবেন।
◦ সদস্যদের মধ্যে সুষ্ঠু যোগাযোগ এবং পারস্পরিক সহযোগিতা নিশ্চিত করবেন।
◦ সংগঠনের পরামর্শক, উপদেষ্টা এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখবেন এবং তাদের থেকে মতামত গ্রহণ করবেন।
◦ সংগঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং শিক্ষামূলক উদ্যোগগুলি বাস্তবায়ন করবেন।
◦ কার্যনির্বাহী কমিটির সকল সদস্যকে তাঁদের নির্ধারিত দায়িত্ব পালনে সহায়তা প্রদান করবেন।
১৮.২ সিনিয়র সহ-সভাপতি
সিনিয়র সহ-সভাপতির ক্ষমতা:
◦ সভাপতি অনুপস্থিত থাকলে তার দায়িত্ব পালন করবেন এবং সভাপতির সিদ্ধান্ত ও দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
◦ কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন মনিটর করবেন, প্রয়োজন হলে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
◦ কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করবেন এবং সদস্যদের কাজের প্রতি লক্ষ্য রাখবেন।
সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্ব:
◦ সংগঠনের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রমের সুষ্ঠু পরিচালনা এবং বাস্তবায়ন তদারকি করবেন।
◦ সভাপতিকে সহায়তা করবেন, বিশেষ করে কৌশলগত সিদ্ধান্ত এবং কমিটির নীতি নির্ধারণে পরামর্শ প্রদান করবেন।
◦ অন্যান্য সহ-সভাপতিদের এবং কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের মধ্যে সমন্বয় এবং সহযোগিতা নিশ্চিত করবেন।
◦ সংগঠনের কার্যক্রমে যে কোনো সমস্যা বা চ্যালেঞ্জ দেখা দিলে তার সমাধানে সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন।
◦ সাংগঠনিক উদ্যোগগুলোর বাস্তবায়নে সিনিয়র সহ-সভাপতি প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হবেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
১৮.৩ সহ-সভাপতি
সহ-সভাপতির ক্ষমতা:
◦ সিনিয়র সহ-সভাপতিকে সহায়তা ও পরামর্শ প্রদান করবেন এবং তার নির্দেশনা অনুসারে কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবেন।
◦ সভাপতি ও সিনিয়র সহ-সভাপতির অনুপস্থিতিতে তাদের দায়িত্ব পালন করবেন, সংকট বা পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।
◦ সদস্যদের জন্য সঠিক পরামর্শ ও নির্দেশনা প্রদান করবেন, এবং প্রয়োজনে কার্যক্রমে উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।
সহ-সভাপতির দায়িত্ব:
◦ কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের কাজের সহায়তা করবেন, তাদের কাজের সমন্বয় নিশ্চিত করবেন এবং প্রয়োজনে উদ্বেগ বা সমস্যা সমাধানে সহায়তা করবেন।
◦ সাংগঠনিক ও আর্থিক কার্যক্রমে সহায়তা প্রদান করবেন, বিশেষ করে বাজেট বা অন্যান্য অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তে সহায়তা করবেন।
◦ সংস্থার অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সহায়তা করবেন, এবং কমিটির মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করবেন।
◦ অন্যান্য কার্যক্রমে সহ-সভাপতি সভাপতি ও সিনিয়র সহ-সভাপতির পরামর্শ অনুযায়ী সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন।
১৮.৪ সাধারণ সম্পাদক
সাধারণ সম্পাদকের ক্ষমতা:
◦ সংগঠনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে সমস্ত কার্যক্রমের পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন এবং সমন্বয় করবেন।
◦ সাধারণ সভা এবং কার্যনির্বাহী কমিটির সভা আহ্বান করবেন, এবং সভার সুষ্ঠু পরিচালনা নিশ্চিত করবেন।
◦ সংগঠনের সমস্ত কাগজপত্র, নথিপত্র, দলিল এবং হিসাব সংরক্ষণ করবেন।
◦ পরিকল্পনা, নির্দেশনা, আর্থিক কার্যক্রম এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমের তত্ত্বাবধান করবেন।
◦ সংকটকালীন পরিস্থিতিতে পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা তৈরি করবেন এবং তা বাস্তবায়ন করবেন।
◦ কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের কাজের সমন্বয় করবেন এবং তাদের দায়িত্ব পালন ও কর্মদক্ষতা পর্যালোচনা করবেন।
◦ সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া এবং সামাজিক কার্যক্রমের আয়োজন এবং সেগুলোর সুষ্ঠু বাস্তবায়ন তত্ত্বাবধান করবেন।
◦ সবার জন্য সৃজনশীল কার্যক্রম প্রণয়ন করবেন এবং মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা তত্ত্বাবধান করবেন।
◦ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ব্যবহারে সহায়তা করবেন এবং সংগঠনের প্রযুক্তিগত অগ্রগতি নিশ্চিত করবেন।
সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব
◦ সংগঠনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কার্যক্রমের সমন্বয়, বাস্তবায়ন এবং সঠিক নির্দেশনা প্রদান করবেন।
◦ সাংগঠনিক বৈঠক এবং সভা সম্পর্কে সদস্যদের অবহিত করবেন এবং তাদের জন্য কার্যকরী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।
◦ সভাপতি বা কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে সভার কার্যবিবরণী লিপিবদ্ধ করার ব্যবস্থা করবেন।
◦ সভাপতি বা কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে বার্ষিক প্রতিবেদন, আয়-ব্যয়ের হিসাব, অডিট রিপোর্ট এবং অন্যান্য আর্থিক ও প্রশাসনিক রিপোর্ট সাধারণ সভায় উপস্থাপন করবেন।
◦ সংকটকালীন সময়ে সংগঠনের কার্যক্রম স্থিতিশীল রাখার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
◦ সকল বৈঠক ও সভার পরবর্তী প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করবেন এবং সেগুলোর অগ্রগতি সম্পর্কে প্রতিবেদন প্রদান করবেন।
◦ কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের কর্মদক্ষতা পর্যালোচনা করবেন এবং লক্ষ্যের দিকে অগ্রসর হওয়ার জন্য পরিকল্পনা তৈরি করবেন।
◦ অন্যান্য কার্যক্রমের দিকনির্দেশনা দেবেন, সাংস্কৃতিক এবং সামাজিক ইভেন্টগুলোর সুষ্ঠু বাস্তবায়ন তত্ত্বাবধান করবেন।
◦ কার্যনির্বাহী কমিটির কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করবেন এবং প্রয়োজনীয় সংশোধন বা পরিবর্তন করবেন।
১৮.৫ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকে ক্ষমতা:
◦ সাধারণ সম্পাদক অনুপস্থিত থাকলে তার দায়িত্ব পালন করবেন এবং সংগঠনের কার্যক্রমের সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।
◦ সাধারণ সম্পাদক ও কার্যনির্বাহী কমিটির অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে সমন্বয় করে গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকে দায়িত্ব:
◦ সাধারণ সম্পাদককে সহায়তা করবেন এবং তার নির্দেশনায় অন্যান্য কার্যক্রম সমন্বয় করবেন।
◦ সদস্যদের মধ্যে সুষ্ঠু যোগাযোগ এবং সম্পর্ক বজায় রাখবেন। সদস্যদের প্রশ্ন, উদ্বেগ ও তথ্যের বিষয়ে সহায়তা প্রদান করবেন।
◦ সংগঠনের কার্যক্রমের অগ্রগতি তদারকি করবেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
◦ সংগঠনের বিভিন্ন ইভেন্ট, সভা বা কার্যক্রমের প্রস্তুতিতে অংশ নেবেন এবং তাদের সফল বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবেন।
◦ অফিসিয়াল রিপোর্ট, কার্যবিবরণী এবং অন্যান্য প্রশাসনিক নথি প্রস্তুত করতে সাধারণ সম্পাদককে সহায়তা করবেন।
১৮.৬ সাংগঠনিক সম্পাদক
সাংগঠনিক সম্পাদকে ক্ষমতা:
◦ অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা, আয়োজন এবং বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দিবেন।
◦ সদস্যদের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ এবং তথ্য পরিবহণের দায়িত্ব পালন করবেন।
◦ ইভেন্টের বাজেট, ভেন্যু নির্বাচন, এবং অন্যান্য মৌলিক পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।
◦ সাংগঠনিক কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ, সামগ্রী এবং অন্যান্য সঞ্চালন সংক্রান্ত বিষয়সমূহ পরিচালনা করবেন।
সাংগঠনিক সম্পাদকে দায়িত্ব:
◦ সদস্যদের একত্রিত করার জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম, সভা ও অনুষ্ঠান সংগঠিত করবেন এবং সেগুলোর কার্যকরী বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবেন।
◦ সভা, ইভেন্ট ও অন্যান্য সামাজিক কার্যক্রমের পরিকল্পনা, আয়োজন এবং সঠিকভাবে বাস্তবায়নে তদারকি করবেন।
◦ অন্যান্য কমিটির সদস্যদের সঙ্গে সমন্বয় করে ইভেন্টগুলো সফলভাবে পরিচালনা করবেন।
◦ সদস্যদের জন্য প্রয়োজনীয় অনুষ্ঠান বা প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করবেন যা তাদের পেশাগত ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নে সহায়ক হবে।
◦ বাহ্যিক সংগঠন এবং প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে, ইভেন্টের জন্য সমন্বয় ও সহযোগিতা করবেন।
১৮.৭ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক
প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদকে ক্ষমতা:
◦ সংগঠনের প্রচার, প্রচারণা এবং প্রকাশনা কার্যক্রম পরিচালনা করবেন, এবং সেগুলোর কার্যকরী পরিকল্পনা তৈরি করবেন।
◦ সংগঠনের বিপণন কৌশল এবং প্রচারণার পরিকল্পনা প্রণয়ন করবেন, যাতে সংগঠনের কার্যক্রম সঠিকভাবে উপস্থাপিত হয়।
◦ সামাজিক মিডিয়া, ই-মেইল, ওয়েবসাইট এবং অন্যান্য ডিজিটাল চ্যানেল মাধ্যমে প্রচারণা বৃদ্ধি করবেন।
প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদকে দায়িত্ব:
◦ সংগঠনের সংবাদ, ইভেন্ট, সেমিনার এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমের প্রচারণা করবেন।
◦ সামাজিক মিডিয়া, ওয়েবসাইট, ফেসবুক গ্রুপ, হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ, টুইটার, লিঙ্কডইন, ইত্যাদি মাধ্যমে সংগঠনের প্রচার বৃদ্ধি করবেন।
◦ সংগঠনের আদর্শ, উদ্দেশ্য, এবং চলমান কর্মসূচি প্রচার ও জনপ্রিয় করার জন্য পোস্টার, লিফলেট, প্রচারপত্র, পুস্তিকা ইত্যাদি প্রকাশ এবং বিতরণ করবেন।
◦ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রচারের জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন, মিডিয়া রিলিজ, প্রেস কনফারেন্স, এবং সংবাদ প্রকাশের উদ্যোগ নেবেন।
◦ সদস্যদের কাছে দ্রুত তথ্য পাঠানোর জন্য ডিজিটাল মাধ্যমে বিশেষ বার্তা, ইভেন্টের নোটিফিকেশন ইত্যাদি পাঠাবেন।
◦ মিডিয়া সম্পর্ক এবং পাবলিক রিলেশনস (PR) কৌশল নিয়ে কাজ করবেন, যাতে সংগঠনের সুনাম ও উপস্থিতি বৃদ্ধি পায়।
◦ অনলাইন এবং অফলাইন প্রচারণার সুষ্ঠু সমন্বয়ের মাধ্যমে সংগঠনের উপস্থিতি এবং কর্মসূচির প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করবেন।
১৮.৮ দপ্তর সম্পাদক
দপ্তর সম্পাদকে ক্ষমতা:
◦ সংগঠনের দাপ্তরিক কাজের তত্ত্বাবধান করবেন এবং সেগুলোর সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করবেন।
◦ দাপ্তরিক নথি ও রেকর্ড সংরক্ষণের জন্য একটি কার্যকরী ফাইলিং সিস্টেম প্রবর্তন করবেন এবং তার কার্যকারিতা তত্ত্বাবধান করবেন।
দপ্তর সম্পাদকে দায়িত্ব:
◦ সকল দাপ্তরিক নথি, রেকর্ড, চিঠিপত্র, রিপোর্ট এবং অন্যান্য প্রশাসনিক নথি সঠিকভাবে সংরক্ষণ করবেন।
◦ সংগঠনের প্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুত, পাঠানো এবং সংরক্ষণে সহায়তা প্রদান করবেন।
◦ কার্যনির্বাহী কমিটির অন্যান্য সদস্যদের দাপ্তরিক সমন্বয় ও সহায়তা করবেন, বিশেষ করে সভার কার্যবিবরণী, রিপোর্ট এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নথি তৈরি ও বিতরণে।
◦ দপ্তর সম্পর্কিত সমস্ত কাজের জন্য সঠিক রেকর্ড-রক্ষণের ব্যবস্থা করবেন এবং সংবেদনশীল তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।
◦ সকল দাপ্তরিক তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করবেন এবং সঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করবেন।
১৮.৯ অর্থ সম্পাদক
অর্থ সম্পাদক – ক্ষমতা:
◦ সংগঠনের বাজেট, তহবিল এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার তত্ত্বাবধান করবেন।
◦ আয়ের উৎস এবং ব্যয়ের পরিকল্পনা নির্ধারণ করবেন এবং তার বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবেন।
◦ তহবিল সংগ্রহ, বাজেট প্রণয়ন এবং ব্যয়ের নিয়ন্ত্রণে ক্ষমতা রাখবেন।
অর্থ সম্পাদক – দায়িত্ব:
◦ অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বাজেট তৈরি এবং তহবিল ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করবেন।
◦ সংগঠনের আয়ের উৎস চিহ্নিত করবেন এবং সেগুলোর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবেন, যেমন: দান, স্পন্সরশিপ, সদস্যপদ ফি ইত্যাদি।
◦ ব্যয়ের হিসাব, আর্থিক প্রতিবেদন এবং অডিট রিপোর্ট প্রস্তুত করবেন এবং তা সাধারণ সভায় উপস্থাপন করবেন।
◦ অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য এবং বিশ্লেষণ সরবরাহ করবেন, যেমন: খরচ কমানো, আয়ের বৃদ্ধি ইত্যাদি।
◦ তহবিল সংগ্রহের জন্য কর্মসূচি ও দান সংগ্রহের ব্যবস্থা করবেন এবং বাইরের প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করবেন।
◦ নিয়মিত আর্থিক পর্যালোচনা করবেন এবং তহবিল ব্যবহারের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবেন।
১৮.১০ আইন সম্পাদক
আইন সম্পাদকে ক্ষমতা:
◦ সংগঠনের সকল আইনগত বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করবেন এবং আইনি সিদ্ধান্তে সহায়তা করবেন।
◦ সংগঠনের সুরক্ষা এবং আইনি অধিকার রক্ষায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আইনগত পরামর্শ দেবেন।
◦ সংগঠনের পক্ষে মামলা-মোকদ্দমা দায়ের, পরিচালনা এবং আইনগত কৌশল নির্ধারণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।
আইন সম্পাদকে দায়িত্ব:
◦ সংগঠনের আইনগত সমস্যা সমাধান করবেন এবং আইনি দিকনির্দেশনা প্রদান করবেন।
◦ সংগঠনের সংবিধান, নিয়মাবলী এবং নীতি-নির্দেশিকা অনুসরণ নিশ্চিত করবেন, এবং প্রয়োজনে সংশোধনির প্রস্তাব করবেন।
◦ সংগঠনের পক্ষে মামলা-মোকদ্দমা দায়ের ও পরিচালনা করবেন, এবং আইনগত সুবিধা বা ক্ষতির বিষয়ে পর্যালোচনা করবেন।
◦ আইনি বিষয়ক চুক্তি, চিঠি বা অন্যান্য দাপ্তরিক কাগজপত্র প্রস্তুত করার ক্ষেত্রে সহায়তা প্রদান করবেন।
◦ আইনগত পরামর্শ প্রদান করে সংগঠনের অন্যান্য কমিটির সদস্যদের আইনগত বিষয়ে সচেতন করবেন এবং কার্যকরী আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণে সহায়তা করবেন।
◦ প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, আইন বিষয়ক ট্রেনিং বা কর্মশালা আয়োজন করবেন।
১৮.১১ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পাদক
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পাদকে ক্ষমতা:
◦ সংগঠনের সমস্ত প্রযুক্তিগত কার্যক্রমের তত্ত্বাবধান করবেন এবং প্রযুক্তিগত সিদ্ধান্তে সহায়তা প্রদান করবেন।
◦ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, ওয়েবসাইট, এবং অন্যান্য প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম পরিচালনা করবেন এবং তাদের কার্যকারিতা নিশ্চিত করবেন।
◦ তথ্য সিস্টেমের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা ব্যবস্থা তদারকি করবেন।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পাদকে দায়িত্ব:
◦ সংগঠনের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম (যেমন ওয়েবসাইট, সোশ্যাল মিডিয়া, ইমেইল সিস্টেম) কার্যকরভাবে পরিচালনা এবং আপডেট করবেন।
◦ তথ্য সিস্টেমের উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা করবেন, সিস্টেমের কার্যকারিতা পর্যালোচনা করবেন এবং প্রয়োজনীয় উন্নয়ন সাধন করবেন।
◦ সংগঠনের তথ্য প্রযুক্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন, তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করবেন এবং সাইবার আক্রমণের থেকে সংগঠনকে সুরক্ষিত রাখবেন।
◦ সদস্যদের জন্য সফটওয়্যার বা প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করবেন এবং তাদের প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত টুলস ব্যবহারে গাইডলাইন দেবেন।
◦ প্রযুক্তিগত সহায়তার জন্য প্রয়োজনীয় নেটওয়ার্ক সমন্বয় করবেন এবং অন্যান্য কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে প্রযুক্তি সমাধান তৈরি করবেন।
◦ সংগঠনের প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ আয়োজন করবেন এবং সদস্যদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত করবেন।
১৮.১২ আপ্যায়ন সম্পাদক
আপ্যায়ন সম্পাদকে ক্ষমতা:
◦ অতিথি আপ্যায়ন, সভা ও অনুষ্ঠান আয়োজনের সম্পূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন।
◦ অনুষ্ঠান ও সভার জন্য প্রয়োজনীয় আয়োজনের পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়ন করবেন, অতিথিদের জন্য সঠিক সেবা নিশ্চিত করবেন।
আপ্যায়ন সম্পাদকে দায়িত্ব:
◦ অনুষ্ঠান ও সভার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ এবং উপকরণ প্রস্তুত করবেন, অতিথিদের জন্য সঠিক সেবা ও সহায়তা প্রদান করবেন।
◦ অতিথিদের চাহিদা অনুযায়ী তাদের আপ্যায়ন নিশ্চিত করবেন এবং অনুষ্ঠান শেষে প্রতিক্রিয়া সংগ্রহ করে ভবিষ্যতে উন্নতি সাধন করবেন।
◦ সাংস্কৃতিক বা সামাজিক ইভেন্টগুলোর তত্ত্বাবধান করবেন এবং সেগুলোর আয়োজন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে তা নিশ্চিত করবেন।
◦ অনুষ্ঠানের জন্য অতিথি তালিকা তৈরি, পরিবেশন, পরিবহন ব্যবস্থা, খাবার এবং অন্যান্য সহায়ক কাজ তত্ত্বাবধান করবেন।
◦ অনুষ্ঠানের সুষ্ঠু বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে অন্যান্য কমিটির সদস্যদের সঙ্গে সমন্বয় করবেন।
১৮.১৩ সমাজকল্যাণ সম্পাদক
সমাজকল্যাণ সম্পাদকে ক্ষমতা:
◦ সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রমের তত্ত্বাবধান করবেন এবং সেগুলোর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবেন।
◦ সদস্যদের উন্নয়ন এবং সমাজকল্যাণ প্রকল্প পরিচালনা ও পর্যালোচনায় নেতৃত্ব প্রদান করবেন।
সমাজকল্যাণ সম্পাদকে দায়িত্ব:
◦ সদস্যদের জন্য সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রম, কর্মশালা, প্রশিক্ষণ এবং সহায়তা প্রোগ্রাম আয়োজন করবেন।
◦ সমাজকল্যাণমূলক প্রকল্পের পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন এবং সেগুলোর কার্যকারিতা নিশ্চিত করবেন, যেমন: দান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বা পরিবেশ সংরক্ষণ প্রকল্প।
◦ সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করবেন এবং তাদেরকে সমাজকল্যাণমূলক কাজের প্রতি উৎসাহিত করবেন।
◦ সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা, এনজিও এবং অন্যান্য সমাজকল্যাণ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতা এবং অংশীদারিত্ব তৈরি করবেন।
◦ প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল সংগ্রহ এবং প্রকল্প পরিচালনার জন্য নির্ধারিত বাজেট তত্ত্বাবধান করবেন।
◦ সমাজকল্যাণ প্রকল্পের ফলাফল পর্যালোচনা করবেন এবং সদস্যদের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে নিয়মিত আপডেট প্রদান করবেন।
১৮.১৪ জেন্ডার বিষয়ক সম্পাদক
জেন্ডার বিষয়ক সম্পাদকে ক্ষমতা:
◦ সংগঠনের মধ্যে লিঙ্গ সমতা এবং নারীর ক্ষমতায়ন বিষয়ক কার্যক্রমের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করবেন।
◦ লিঙ্গ বৈষম্য রোধে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন এবং সমতা প্রতিষ্ঠার জন্য নতুন নীতি প্রণয়ন করবেন।
জেন্ডার বিষয়ক সম্পাদকে দায়িত্ব:
◦ সংগঠনে লিঙ্গ বৈষম্য রোধে কাজ করবেন এবং সমতা প্রতিষ্ঠার জন্য কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
◦ লিঙ্গ সমতা এবং নারীর অধিকার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করবেন, যেমন: কর্মশালা, সেমিনার বা ক্যাম্পেইন আয়োজন।
◦ নারী উদ্যোক্তা এবং নেতৃস্থানীয় নারী সদস্যদের প্রোগ্রামগুলিতে অন্তর্ভুক্ত করবেন এবং তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করার উদ্যোগ নেবেন।
◦ সংগঠনের সকল কর্মকাণ্ডে লিঙ্গ সমতার পন্থা অনুসরণ নিশ্চিত করবেন, এবং প্রয়োজনীয় নীতি বা প্রোগ্রাম প্রণয়ন করবেন।
◦ সদস্যদের মধ্যে লিঙ্গ সমতা নিয়ে আলোচনা এবং দৃষ্টিভঙ্গি বদলানোর জন্য কার্যক্রম চালাবেন।
◦ সংগঠনকে নারীদের ক্ষমতায়ন এবং লিঙ্গ বৈষম্য দূরীকরণের লক্ষ্যসমূহে সহায়তা প্রদান করবেন।
১৮.১৫ শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক
শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদকে ক্ষমতা:
◦ সংগঠনের শিক্ষামূলক এবং গবেষণা সংক্রান্ত কার্যক্রমের পরিকল্পনা, তত্ত্বাবধান এবং বাস্তবায়ন করবেন।
◦ শিক্ষামূলক প্রকল্প, কর্মশালা এবং গবেষণা কার্যক্রমে নেতৃত্ব প্রদান করবেন।
◦ সদস্যদের এবং তাদের পরিবারের শিক্ষাগত উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা তৈরি করবেন।
শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদকে দায়িত্ব:
◦ শিক্ষামূলক প্রকল্প এবং গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করবেন, এবং তা সংগঠনের সদস্যদের উন্নয়নে সহায়ক হবে এমন প্রকল্প প্রবর্তন করবেন।
◦ সদস্যদের পরিবারের বিশেষ করে সন্তানদের শিক্ষাগত উন্নয়নে সহায়তা প্রদান করবেন, এবং শিক্ষামূলক সম্পদ বা পরামর্শ প্রদান করবেন।
◦ আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল সদস্যদের সন্তানদের জন্য শিক্ষাবৃত্তি, সহায়তা এবং স্কলারশিপ চালু করবেন।
◦ সদস্যদের গবেষণামূলক কাজের জন্য উৎসাহ প্রদান করবেন এবং তাদের গবেষণায় সহযোগিতা করবেন, যেমন: গবেষণার জন্য ফান্ডিং, পরামর্শ বা উপকরণ সরবরাহ।
◦ গবেষণার সুযোগ, প্রশিক্ষণ এবং কর্মশালার আয়োজন করবেন, যাতে সদস্যরা তাদের গবেষণার দক্ষতা বৃদ্ধি করতে পারেন।
◦ শিক্ষামূলক ফান্ডিং এবং স্কলারশিপের জন্য সংস্থাগুলির সাথে সহযোগিতা করবেন এবং প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা সংগ্রহ করবেন।
১৮.১৬ ভ্রমণ ও পর্যটন সম্পাদক
ভ্রমণ ও পর্যটন সম্পাদকে ক্ষমতা:
◦ সদস্যদের জন্য ভ্রমণ ও পর্যটন কার্যক্রমের পরিকল্পনা, তত্ত্বাবধান এবং বাস্তবায়ন করবেন।
◦ সদস্যদের ভ্রমণ সুবিধা প্রদান করবেন এবং এ সংক্রান্ত সমস্ত কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
ভ্রমণ ও পর্যটন সম্পাদকে দায়িত্ব:
◦ সদস্যদের জন্য ভ্রমণ ও পর্যটন পরিকল্পনা, যেমন: ট্যুর, সাইটসিয়িং, অ্যাডভেঞ্চার ট্রিপ ইত্যাদি আয়োজন করবেন।
◦ ভ্রমণ সংক্রান্ত সব ধরনের সুবিধা প্রদান করবেন, যেমন: ট্রান্সপোর্ট, হোটেল বুকিং, ভিসা সহায়তা, টিকেটিং ইত্যাদি।
◦ সদস্যদের জন্য পর্যটন সম্পর্কিত ইভেন্ট বা কার্যক্রম যেমন: সাংস্কৃতিক সফর, ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংক্রান্ত সফর আয়োজন করবেন।
◦ বিভিন্ন পর্যটন গন্তব্য এবং তাদের আকর্ষণ সম্পর্কে সদস্যদের অবহিত করবেন এবং সেই অনুযায়ী ভ্রমণ পরিকল্পনা তৈরি করবেন।
◦ ভ্রমণের জন্য প্রয়োজনীয় বাজেট এবং ফান্ডিং পরিকল্পনা করবেন এবং সেগুলোর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবেন।
◦ অন্যান্য কমিটির সদস্যদের সঙ্গে সমন্বয় করে ভ্রমণ এবং পর্যটন সম্পর্কিত কার্যক্রমের সফল বাস্তবায়ন করবেন।
১৮.১৭ আন্তর্জাতিক সম্পাদক
আন্তর্জাতিক সম্পাদকে ক্ষমতা:
◦ আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং বিদেশী সদস্যদের কার্যক্রমের তত্ত্বাবধান করবেন।
◦ বিদেশী সংগঠন, প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন এবং বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
আন্তর্জাতিক সম্পাদকে দায়িত্ব:
◦ বিদেশী সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং আন্তর্জাতিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন, এবং তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবেন।
◦ আন্তর্জাতিক সম্মেলন, সেমিনার, এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক কার্যক্রমে সংগঠনের প্রতিনিধিত্ব করবেন এবং বিশ্বব্যাপী প্রভাব তৈরি করার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
◦ দেশী ও বিদেশী সদস্যদের মধ্যে সমন্বয় সাধনের জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন, যেমন: সভা, কর্মশালা, ইভেন্ট আয়োজন এবং যোগাযোগ চ্যানেল স্থাপন।
◦ আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠা করবেন, এবং সংগঠনের সদস্যদের আন্তর্জাতিক সুযোগের বিষয়ে অবহিত করবেন।
◦ আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রের জন্য প্রয়োজনীয় নীতি, পরিকল্পনা এবং কৌশল তৈরি করবেন এবং সেগুলোর বাস্তবায়ন তত্ত্বাবধান করবেন।
১৮.১৮ স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সম্পাদক
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সম্পাদক – ক্ষমতা:
◦ সদস্যদের স্বাস্থ্যসেবা এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত সকল কার্যক্রমের তত্ত্বাবধান করবেন।
◦ চিকিৎসা সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা এবং চিকিৎসার সুবিধা বৃদ্ধি করতে পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সম্পাদক – দায়িত্ব:
◦ সদস্যদের জন্য স্বাস্থ্য সেবা এবং চিকিৎসার সুবিধা নিশ্চিতকল্পে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করবেন, যেমন: স্বাস্থ্য পরীক্ষা, প্রাথমিক চিকিৎসা ব্যবস্থা, এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য পরিষেবা।
◦ বিভিন্ন হাসপাতাল, ক্লিনিক এবং স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করবেন এবং সদস্যদের জন্য বিশেষ ডিসকাউন্ট বা সুবিধা প্রাপ্তির ব্যবস্থা করবেন।
◦ সদস্যদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়ানোর জন্য প্রশিক্ষণ, কর্মশালা, সেমিনার আয়োজন করবেন।
◦ চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়ে প্রাপ্ত সুবিধা, খরচ কমানোর কৌশল এবং বিভিন্ন সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা প্ল্যান প্রদান করবেন।
◦ সদস্যদের জন্য স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি, প্রোগ্রাম বা সার্ভিস ডিল তৈরি করবেন, যাতে তারা আরও সহজে এবং কম খরচে স্বাস্থ্য সেবা পেতে পারে।
◦ স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা বিষয়ক সহায়তার জন্য অন্যান্য কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করবেন।
১৮.১৯ ক্রীড়া সম্পাদক
ক্রীড়া সম্পাদকে ক্ষমতা:
◦ ক্রীড়া কার্যক্রমের পরিকল্পনা, তত্ত্বাবধান এবং বাস্তবায়ন করবেন।
◦ সদস্যদের ক্রীড়া কার্যক্রমের সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
ক্রীড়া সম্পাদকে দায়িত্ব:
◦ সদস্যদের জন্য বিভিন্ন ক্রীড়া কার্যক্রম এবং টুর্নামেন্ট আয়োজন করবেন, যেমন: ক্রিকেট, ফুটবল, বাস্কেটবল, টেবিল টেনিস ইত্যাদি।
◦ ক্রীড়া ইভেন্টগুলোর আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, স্থান এবং রেফারির ব্যবস্থা করবেন।
◦ সদস্যদের সন্তানদের ক্রীড়া সুবিধা প্রদান করবেন এবং তাদের জন্য ক্রীড়া শিবির, প্রশিক্ষণ বা অন্যান্য ক্রীড়া ইভেন্টে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করবেন।
◦ সদস্যদের জন্য ক্রীড়া উন্নয়ন এবং প্রশিক্ষণের সুযোগ বৃদ্ধি করবেন এবং প্রফেশনাল কোচিং সুবিধা প্রদান করবেন।
◦ ক্রীড়া সংক্রান্ত সমস্ত কার্যক্রমের রিপোর্ট এবং ফলাফল সংশ্লিষ্ট কমিটিতে উপস্থাপন করবেন।
◦ ক্রীড়া কার্যক্রমের জন্য বাজেট প্রস্তুত এবং ফান্ডিংয়ের ব্যবস্থা করবেন।
১৮.২০ সাংস্কৃতিক সম্পাদক
সাংস্কৃতিক সম্পাদকে ক্ষমতা:
◦ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং অন্যান্য সামাজিক অনুষ্ঠান আয়োজন করবেন এবং সেগুলোর তত্ত্বাবধান করবেন।
◦ সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের পরিকল্পনা, প্রোগ্রাম এবং কার্যক্রমের বাস্তবায়ন করবেন।
সাংস্কৃতিক সম্পাদকে দায়িত্ব:
◦ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, কর্মশালা, সেমিনার, বা প্রদর্শনী আয়োজন করবেন, যেমন: সংগীত, নৃত্য, নাটক, শিল্পকর্মের প্রদর্শনী ইত্যাদি।
◦ সদস্যদের মধ্যে সাংস্কৃতিক চর্চা বৃদ্ধি এবং সৃজনশীল কাজের উৎসাহ প্রদান করবেন, যেমন: সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, শিক্ষামূলক কর্মশালা, বা দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ।
◦ সদস্যদের সন্তানদের জন্য সাংস্কৃতিক চর্চায় সহায়তা প্রদান করবেন, যেমন: সংগীত, নৃত্য, নাটক, বা অন্যান্য সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করা।
◦ সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের জন্য বাজেট তৈরি এবং প্রয়োজনীয় তহবিল সংগ্রহ করবেন।
◦ সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের পর্যালোচনা এবং প্রতিবেদন তৈরি করবেন এবং সংগঠনের সিদ্ধান্তের জন্য তা উপস্থাপন করবেন।
◦ সাংস্কৃতিক চর্চা, ঐতিহ্য এবং মানসিক উন্নয়ন বৃদ্ধি করার জন্য কমিটির সদস্যদের সহযোগিতা এবং মনোযোগ নিবদ্ধ করবেন।
১৮.২১ কার্যনির্বাহী সদস্য
কার্যনির্বাহী সদস্যের – ক্ষমতা:
◦ কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্দিষ্ট দায়িত্ব পালন করবেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
◦ সভাপতি, সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সহ-সভাপতিবৃন্দের অনুপস্থিতিতে সভায় সভাপতিত্ব করবেন, এবং কার্যনির্বাহী কমিটির সুষ্ঠু পরিচালনা নিশ্চিত করবেন।
◦ প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে বিশেষ প্রকল্প বা কার্যক্রমের তত্ত্বাবধানে নেতৃত্ব দেবেন।
কার্যনির্বাহী সদস্যের দায়িত্ব:
◦ সভাপতি বা কার্যনির্বাহী কমিটি কর্তৃক অর্পিত যে কোন দায়িত্ব পালন করবেন এবং সময়মত ফলপ্রসূ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
◦ সদস্যদের মধ্যে যোগাযোগ বজায় রাখতে এবং তাঁদের প্রয়োজনে সহায়তা প্রদান করবেন।
◦ সংগঠনের প্রতিটি কার্যক্রমে সহায়তা প্রদান করবেন এবং কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের মধ্যে কার্যকরী সমন্বয় করবেন।
◦ বিশেষ কর্মসূচি, ইভেন্ট বা প্রকল্প পরিচালনার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত হলে তা সফলভাবে সম্পন্ন করবেন।
◦ সংগঠনের লক্ষ্য অর্জনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন এবং প্রয়োজনীয় প্রতিবেদন প্রস্তুত করবেন।
◦ সংগঠনের বাহ্যিক সম্পর্ক এবং সম্প্রসারণে অংশগ্রহণ করবেন, যেমন: মিডিয়া কভারেজ, প্রচারমূলক কার্যক্রম, ইভেন্টে প্রতিনিধিত্ব করা ইত্যাদি।
ধারা ১৯ পদত্যাগ
◦ কার্যনির্বাহী কমিটির কোনো নির্বাচিত প্রতিনিধি বা সদস্য যদি পদত্যাগের ইচ্ছা পোষণ করেন, তবে তিনি তা সভাপতি বরাবর লিখিত পদত্যাগপত্র হিসেবে জমা দেবেন।
◦ পদত্যাগপত্র গৃহীত হওয়ার পর কার্যনির্বাহী কমিটি একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। এই সিদ্ধান্ত গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত পদত্যাগ কার্যকর হবে না।
◦ যদি সভাপতি উপস্থিত না থাকেন, তবে সদস্য সাধারণ সম্পাদক বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দিতে পারবেন, এবং সাধারণ সম্পাদক সভাপতি না আসা পর্যন্ত পদত্যাগ গ্রহণ করবেন এবং পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য কার্যনির্বাহী কমিটিকে অবহিত করবেন।
◦ পদত্যাগপত্রের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং কার্যকরী ব্যবস্থা দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য সময়সীমা নির্ধারণ করা হবে (যেমন, ৭ দিন বা ৩০ দিন), যাতে পদত্যাগ কার্যকর হওয়ার পূর্ববর্তী সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।
◦ পদত্যাগের পর, পদত্যাগকারী সদস্যের দায়িত্ব পালনের জন্য সম্ভাব্য বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং নতুন সদস্য বা প্রতিনিধির জন্য নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হবে।
◦ পদত্যাগপত্র গৃহীত হওয়ার পর কার্যনির্বাহী কমিটি একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। এই সিদ্ধান্ত গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত পদত্যাগ কার্যকর হবে না।
◦ যদি সভাপতি উপস্থিত না থাকেন, তবে সদস্য সাধারণ সম্পাদক বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দিতে পারবেন, এবং সাধারণ সম্পাদক সভাপতি না আসা পর্যন্ত পদত্যাগ গ্রহণ করবেন এবং পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য কার্যনির্বাহী কমিটিকে অবহিত করবেন।
◦ পদত্যাগপত্রের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং কার্যকরী ব্যবস্থা দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য সময়সীমা নির্ধারণ করা হবে (যেমন, ৭ দিন বা ৩০ দিন), যাতে পদত্যাগ কার্যকর হওয়ার পূর্ববর্তী সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।
◦ পদত্যাগের পর, পদত্যাগকারী সদস্যের দায়িত্ব পালনের জন্য সম্ভাব্য বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং নতুন সদস্য বা প্রতিনিধির জন্য নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হবে।
ধারা ২০ নির্বাচন কমিশন গঠন
২০.১ গঠন
ক. কার্যনির্বাহী কমিটি তার মেয়াদ শেষ হওয়ার অন্তত ২ মাস পূর্বে একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ এবং স্বচ্ছ নির্বাচন কমিশন গঠন করবে, যার লক্ষ্য পরবর্তী কমিটির জন্য একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা। নির্বাচন কমিশন নির্বাচন প্রক্রিয়ার সকল দিক তত্ত্বাবধান করবে এবং নির্বাচনের সুষ্ঠতা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে।
কমিটি নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত ও কার্যক্রমে কোন ধরনের হস্তক্ষেপ করবে না, এবং কমিশন নিজের পদ্ধতি এবং নিয়ম অনুসারে কাজ করবে।
খ. কমিটির সদস্য সংখ্যা:
নির্বাচন কমিশন মোট ৫ (পাঁচ) সদস্যের একটি দল হিসেবে গঠন করা হবে।
গ. কমিটির সদস্য নির্বাচন:
নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা সাধারণ পরিষদের মাধ্যমে নির্বাচন করা হবে। কমিশনের সদস্য নির্বাচনের প্রক্রিয়া অবশ্যই সুষ্ঠু, স্বচ্ছ এবং সকল সদস্যের মধ্যে সমান সুযোগ প্রদান করবে। কমিশনের সদস্যদের নির্বাচনের যোগ্যতা, পদ্ধতি এবং প্রক্রিয়া আগে থেকেই নির্ধারণ করা হবে।
ঘ. নির্বাচনে নির্বাচিত সদস্যদের মধ্যে একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার নির্বাচিত হবেন, এবং বাকি ৪ জন সহকারী নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
ঙ. প্রধান নির্বাচন কমিশনার:
প্রধান নির্বাচন কমিশনার নির্বাচনী প্রক্রিয়ার তত্ত্বাবধান করবেন এবং সকল সিদ্ধান্তের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী হবেন। তিনি নির্বাচন প্রক্রিয়ার সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবেন।
চ. সহকারী নির্বাচন কমিশনার:
সহকারী নির্বাচন কমিশনাররা প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে সহযোগিতা করবেন এবং নির্বাচনী কার্যক্রমে তাদের সহায়তা প্রদান করবেন। তাদের দায়িত্ব হবে নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তা করা এবং নির্বাচন সংক্রান্ত কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা।
২০.২ নির্বাচন কমিশনের সদস্য নির্বাচনের প্রক্রিয়া:
ক. নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা সাধারণ সদস্যদের মধ্যে থেকে নির্বাচন করা হবে। প্রার্থী হতে চাইলে, প্রার্থীদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত উপযুক্ততা মানদণ্ড (যেমন: অভিজ্ঞতা, পেশাগত দক্ষতা, নৈতিকতা) পূরণ করতে হবে এবং তাদের প্রার্থিতা যাচাই করা হবে।
খ. সদস্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে কোনো প্রার্থী যদি অযোগ্য হন বা পক্ষপাতদুষ্ট প্রমাণিত হন, তবে তাকে নির্বাচন কমিশনে রাখা যাবে না। "পক্ষপাতদুষ্ট" সদস্য বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝানো হবে যিনি নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে অক্ষম বা যিনি কোনও নির্দিষ্ট পক্ষ বা দলের প্রতি পক্ষপাতিত্ব করবেন।
গ. নির্বাচনের জন্য প্রার্থীদের একটি নির্দিষ্ট ফরম পূরণ করতে হবে, যা নির্বাচন কমিশনের সদস্য হিসেবে প্রার্থীর নাম, যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতার বিবরণ অন্তর্ভুক্ত করবে। প্রার্থীদের প্রার্থিতা ঘোষণা করার পর, নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং সকল প্রার্থীদের নির্বাচন কমিশন কর্তৃক যাচাই করা হবে।
ঘ. নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের জন্য নির্দিষ্ট কিছু যোগ্যতার মানদণ্ড থাকতে হবে যেমন: কমপক্ষে ১ বছরের সংগঠন পরিচালনায় অভিজ্ঞতা, বা নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পর্কে সুস্পষ্ট জ্ঞান।
ঙ. প্রার্থী হওয়া ব্যক্তি যদি আগে কোনো বিতর্কিত বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকেন, তবে তাকে নির্বাচন কমিশনে মনোনীত করা যাবে না।
চ. নির্বাচন কমিশনের সদস্য যদি কোন কারণে পদত্যাগ করতে চান, তবে তাদের পদত্যাগপত্র কার্যনির্বাহী কমিটির কাছে জমা দিতে হবে এবং পদত্যাগ গ্রহণের পর নতুন সদস্য নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হবে।
ছ. নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের নৈতিকতা, পেশাদারী আচরণ এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের ইচ্ছা যাচাই করা হবে। এটি নিশ্চিত করতে হবে যে সদস্যরা সকলের প্রতি নিঃসংশয়, নিরপেক্ষ এবং দায়িত্বশীল হতে পারবেন।
২০.৩ নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব ও কর্তব্য:
ক. নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব:
ক.১ নির্বাচন পরিচালনা:
নির্বাচন কমিশন নির্বাচন প্রক্রিয়ার সকল দিক তত্ত্বাবধান করবে এবং ভোট গ্রহণের দিন, প্রক্রিয়া, সময়সূচি, স্থান এবং অন্যান্য নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয় নির্ধারণ করবে।
ক.২ নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা:
নির্বাচনের তারিখ, সময়, প্রক্রিয়া এবং ভোটার তালিকা প্রস্তুতির ব্যাপারে সাধারণ পরিষদের সদস্যদের পর্যাপ্ত নোটিশ প্রদান করবে। নির্বাচনের অন্তত ১৫ দিন পূর্বে তফসিল প্রকাশ করা হবে এবং তা সবার কাছে সহজে পৌঁছানো নিশ্চিত করবে।
ক.৩ প্রয়োজনীয় তথ্য প্রকাশ:
প্রার্থী হওয়ার জন্য নির্ধারিত সময়সীমা, যোগ্যতা, এবং প্রক্রিয়া সম্পর্কিত সকল তথ্য প্রকাশ করবে, এবং প্রার্থীদের বিষয়টি স্পষ্টভাবে জানানো হবে। এছাড়া প্রার্থীদের প্রার্থিতা ঘোষণা করার প্রক্রিয়া ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করার ব্যবস্থা করবে।
ক.৪ নির্বাচন কমিশনের তফসিল প্রকাশ:
নির্বাচনের জন্য তফসিল নির্ধারণ করবে এবং সকল প্রার্থী এবং ভোটারদের জানিয়ে দিবে। নির্বাচনের শেষ তারিখ থেকে অন্তত ১৫ (পনের) দিন পূর্বে তফসিল প্রকাশ করা হবে।
ক.৫ ভোটার তালিকা প্রস্তুত:
নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সকল ভোটারদের একটি তালিকা প্রস্তুত করবে এবং এটি যাচাই করবে, যাতে ভোটারদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা যায়।
ক.৬ নির্বাচনী নথিপত্র পরিচালনা:
নির্বাচনী নথি, ভোটার তালিকা, প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র, ভোটের ফলাফল এবং অন্যান্য নির্বাচন সম্পর্কিত সমস্ত নথিপত্র যথাযথভাবে সংরক্ষণ করবে। এই নথিপত্রগুলো নির্বাচন শেষে এক বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করতে হবে।
ক.৭ নির্বাচনী প্রক্রিয়া পরিচালনা:
নির্বাচন পরিচালনার জন্য সকল কার্যক্রম যেমন: ভোটগ্রহণ, ভোট গণনা, ফলাফল ঘোষণা ইত্যাদি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালিত হবে। নির্বাচন কমিশন এই প্রক্রিয়াগুলো তত্ত্বাবধান এবং প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
ক.৮ সিদ্ধান্ত গ্রহণ:
নির্বাচন কমিশন যেকোনো বিরোধ, অভিযোগ বা বিভ্রান্তির ক্ষেত্রে নিরপেক্ষভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে এবং দ্রুত সমাধান প্রদান করবে।
ক.৯ নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণা:
নির্বাচনের ফলাফল দ্রুত ঘোষণা করবে এবং নির্বাচিত প্রার্থীকে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর কোনো ধরণের আপিল গ্রহণযোগ্য হবে না, যদি না সেটা নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে করা হয়।
ক.১০ প্রার্থী যাচাই প্রক্রিয়া:
নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের জন্য সকল প্রার্থীর যোগ্যতা যাচাই করবে এবং প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো অযোগ্যতা বা নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ থাকলে তাদের প্রার্থিতা বাতিল করবে।
ক.১১ নির্বাচনী পরিবেশ ও নিরাপত্তা:
নির্বাচন কমিশন ভোটগ্রহণ ও ফলাফল ঘোষণার সময়ে একটি নিরাপদ ও সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করবে। ভোট গ্রহণের জায়গায় কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা অস্থিরতা সৃষ্টি হলে নির্বাচন কমিশন তা নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবস্থা নেবে।
ক.১২ নির্বাচনী কৌশল ও প্রযুক্তি ব্যবহার:
নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের আধুনিকীকরণ নিশ্চিত করবে, যেমন অনলাইন ভোটিং, ডিজিটাল ভোটার তালিকা বা অন্য কোনো প্রযুক্তির ব্যবহার যা ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়াকে আরো সহজ, সুরক্ষিত এবং স্বচ্ছ করবে।
ক.১৩ নির্বাচনের জন্য প্রমাণীকরণ পদ্ধতি:
নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর, ফলাফল সম্পর্কিত সকল তথ্য এবং নথি প্রমাণীকরণ হবে এবং তৃতীয় পক্ষ বা পর্যবেক্ষক কর্তৃক ফলাফল যাচাই করা যাবে।
ক.১৪ নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা ও ক্ষমতা:
নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণভাবে স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে কাজ করবে, এবং কোনো বাহ্যিক চাপ বা প্রভাব ছাড়াই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। এর স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনকে যথাযথভাবে ক্ষমতা প্রদান করা হবে।
ক.১৫ নির্বাচনের পরবর্তী পর্যালোচনা ও প্রতিবেদন:
নির্বাচন শেষে নির্বাচন কমিশন একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রস্তুত করবে, যা নির্বাচনের সুষ্ঠুতা, প্রক্রিয়া, ফলাফল এবং কোনো সমস্যার বিষয়ে পর্যালোচনা করবে। প্রতিবেদনটি সাধারণ পরিষদের সদস্যদের কাছে উপস্থাপন করা হবে।
ক.১৬ নির্বাচনী আপিল পদ্ধতি:
যদি কোনো প্রার্থী নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী কোন দিকের বিষয়ে আপিল করতে চান, তবে নির্বাচন কমিশন একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে আপিল গ্রহণ করবে এবং এটি নিরপেক্ষভাবে সমাধান করবে।
খ. নির্বাচন কমিশনের কর্তব্য:
খ.১ স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করা:
নির্বাচন কমিশন নির্বাচন প্রক্রিয়া সুষ্ঠু, স্বচ্ছ, এবং ন্যায়সঙ্গত করতে সর্বাত্মক চেষ্টা করবে। কোন প্রকার পক্ষপাতিত্ব, অসদাচরণ বা দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সকল প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা হবে।
খ.২ প্রার্থীদের যোগ্যতা যাচাই:
নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের যোগ্যতা যাচাই করা হবে, এবং তাদের আচরণ, পারদর্শিতা, এবং সংগঠনের গঠনতন্ত্রের প্রতি সম্মান নিশ্চিত করা হবে। প্রার্থীদের নির্বাচনী নিয়মাবলী বা গঠনতন্ত্র লঙ্ঘন করার কারণে তাদের প্রার্থিতা বাতিল করা হবে।
খ.৩ ভোটাধিকার নিশ্চিত করা:
নির্বাচন কমিশন নিশ্চিত করবে যে সকল ভোটার নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য এবং তাদের ভোটাধিকার প্রাপ্ত। ভোটাধিকার প্রয়োগে কোনো প্রকার অনৈতিক প্রভাব বা বাধা না আসবে, এবং ভোটারদের কোনো ধরনের ভয়ভীতি বা চাপে রাখা হবে না।
খ.৪ নির্বাচন ফলাফল নিশ্চিত করা:
নির্বাচনের পর ফলাফল ঘোষণা করা হবে এবং যদি কোনো প্রার্থী বা ভোটার ফলাফলে অসন্তুষ্ট হন, তাদের জন্য একটি পরিষ্কার আপিল প্রক্রিয়া নির্ধারণ করা হবে। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর ৭ দিনের মধ্যে আপিল গ্রহণযোগ্য হবে।
খ.৫ অপরাধ তদন্ত:
নির্বাচনকালীন কোনো ধরনের আচরণ বা শৃঙ্খলা ভঙ্গের ঘটনা ঘটলে, নির্বাচন কমিশন তা তাত্ক্ষণিকভাবে তদন্ত করবে এবং নিরপেক্ষভাবে সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এসব ঘটনার জন্য প্রার্থীদের বা ভোটারদের বিরুদ্ধে শাস্তি আরোপ করা হবে।
খ.৬ বিরোধ নিষ্পত্তি:
নির্বাচন কমিশন যেকোনো বিরোধ, অভিযোগ বা অনিয়মের ঘটনা নিরপেক্ষভাবে নিষ্পত্তি করবে এবং অভিযোগকারীদের জন্য যথাযথ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। এই সিদ্ধান্তগুলি নির্বাচন প্রক্রিয়ার শৃঙ্খলা এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে।
খ.৭ নির্বাচনী নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা:
নির্বাচন কমিশন নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নিরপেক্ষ এবং স্বচ্ছভাবে পরিচালনা করবে, নিশ্চিত করবে যে কোনো পক্ষ বা সদস্যের পক্ষ থেকে নির্বাচনে কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব ঘটবে না।
খ.৮ নির্বাচনী নিরাপত্তা:
নির্বাচন কমিশন নির্বাচন প্রক্রিয়ার নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এবং তা কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা অনৈতিক প্রভাব থেকে মুক্ত রাখবে।
খ.৯ নির্বাচনী আচরণ ও নৈতিকতা কোড:
নির্বাচন কমিশন প্রার্থীদের জন্য একটি নৈতিক আচরণ কোড তৈরি করবে, যা সকল প্রার্থীকে অনুসরণ করতে হবে। এই কোডে প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণা, আচরণ, ভোটারদের সাথে সম্পর্ক, এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার প্রতি সম্মান প্রদর্শনের নিয়ম থাকবে।
খ.১০ নির্বাচনের পর্যবেক্ষণ:
নির্বাচন কমিশন নির্বাচন প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপ পর্যবেক্ষণ করবে এবং তৃতীয় পক্ষ বা নিরপেক্ষ সংস্থা দ্বারা নির্বাচন পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করবে, যাতে নির্বাচন প্রক্রিয়ার সকল দিক নিরপেক্ষ এবং স্বচ্ছ হয়।
খ.১১ প্রার্থীদের জন্য প্রশিক্ষণ এবং নির্দেশনা:
নির্বাচন কমিশন প্রার্থীদের জন্য নির্বাচনী প্রক্রিয়া, নির্বাচনী আইন এবং গঠনতন্ত্র সম্পর্কিত প্রশিক্ষণ বা কর্মশালা আয়োজন করবে, যাতে তারা সুষ্ঠু নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করতে সক্ষম হন।
খ.১২ নির্বাচনী কাগজপত্র সংরক্ষণ:
নির্বাচন কমিশন সকল নির্বাচনী নথিপত্র, ভোটার তালিকা, প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র, ভোটগ্রহণ, ভোট গণনা এবং ফলাফল সম্পর্কিত নথি সংরক্ষণ করবে। এই নথিগুলি অন্তত এক বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করা হবে।
খ.১৩ নির্বাচনের সময়সীমা নির্ধারণ:
নির্বাচন কমিশন নির্বাচন প্রক্রিয়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করবে, যাতে ভোট গ্রহণ, ভোট গণনা, ফলাফল ঘোষণা এবং বিরোধ নিষ্পত্তি দ্রুত এবং সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়।
খ.১৪ নির্বাচনী বিক্ষোভ বা প্রতিবাদ পরিচালনা:
যদি নির্বাচনী ফলাফল বা প্রক্রিয়ার কোনো বিষয়ে বিক্ষোভ বা প্রতিবাদ ওঠে, নির্বাচন কমিশন তার শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং সুষ্ঠু পদ্ধতিতে তা সমাধান করবে।
খ.১৫ নির্বাচনী নীতি ও নিয়মাবলী সংশোধন:
নির্বাচন কমিশন নিয়মিতভাবে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট নীতি ও নিয়মাবলী পর্যালোচনা করবে এবং প্রয়োজন হলে সেগুলোর সংশোধন করবে, যাতে নির্বাচন প্রক্রিয়া আরও আধুনিক ও কার্যকরী হয়।
খ.১৬ নির্বাচনী তথ্য প্রকাশনা:
নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের সকল তথ্য (যেমন: প্রার্থী তালিকা, ভোটার তালিকা, নির্বাচনী ফলাফল) স্বচ্ছতার জন্য প্রকাশ করবে, যাতে ভোটার এবং প্রার্থী সকলের কাছে সহজে উপলব্ধ থাকে।
খ.১৭ নির্বাচনী প্রতিবেদন এবং বিশ্লেষণ:
নির্বাচনের পর নির্বাচন কমিশন একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন তৈরি করবে এবং নির্বাচনের সুষ্ঠুতা, ভোট গ্রহণের সময়কাল, প্রার্থীদের আচরণ, ভোটারদের অংশগ্রহণ, এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ার অন্যান্য দিক বিশ্লেষণ করবে।
গ. নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা:
গ.১ নির্বাচনের ফলাফল বাতিল:
নির্বাচন কমিশন কোনো প্রার্থী বা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার নিয়ম লঙ্ঘন করলে, তার প্রার্থিতা বাতিল করার ক্ষমতা রাখে। নির্বাচন কমিশন দ্রুত পদক্ষেপ নেবে এবং নির্বাচন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেবে।
গ.২ আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতি:
নির্বাচন কমিশন আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণ করবে এবং নির্বাচনী তফসিলের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করতে পুরোপুরি ক্ষমতাপ্রাপ্ত থাকবে।
গ.৩ প্রার্থিতা বাতিল:
নির্বাচন কমিশন কোনো প্রার্থীর নির্বাচনী আচরণবিধি বা গঠনতন্ত্রের নিয়ম লঙ্ঘন করলে, তার প্রার্থিতা বাতিল করার ক্ষমতা রাখে।
গ.৪ নির্বাচনী পরিবেশ রক্ষা:
নির্বাচন কমিশন নির্বাচন প্রক্রিয়া চলাকালীন সময়ে নির্বাচনী পরিবেশ রক্ষা করবে এবং কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলা বা অস্থিরতা সৃষ্টি হলে তা নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
গ.৫ নির্বাচনী তথ্য সংগ্রহ ও পর্যবেক্ষণ:
নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের সুষ্ঠুতা নিশ্চিত করতে নির্বাচনী তথ্য সংগ্রহ করবে এবং তা পর্যবেক্ষণ করবে।
গ.৬ ভোট গ্রহণের প্রযুক্তি ব্যবস্থাপনা:
নির্বাচন কমিশন আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করবে, যেমন ইভিএম বা অনলাইন ভোটিং ব্যবস্থা, নির্বাচন প্রক্রিয়া সহজ, নিরাপদ এবং স্বচ্ছ করতে।
গ.৭ প্রার্থীদের মধ্যে সমতা নিশ্চিত করা:
নির্বাচন কমিশন নিশ্চিত করবে যে সকল প্রার্থীকে সমান সুযোগ দেওয়া হচ্ছে এবং কোনো প্রকার পক্ষপাতিত্ব হয়নি।
গ.৮ নির্বাচনী সহায়ক সংস্থার নিয়োগ:
নির্বাচন কমিশন নির্বাচন সহায়ক সংস্থা নিয়োগ করতে পারবে যেমন, নির্বাচনী পর্যবেক্ষক, প্রশিক্ষক, ইত্যাদি।
গ.৯ নির্বাচনী ব্যয় পর্যালোচনা:
নির্বাচন কমিশন প্রার্থীদের ব্যয় রিপোর্ট পর্যালোচনা করবে এবং অতিরিক্ত ব্যয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
গ.১০ নির্বাচনী স্বচ্ছতার জন্য গণমাধ্যমের ব্যবহারের অনুমোদন:
নির্বাচন কমিশন গণমাধ্যমের মাধ্যমে সঠিক তথ্য নিশ্চিত করবে এবং নির্বাচনের স্বচ্ছতা বজায় রাখবে।
গ.১১ নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের ক্ষমতা:
নির্বাচন কমিশন যেকোনো নির্বাচনী কার্যক্রমের বিরোধ বা সমস্যা নির্ধারণে পূর্ণ ক্ষমতা রাখে এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
গ.১২ নির্বাচনে শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য আইন প্রয়োগ:
নির্বাচন কমিশন আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলির সাথে সমন্বয় করবে এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ার শৃঙ্খলা নিশ্চিত করবে।
গ.১৩ নির্বাচনী প্রচারণা নিয়ন্ত্রণ:
নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী প্রচারণা এবং উপকরণ নিয়ন্ত্রণ করবে এবং নিয়মিতভাবে তা পর্যালোচনা করবে যাতে তা সুষ্ঠু এবং সংবিধানিক হয়।
ঘ. নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ:
ঘ.১ নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ সাধারণত দুই থেকে তিন মাসের জন্য নির্ধারিত হবে, যা নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক দায়িত্ব পালনের জন্য যথেষ্ট সময় হতে হবে। তবে, বিশেষ পরিস্থিতিতে অথবা যেকোনো বাধার কারণে যদি নির্বাচন সম্পন্ন করা না যায়, তবে নির্বাচন কমিশন প্রয়োজন অনুযায়ী মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিতে পারবে, তবে এটি সাধারণত আরও তিন মাসের বেশি হবে না।
ঘ.২ নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা তাদের দায়িত্ব পালন শেষে সাধারণ সভার মাধ্যমে পরবর্তী নির্বাচিত কমিটির ঘোষণা করবেন এবং দায়িত্ব হস্তান্তরের জন্য প্রক্রিয়া শুরু করবেন। দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রক্রিয়াটি অন্তত ৭ দিনের মধ্যে সম্পন্ন হবে, যাতে কমিশন সঠিকভাবে তাদের সকল কার্যক্রম হস্তান্তর করতে পারে। এই প্রক্রিয়ায় নির্বাচন কমিশন তার সকল নথিপত্র, ভোটার তালিকা, নির্বাচনী ফলাফল, এবং অন্যান্য নির্বাচনী তথ্য হস্তান্তর করবে।
২০.৪ নির্বাচন কমিশনের শৃঙ্খলা রক্ষা:
• নির্বাচন কমিশন নির্বাচন প্রক্রিয়া চলাকালীন সময় শৃঙ্খলা রক্ষা করবে এবং নির্বাচনী নিয়ম বা বিধি লঙ্ঘনকারী যেকোনো প্রার্থী বা সদস্যের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
• যদি কোনো প্রার্থী বা সদস্য নির্বাচনী নিয়ম ভঙ্গ করে, তবে নির্বাচন কমিশন শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সদস্যের বিরুদ্ধে সতর্কীকরণ, জরিমানা, বা পদত্যাগের অনুরোধসহ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এই সিদ্ধান্তগুলি নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী কার্যকর হবে।
• নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন একটি অ্যাপিল প্রক্রিয়া চালু করবে, যার মাধ্যমে ভোটাররা বা প্রার্থীরা তাদের অভিযোগ নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে পারবেন। অভিযোগের যথাযথ তদন্ত ও সমাধান করা হবে।
• অ্যাপিল প্রক্রিয়ার সময়সীমা: অভিযোগ বা আপিল জমা দেওয়ার জন্য নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর সর্বোচ্চ ৭ দিনের মধ্যে একটি আবেদন জমা দিতে হবে।
• অ্যাপিল প্রক্রিয়ার পরিচালনা: নির্বাচন কমিশন সকল অভিযোগ বা আপিল যথাযথভাবে পর্যবেক্ষণ করবে এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষকে সুষ্ঠুভাবে সমাধান করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
• নির্বাচনী ত্রুটি বা জালিয়াতির অভিযোগের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন একটি নিরপেক্ষ তদন্ত প্যানেল গঠন করবে, যা কোনো প্রকার পক্ষপাতিত্ব ছাড়াই বিষয়টি তদন্ত করবে।
ক. কার্যনির্বাহী কমিটি তার মেয়াদ শেষ হওয়ার অন্তত ২ মাস পূর্বে একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ এবং স্বচ্ছ নির্বাচন কমিশন গঠন করবে, যার লক্ষ্য পরবর্তী কমিটির জন্য একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা। নির্বাচন কমিশন নির্বাচন প্রক্রিয়ার সকল দিক তত্ত্বাবধান করবে এবং নির্বাচনের সুষ্ঠতা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে।
কমিটি নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত ও কার্যক্রমে কোন ধরনের হস্তক্ষেপ করবে না, এবং কমিশন নিজের পদ্ধতি এবং নিয়ম অনুসারে কাজ করবে।
খ. কমিটির সদস্য সংখ্যা:
নির্বাচন কমিশন মোট ৫ (পাঁচ) সদস্যের একটি দল হিসেবে গঠন করা হবে।
গ. কমিটির সদস্য নির্বাচন:
নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা সাধারণ পরিষদের মাধ্যমে নির্বাচন করা হবে। কমিশনের সদস্য নির্বাচনের প্রক্রিয়া অবশ্যই সুষ্ঠু, স্বচ্ছ এবং সকল সদস্যের মধ্যে সমান সুযোগ প্রদান করবে। কমিশনের সদস্যদের নির্বাচনের যোগ্যতা, পদ্ধতি এবং প্রক্রিয়া আগে থেকেই নির্ধারণ করা হবে।
ঘ. নির্বাচনে নির্বাচিত সদস্যদের মধ্যে একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার নির্বাচিত হবেন, এবং বাকি ৪ জন সহকারী নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
ঙ. প্রধান নির্বাচন কমিশনার:
প্রধান নির্বাচন কমিশনার নির্বাচনী প্রক্রিয়ার তত্ত্বাবধান করবেন এবং সকল সিদ্ধান্তের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী হবেন। তিনি নির্বাচন প্রক্রিয়ার সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবেন।
চ. সহকারী নির্বাচন কমিশনার:
সহকারী নির্বাচন কমিশনাররা প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে সহযোগিতা করবেন এবং নির্বাচনী কার্যক্রমে তাদের সহায়তা প্রদান করবেন। তাদের দায়িত্ব হবে নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তা করা এবং নির্বাচন সংক্রান্ত কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা।
২০.২ নির্বাচন কমিশনের সদস্য নির্বাচনের প্রক্রিয়া:
ক. নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা সাধারণ সদস্যদের মধ্যে থেকে নির্বাচন করা হবে। প্রার্থী হতে চাইলে, প্রার্থীদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত উপযুক্ততা মানদণ্ড (যেমন: অভিজ্ঞতা, পেশাগত দক্ষতা, নৈতিকতা) পূরণ করতে হবে এবং তাদের প্রার্থিতা যাচাই করা হবে।
খ. সদস্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে কোনো প্রার্থী যদি অযোগ্য হন বা পক্ষপাতদুষ্ট প্রমাণিত হন, তবে তাকে নির্বাচন কমিশনে রাখা যাবে না। "পক্ষপাতদুষ্ট" সদস্য বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝানো হবে যিনি নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে অক্ষম বা যিনি কোনও নির্দিষ্ট পক্ষ বা দলের প্রতি পক্ষপাতিত্ব করবেন।
গ. নির্বাচনের জন্য প্রার্থীদের একটি নির্দিষ্ট ফরম পূরণ করতে হবে, যা নির্বাচন কমিশনের সদস্য হিসেবে প্রার্থীর নাম, যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতার বিবরণ অন্তর্ভুক্ত করবে। প্রার্থীদের প্রার্থিতা ঘোষণা করার পর, নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং সকল প্রার্থীদের নির্বাচন কমিশন কর্তৃক যাচাই করা হবে।
ঘ. নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের জন্য নির্দিষ্ট কিছু যোগ্যতার মানদণ্ড থাকতে হবে যেমন: কমপক্ষে ১ বছরের সংগঠন পরিচালনায় অভিজ্ঞতা, বা নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পর্কে সুস্পষ্ট জ্ঞান।
ঙ. প্রার্থী হওয়া ব্যক্তি যদি আগে কোনো বিতর্কিত বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকেন, তবে তাকে নির্বাচন কমিশনে মনোনীত করা যাবে না।
চ. নির্বাচন কমিশনের সদস্য যদি কোন কারণে পদত্যাগ করতে চান, তবে তাদের পদত্যাগপত্র কার্যনির্বাহী কমিটির কাছে জমা দিতে হবে এবং পদত্যাগ গ্রহণের পর নতুন সদস্য নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হবে।
ছ. নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের নৈতিকতা, পেশাদারী আচরণ এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের ইচ্ছা যাচাই করা হবে। এটি নিশ্চিত করতে হবে যে সদস্যরা সকলের প্রতি নিঃসংশয়, নিরপেক্ষ এবং দায়িত্বশীল হতে পারবেন।
২০.৩ নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব ও কর্তব্য:
ক. নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব:
ক.১ নির্বাচন পরিচালনা:
নির্বাচন কমিশন নির্বাচন প্রক্রিয়ার সকল দিক তত্ত্বাবধান করবে এবং ভোট গ্রহণের দিন, প্রক্রিয়া, সময়সূচি, স্থান এবং অন্যান্য নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয় নির্ধারণ করবে।
ক.২ নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা:
নির্বাচনের তারিখ, সময়, প্রক্রিয়া এবং ভোটার তালিকা প্রস্তুতির ব্যাপারে সাধারণ পরিষদের সদস্যদের পর্যাপ্ত নোটিশ প্রদান করবে। নির্বাচনের অন্তত ১৫ দিন পূর্বে তফসিল প্রকাশ করা হবে এবং তা সবার কাছে সহজে পৌঁছানো নিশ্চিত করবে।
ক.৩ প্রয়োজনীয় তথ্য প্রকাশ:
প্রার্থী হওয়ার জন্য নির্ধারিত সময়সীমা, যোগ্যতা, এবং প্রক্রিয়া সম্পর্কিত সকল তথ্য প্রকাশ করবে, এবং প্রার্থীদের বিষয়টি স্পষ্টভাবে জানানো হবে। এছাড়া প্রার্থীদের প্রার্থিতা ঘোষণা করার প্রক্রিয়া ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করার ব্যবস্থা করবে।
ক.৪ নির্বাচন কমিশনের তফসিল প্রকাশ:
নির্বাচনের জন্য তফসিল নির্ধারণ করবে এবং সকল প্রার্থী এবং ভোটারদের জানিয়ে দিবে। নির্বাচনের শেষ তারিখ থেকে অন্তত ১৫ (পনের) দিন পূর্বে তফসিল প্রকাশ করা হবে।
ক.৫ ভোটার তালিকা প্রস্তুত:
নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সকল ভোটারদের একটি তালিকা প্রস্তুত করবে এবং এটি যাচাই করবে, যাতে ভোটারদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা যায়।
ক.৬ নির্বাচনী নথিপত্র পরিচালনা:
নির্বাচনী নথি, ভোটার তালিকা, প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র, ভোটের ফলাফল এবং অন্যান্য নির্বাচন সম্পর্কিত সমস্ত নথিপত্র যথাযথভাবে সংরক্ষণ করবে। এই নথিপত্রগুলো নির্বাচন শেষে এক বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করতে হবে।
ক.৭ নির্বাচনী প্রক্রিয়া পরিচালনা:
নির্বাচন পরিচালনার জন্য সকল কার্যক্রম যেমন: ভোটগ্রহণ, ভোট গণনা, ফলাফল ঘোষণা ইত্যাদি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালিত হবে। নির্বাচন কমিশন এই প্রক্রিয়াগুলো তত্ত্বাবধান এবং প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
ক.৮ সিদ্ধান্ত গ্রহণ:
নির্বাচন কমিশন যেকোনো বিরোধ, অভিযোগ বা বিভ্রান্তির ক্ষেত্রে নিরপেক্ষভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে এবং দ্রুত সমাধান প্রদান করবে।
ক.৯ নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণা:
নির্বাচনের ফলাফল দ্রুত ঘোষণা করবে এবং নির্বাচিত প্রার্থীকে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর কোনো ধরণের আপিল গ্রহণযোগ্য হবে না, যদি না সেটা নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে করা হয়।
ক.১০ প্রার্থী যাচাই প্রক্রিয়া:
নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের জন্য সকল প্রার্থীর যোগ্যতা যাচাই করবে এবং প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো অযোগ্যতা বা নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ থাকলে তাদের প্রার্থিতা বাতিল করবে।
ক.১১ নির্বাচনী পরিবেশ ও নিরাপত্তা:
নির্বাচন কমিশন ভোটগ্রহণ ও ফলাফল ঘোষণার সময়ে একটি নিরাপদ ও সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করবে। ভোট গ্রহণের জায়গায় কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা অস্থিরতা সৃষ্টি হলে নির্বাচন কমিশন তা নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবস্থা নেবে।
ক.১২ নির্বাচনী কৌশল ও প্রযুক্তি ব্যবহার:
নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের আধুনিকীকরণ নিশ্চিত করবে, যেমন অনলাইন ভোটিং, ডিজিটাল ভোটার তালিকা বা অন্য কোনো প্রযুক্তির ব্যবহার যা ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়াকে আরো সহজ, সুরক্ষিত এবং স্বচ্ছ করবে।
ক.১৩ নির্বাচনের জন্য প্রমাণীকরণ পদ্ধতি:
নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর, ফলাফল সম্পর্কিত সকল তথ্য এবং নথি প্রমাণীকরণ হবে এবং তৃতীয় পক্ষ বা পর্যবেক্ষক কর্তৃক ফলাফল যাচাই করা যাবে।
ক.১৪ নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা ও ক্ষমতা:
নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণভাবে স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে কাজ করবে, এবং কোনো বাহ্যিক চাপ বা প্রভাব ছাড়াই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। এর স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনকে যথাযথভাবে ক্ষমতা প্রদান করা হবে।
ক.১৫ নির্বাচনের পরবর্তী পর্যালোচনা ও প্রতিবেদন:
নির্বাচন শেষে নির্বাচন কমিশন একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রস্তুত করবে, যা নির্বাচনের সুষ্ঠুতা, প্রক্রিয়া, ফলাফল এবং কোনো সমস্যার বিষয়ে পর্যালোচনা করবে। প্রতিবেদনটি সাধারণ পরিষদের সদস্যদের কাছে উপস্থাপন করা হবে।
ক.১৬ নির্বাচনী আপিল পদ্ধতি:
যদি কোনো প্রার্থী নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী কোন দিকের বিষয়ে আপিল করতে চান, তবে নির্বাচন কমিশন একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে আপিল গ্রহণ করবে এবং এটি নিরপেক্ষভাবে সমাধান করবে।
খ. নির্বাচন কমিশনের কর্তব্য:
খ.১ স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করা:
নির্বাচন কমিশন নির্বাচন প্রক্রিয়া সুষ্ঠু, স্বচ্ছ, এবং ন্যায়সঙ্গত করতে সর্বাত্মক চেষ্টা করবে। কোন প্রকার পক্ষপাতিত্ব, অসদাচরণ বা দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সকল প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা হবে।
খ.২ প্রার্থীদের যোগ্যতা যাচাই:
নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের যোগ্যতা যাচাই করা হবে, এবং তাদের আচরণ, পারদর্শিতা, এবং সংগঠনের গঠনতন্ত্রের প্রতি সম্মান নিশ্চিত করা হবে। প্রার্থীদের নির্বাচনী নিয়মাবলী বা গঠনতন্ত্র লঙ্ঘন করার কারণে তাদের প্রার্থিতা বাতিল করা হবে।
খ.৩ ভোটাধিকার নিশ্চিত করা:
নির্বাচন কমিশন নিশ্চিত করবে যে সকল ভোটার নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য এবং তাদের ভোটাধিকার প্রাপ্ত। ভোটাধিকার প্রয়োগে কোনো প্রকার অনৈতিক প্রভাব বা বাধা না আসবে, এবং ভোটারদের কোনো ধরনের ভয়ভীতি বা চাপে রাখা হবে না।
খ.৪ নির্বাচন ফলাফল নিশ্চিত করা:
নির্বাচনের পর ফলাফল ঘোষণা করা হবে এবং যদি কোনো প্রার্থী বা ভোটার ফলাফলে অসন্তুষ্ট হন, তাদের জন্য একটি পরিষ্কার আপিল প্রক্রিয়া নির্ধারণ করা হবে। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর ৭ দিনের মধ্যে আপিল গ্রহণযোগ্য হবে।
খ.৫ অপরাধ তদন্ত:
নির্বাচনকালীন কোনো ধরনের আচরণ বা শৃঙ্খলা ভঙ্গের ঘটনা ঘটলে, নির্বাচন কমিশন তা তাত্ক্ষণিকভাবে তদন্ত করবে এবং নিরপেক্ষভাবে সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এসব ঘটনার জন্য প্রার্থীদের বা ভোটারদের বিরুদ্ধে শাস্তি আরোপ করা হবে।
খ.৬ বিরোধ নিষ্পত্তি:
নির্বাচন কমিশন যেকোনো বিরোধ, অভিযোগ বা অনিয়মের ঘটনা নিরপেক্ষভাবে নিষ্পত্তি করবে এবং অভিযোগকারীদের জন্য যথাযথ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। এই সিদ্ধান্তগুলি নির্বাচন প্রক্রিয়ার শৃঙ্খলা এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে।
খ.৭ নির্বাচনী নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা:
নির্বাচন কমিশন নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নিরপেক্ষ এবং স্বচ্ছভাবে পরিচালনা করবে, নিশ্চিত করবে যে কোনো পক্ষ বা সদস্যের পক্ষ থেকে নির্বাচনে কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব ঘটবে না।
খ.৮ নির্বাচনী নিরাপত্তা:
নির্বাচন কমিশন নির্বাচন প্রক্রিয়ার নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এবং তা কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা অনৈতিক প্রভাব থেকে মুক্ত রাখবে।
খ.৯ নির্বাচনী আচরণ ও নৈতিকতা কোড:
নির্বাচন কমিশন প্রার্থীদের জন্য একটি নৈতিক আচরণ কোড তৈরি করবে, যা সকল প্রার্থীকে অনুসরণ করতে হবে। এই কোডে প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণা, আচরণ, ভোটারদের সাথে সম্পর্ক, এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার প্রতি সম্মান প্রদর্শনের নিয়ম থাকবে।
খ.১০ নির্বাচনের পর্যবেক্ষণ:
নির্বাচন কমিশন নির্বাচন প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপ পর্যবেক্ষণ করবে এবং তৃতীয় পক্ষ বা নিরপেক্ষ সংস্থা দ্বারা নির্বাচন পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করবে, যাতে নির্বাচন প্রক্রিয়ার সকল দিক নিরপেক্ষ এবং স্বচ্ছ হয়।
খ.১১ প্রার্থীদের জন্য প্রশিক্ষণ এবং নির্দেশনা:
নির্বাচন কমিশন প্রার্থীদের জন্য নির্বাচনী প্রক্রিয়া, নির্বাচনী আইন এবং গঠনতন্ত্র সম্পর্কিত প্রশিক্ষণ বা কর্মশালা আয়োজন করবে, যাতে তারা সুষ্ঠু নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করতে সক্ষম হন।
খ.১২ নির্বাচনী কাগজপত্র সংরক্ষণ:
নির্বাচন কমিশন সকল নির্বাচনী নথিপত্র, ভোটার তালিকা, প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র, ভোটগ্রহণ, ভোট গণনা এবং ফলাফল সম্পর্কিত নথি সংরক্ষণ করবে। এই নথিগুলি অন্তত এক বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করা হবে।
খ.১৩ নির্বাচনের সময়সীমা নির্ধারণ:
নির্বাচন কমিশন নির্বাচন প্রক্রিয়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করবে, যাতে ভোট গ্রহণ, ভোট গণনা, ফলাফল ঘোষণা এবং বিরোধ নিষ্পত্তি দ্রুত এবং সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়।
খ.১৪ নির্বাচনী বিক্ষোভ বা প্রতিবাদ পরিচালনা:
যদি নির্বাচনী ফলাফল বা প্রক্রিয়ার কোনো বিষয়ে বিক্ষোভ বা প্রতিবাদ ওঠে, নির্বাচন কমিশন তার শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং সুষ্ঠু পদ্ধতিতে তা সমাধান করবে।
খ.১৫ নির্বাচনী নীতি ও নিয়মাবলী সংশোধন:
নির্বাচন কমিশন নিয়মিতভাবে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট নীতি ও নিয়মাবলী পর্যালোচনা করবে এবং প্রয়োজন হলে সেগুলোর সংশোধন করবে, যাতে নির্বাচন প্রক্রিয়া আরও আধুনিক ও কার্যকরী হয়।
খ.১৬ নির্বাচনী তথ্য প্রকাশনা:
নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের সকল তথ্য (যেমন: প্রার্থী তালিকা, ভোটার তালিকা, নির্বাচনী ফলাফল) স্বচ্ছতার জন্য প্রকাশ করবে, যাতে ভোটার এবং প্রার্থী সকলের কাছে সহজে উপলব্ধ থাকে।
খ.১৭ নির্বাচনী প্রতিবেদন এবং বিশ্লেষণ:
নির্বাচনের পর নির্বাচন কমিশন একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন তৈরি করবে এবং নির্বাচনের সুষ্ঠুতা, ভোট গ্রহণের সময়কাল, প্রার্থীদের আচরণ, ভোটারদের অংশগ্রহণ, এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ার অন্যান্য দিক বিশ্লেষণ করবে।
গ. নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা:
গ.১ নির্বাচনের ফলাফল বাতিল:
নির্বাচন কমিশন কোনো প্রার্থী বা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার নিয়ম লঙ্ঘন করলে, তার প্রার্থিতা বাতিল করার ক্ষমতা রাখে। নির্বাচন কমিশন দ্রুত পদক্ষেপ নেবে এবং নির্বাচন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেবে।
গ.২ আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতি:
নির্বাচন কমিশন আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণ করবে এবং নির্বাচনী তফসিলের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করতে পুরোপুরি ক্ষমতাপ্রাপ্ত থাকবে।
গ.৩ প্রার্থিতা বাতিল:
নির্বাচন কমিশন কোনো প্রার্থীর নির্বাচনী আচরণবিধি বা গঠনতন্ত্রের নিয়ম লঙ্ঘন করলে, তার প্রার্থিতা বাতিল করার ক্ষমতা রাখে।
গ.৪ নির্বাচনী পরিবেশ রক্ষা:
নির্বাচন কমিশন নির্বাচন প্রক্রিয়া চলাকালীন সময়ে নির্বাচনী পরিবেশ রক্ষা করবে এবং কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলা বা অস্থিরতা সৃষ্টি হলে তা নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
গ.৫ নির্বাচনী তথ্য সংগ্রহ ও পর্যবেক্ষণ:
নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের সুষ্ঠুতা নিশ্চিত করতে নির্বাচনী তথ্য সংগ্রহ করবে এবং তা পর্যবেক্ষণ করবে।
গ.৬ ভোট গ্রহণের প্রযুক্তি ব্যবস্থাপনা:
নির্বাচন কমিশন আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করবে, যেমন ইভিএম বা অনলাইন ভোটিং ব্যবস্থা, নির্বাচন প্রক্রিয়া সহজ, নিরাপদ এবং স্বচ্ছ করতে।
গ.৭ প্রার্থীদের মধ্যে সমতা নিশ্চিত করা:
নির্বাচন কমিশন নিশ্চিত করবে যে সকল প্রার্থীকে সমান সুযোগ দেওয়া হচ্ছে এবং কোনো প্রকার পক্ষপাতিত্ব হয়নি।
গ.৮ নির্বাচনী সহায়ক সংস্থার নিয়োগ:
নির্বাচন কমিশন নির্বাচন সহায়ক সংস্থা নিয়োগ করতে পারবে যেমন, নির্বাচনী পর্যবেক্ষক, প্রশিক্ষক, ইত্যাদি।
গ.৯ নির্বাচনী ব্যয় পর্যালোচনা:
নির্বাচন কমিশন প্রার্থীদের ব্যয় রিপোর্ট পর্যালোচনা করবে এবং অতিরিক্ত ব্যয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
গ.১০ নির্বাচনী স্বচ্ছতার জন্য গণমাধ্যমের ব্যবহারের অনুমোদন:
নির্বাচন কমিশন গণমাধ্যমের মাধ্যমে সঠিক তথ্য নিশ্চিত করবে এবং নির্বাচনের স্বচ্ছতা বজায় রাখবে।
গ.১১ নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের ক্ষমতা:
নির্বাচন কমিশন যেকোনো নির্বাচনী কার্যক্রমের বিরোধ বা সমস্যা নির্ধারণে পূর্ণ ক্ষমতা রাখে এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
গ.১২ নির্বাচনে শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য আইন প্রয়োগ:
নির্বাচন কমিশন আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলির সাথে সমন্বয় করবে এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ার শৃঙ্খলা নিশ্চিত করবে।
গ.১৩ নির্বাচনী প্রচারণা নিয়ন্ত্রণ:
নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী প্রচারণা এবং উপকরণ নিয়ন্ত্রণ করবে এবং নিয়মিতভাবে তা পর্যালোচনা করবে যাতে তা সুষ্ঠু এবং সংবিধানিক হয়।
ঘ. নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ:
ঘ.১ নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ সাধারণত দুই থেকে তিন মাসের জন্য নির্ধারিত হবে, যা নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক দায়িত্ব পালনের জন্য যথেষ্ট সময় হতে হবে। তবে, বিশেষ পরিস্থিতিতে অথবা যেকোনো বাধার কারণে যদি নির্বাচন সম্পন্ন করা না যায়, তবে নির্বাচন কমিশন প্রয়োজন অনুযায়ী মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিতে পারবে, তবে এটি সাধারণত আরও তিন মাসের বেশি হবে না।
ঘ.২ নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা তাদের দায়িত্ব পালন শেষে সাধারণ সভার মাধ্যমে পরবর্তী নির্বাচিত কমিটির ঘোষণা করবেন এবং দায়িত্ব হস্তান্তরের জন্য প্রক্রিয়া শুরু করবেন। দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রক্রিয়াটি অন্তত ৭ দিনের মধ্যে সম্পন্ন হবে, যাতে কমিশন সঠিকভাবে তাদের সকল কার্যক্রম হস্তান্তর করতে পারে। এই প্রক্রিয়ায় নির্বাচন কমিশন তার সকল নথিপত্র, ভোটার তালিকা, নির্বাচনী ফলাফল, এবং অন্যান্য নির্বাচনী তথ্য হস্তান্তর করবে।
২০.৪ নির্বাচন কমিশনের শৃঙ্খলা রক্ষা:
• নির্বাচন কমিশন নির্বাচন প্রক্রিয়া চলাকালীন সময় শৃঙ্খলা রক্ষা করবে এবং নির্বাচনী নিয়ম বা বিধি লঙ্ঘনকারী যেকোনো প্রার্থী বা সদস্যের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
• যদি কোনো প্রার্থী বা সদস্য নির্বাচনী নিয়ম ভঙ্গ করে, তবে নির্বাচন কমিশন শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সদস্যের বিরুদ্ধে সতর্কীকরণ, জরিমানা, বা পদত্যাগের অনুরোধসহ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এই সিদ্ধান্তগুলি নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী কার্যকর হবে।
• নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন একটি অ্যাপিল প্রক্রিয়া চালু করবে, যার মাধ্যমে ভোটাররা বা প্রার্থীরা তাদের অভিযোগ নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে পারবেন। অভিযোগের যথাযথ তদন্ত ও সমাধান করা হবে।
• অ্যাপিল প্রক্রিয়ার সময়সীমা: অভিযোগ বা আপিল জমা দেওয়ার জন্য নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর সর্বোচ্চ ৭ দিনের মধ্যে একটি আবেদন জমা দিতে হবে।
• অ্যাপিল প্রক্রিয়ার পরিচালনা: নির্বাচন কমিশন সকল অভিযোগ বা আপিল যথাযথভাবে পর্যবেক্ষণ করবে এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষকে সুষ্ঠুভাবে সমাধান করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
• নির্বাচনী ত্রুটি বা জালিয়াতির অভিযোগের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন একটি নিরপেক্ষ তদন্ত প্যানেল গঠন করবে, যা কোনো প্রকার পক্ষপাতিত্ব ছাড়াই বিষয়টি তদন্ত করবে।
ধারা ২১ কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন
কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ায় পরিচালিত হবে, যা সংগঠনের স্বচ্ছতা এবং সদস্যদের বিশ্বাস নিশ্চিত করবে। নির্বাচন প্রক্রিয়া পরিচালনার জন্য নির্বাচন কমিশন দায়িত্বপ্রাপ্ত থাকবে এবং এই প্রক্রিয়াটি গঠনতন্ত্রের বিধি অনুযায়ী পরিচালিত হবে।
২১.১ নির্বাচন কমিশন:
নির্বাচন কমিশন গঠন:
গঠনতন্ত্রের ১৯ নং ধারা অনুযায়ী একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ এবং স্বচ্ছ নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে, যার দায়িত্ব নির্বাচন প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা। গঠনতন্ত্রের ১৯.২ নং ধারা অনুযায়ী কমিশন ৫ সদস্যবিশিষ্ট হবে, যার মধ্যে একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং ৪ জন সহকারী নির্বাচন কমিশনার থাকবেন। নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের কার্যকরী ক্ষমতা এবং স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে, যাতে তারা কোনো পক্ষপাতিত্ব বা বাহ্যিক প্রভাব ছাড়া নির্বাচন পরিচালনা করতে পারেন।
দায়িত্ব, কর্তব্য ও ক্ষমতা:
গঠনতন্ত্রের ১৯.৩ এর ’ক’, ’খ’ ও ‘গ’ ধারা অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন নির্বাচন প্রক্রিয়া পরিচালনার দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করবে এবং নির্বাচনের সুষ্ঠুতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
কমিশনের প্রধান কাজগুলির মধ্যে রয়েছে:
◦ নির্বাচনের তফসিল প্রকাশ করা,
◦ প্রার্থীদের যোগ্যতা যাচাই করা,
◦ ভোটার তালিকা প্রস্তুত করা,
◦ নির্বাচনী শৃঙ্খলা রক্ষা করা, এবং
◦ ভোট গণনা ও ফলাফল ঘোষণা করা।
নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা:
নির্বাচন কমিশন তার দায়িত্ব পালনকালে পূর্ণ স্বাধীনতা ও ক্ষমতা প্রয়োগ করবে এবং কোনো বাহ্যিক চাপ বা প্রভাবের বাইরে থাকবে। কমিশনের সকল কার্যক্রম সুশৃঙ্খল ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালিত হবে এবং তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ থাকবে।
২১.২ নির্বাচনের প্রক্রিয়া:
ক. প্রথম ধাপে নির্বাচন:
প্রথম ধাপে সভাপতি, সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক পদে নির্বাচন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া একই সাথে ১ নং যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও ১ নং সাংগাঠনিক সম্পাদক পদের নির্বাচন করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশিন প্রার্থীদের পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নিবে।
খ. পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন:
প্রথম ধাপের নির্বাচনের পর নির্বাচিত সভাপতি, সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক মিলে ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করবে। এক্ষেত্রে, কোন পদে নির্দিষ্ট সংখ্যার বেশি যদি আগ্রহী প্রার্থী থাকে তাহলে সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক নির্বাচন কমিশনকে সেই পদে নির্বাচন আয়োজন করার অনুরোধ করবেন এবং তার প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন সেই পদের জন্য নির্বাচনের আয়োজন করবে। সকল প্রক্রিয়া প্রথম ধাপে নির্বাচনের ৩০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।
২১.২.১ নির্বাচনের সময়সূচী (তফসিল):
ক. নির্বাচন কমিশন নির্বাচন পরিচালনার জন্য একটি সুস্পষ্ট এবং স্বচ্ছ তফসিল প্রকাশ করবে। তফসিলের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ, প্রার্থী হওয়ার শেষ তারিখ, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা, ভোটগ্রহণের সময়, এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকবে। নির্বাচন তফসিল সাধারণ সভায় প্রকাশের পর, সকল সদস্যকে অবহিত করা হবে। তফসিলটি কমপক্ষে ৩ সপ্তাহ পূর্বে প্রকাশ করা হবে, যাতে সকল প্রার্থী এবং ভোটারদের জন্য যথেষ্ট সময় থাকে।
খ. সাধারণ সভায় নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হবে এবং তফসিল অনুযায়ী ভোটগ্রহণ হবে। নির্বাচনের তারিখ সাধারণ সভায় ঘোষণার পর, নির্বাচন কমিশন সকল কার্যক্রম এবং ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া তফসিল অনুযায়ী সম্পন্ন করবে। কোনো কারণে নির্বাচনের তারিখ বা ভোটগ্রহণের সময় পরিবর্তন হলে, নির্বাচন কমিশন তা শীঘ্রই ঘোষণা করবে এবং নতুন তফসিল প্রকাশ করবে।
গ. নির্বাচনের সমস্ত প্রক্রিয়া তফসিল অনুযায়ী চলবে এবং কোনো প্রকার অনিয়ম বা বিলম্ব ঘটতে পারবে না। যদি নির্বাচনী তফসিল পরিবর্তন করতে হয়, তবে তা কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে হবে এবং সংশ্লিষ্ট সদস্যদের দ্রুত অবহিত করা হবে।
২১.২.২ প্রার্থীদের মনোনয়ন:
ক. নির্বাচন কমিশন প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রক্রিয়া পরিচালনার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করবে। মনোনয়ন ফর্ম পূরণ করার জন্য প্রার্থীদের একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে নির্বাচন কমিশনের কাছে ফর্ম জমা দিতে হবে। নির্বাচনী তফসিলের অংশ হিসেবে, মনোনয়ন ফর্ম জমা দেওয়ার শেষ তারিখ স্পষ্টভাবে তফসিলে উল্লেখ করা হবে এবং সেই তারিখের পর কোনো প্রার্থী মনোনয়ন ফর্ম জমা দিতে পারবেন না।
খ. মনোনয়ন ফর্মে প্রার্থীদের নাম, পদ, যোগ্যতা, নির্বাচনী প্রক্রিয়া অনুসরণ করার প্রতিশ্রুতি এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য থাকতে হবে। প্রার্থীদের নির্বাচনী পদ বা পদমর্যাদা, তাদের পেশাগত যোগ্যতা এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের জন্য তাদের সক্ষমতা বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করতে হবে।
গ. মনোনয়ন ফর্ম গ্রহণের পর, নির্বাচন কমিশন প্রার্থীদের যোগ্যতা যাচাই করবে এবং নিশ্চিত করবে যে তারা গঠনতন্ত্র এবং নির্বাচনী নিয়মাবলী অনুসরণ করছেন। কমিশন প্রার্থীদের গঠনতন্ত্রের প্রতি সম্মান এবং নির্বাচনী আচরণবিধির মানদণ্ড পূর্ণ করছে কিনা তা যাচাই করবে। যদি কোনো প্রার্থী গঠনতন্ত্রের কোন শর্ত লঙ্ঘন করেন বা নির্বাচনী নিয়মাবলী ভঙ্গ করেন, তবে তার মনোনয়ন বাতিল করা হবে।
ঘ. মনোনয়ন ফর্মের যাচাইয়ের পর নির্বাচন কমিশন প্রার্থীদের যোগ্যতা বা শর্তপূরণের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিবে এবং প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা ঘোষণা করবে।
ঙ. প্রার্থীদের মনোনয়ন যাচাইয়ের পর, নির্বাচন কমিশন কোনো অভিযোগ বা আপত্তি গ্রহণ করবে, এবং সেটির ওপর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রার্থীরা নির্বাচন কমিশনে আবেদন করতে পারবেন।
চ. মনোনয়ন ফর্ম জমা দেওয়ার পর নির্বাচন কমিশন একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে প্রার্থীদের মনোনয়ন চূড়ান্ত করে, সকল প্রার্থীদের অবহিত করবে এবং তাদের নাম ঘোষণা করবে।
ছ. মনোনয়ন ফর্মে প্রার্থীদের স্বাক্ষর এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের জন্য তাদের দায়িত্বর গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।
২১.২.৩ ভোটার তালিকা:
ক. নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী ভোটারদের একটি পূর্ণাঙ্গ এবং সঠিক তালিকা প্রস্তুত করবে। শুধুমাত্র সাধারণ সদস্যরা নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য হবেন। সদস্যদের নির্বাচনী যোগ্যতা যাচাই করার জন্য তাদের সদস্যপদ এবং অন্যান্য শর্ত যাচাই করা হবে। ভোটার তালিকা প্রস্তুতির জন্য নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের অন্তত ৩ সপ্তাহ পূর্বে ভোটার তালিকা প্রস্তুত করবে।
খ. ভোটার তালিকা প্রস্তুতির পর, প্রার্থীরা তালিকা যাচাই করতে পারবেন এবং যদি তারা কোনো ভুল বা অসঙ্গতি লক্ষ্য করেন, তবে তারা নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ বা সংশোধন দাবি করতে পারবেন। নির্বাচন কমিশন ৭ দিনের মধ্যে ভোটার তালিকা সংশোধন করবে, যদি কোনো তথ্য ভুল বা অসঙ্গতিপূর্ণ হয়। ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করার পর, তা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রকাশ করা হবে এবং সকল প্রার্থী এবং ভোটারদের অবহিত করা হবে।
গ. ভোটার তালিকার সঠিকতা নিশ্চিত করার জন্য, নির্বাচন কমিশন নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে একটি যাচাইকরণ প্রক্রিয়া আয়োজন করবে। তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার পর কোনো আপত্তি গ্রহণযোগ্য হবে না, তবে প্রার্থীরা তাদের অবলোকন করতে পারবেন এবং ফর্মে উল্লিখিত তথ্য যাচাই করবেন।
ঘ. ভোটার তালিকার গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন সকল ভোটার তথ্য সঠিকভাবে সংরক্ষণ করবে এবং তা নির্বাচনের পরেও কোনো অবৈধ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যাবে না।
ঙ. যদি কোনো ভোটার বা প্রার্থী ভোটার তালিকা নিয়ে আপত্তি জানায়, নির্বাচন কমিশন সেই আপত্তি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে গ্রহণ করবে এবং একটি নিরপেক্ষ বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তা নিষ্পত্তি করবে।
২১.২.৪ নির্বাচন কৌশল:
ক. নির্বাচন গোপন ব্যালটের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে। প্রার্থীরা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী ভোট দিতে পারবেন এবং এটি গোপন থাকবে। গোপন ব্যালট পদ্ধতি নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন নির্বাচন কেন্দ্রের নিরাপত্তা এবং ভোটগ্রহণের সুষ্ঠুতা নিশ্চিত করবে।
খ. যদি আলাদা করে সরাসরি ভোট গ্রহণ আয়োজন সম্ভব না হয়, তবে নির্বাচন কমিশন বার্ষিক সাধারণ সভায় ভোট গ্রহণের ব্যবস্থা করবে। সাধারণ সভায় ভোট গ্রহণের প্রক্রিয়া সুষ্ঠু, নিরাপদ এবং নির্বাচনী গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে সকল শর্ত পূরণ করতে হবে।
গ. যদি বার্ষিক সাধারণ সভা আয়োজন সম্ভব না হয়, তবে নির্বাচন কমিশন অনলাইন ভোটিংয়ের ব্যবস্থা করবে। অনলাইন ভোটিং পদ্ধতির মাধ্যমে ভোটাররা তাদের ভোট প্রদান করবেন। তবে, এটি অবশ্যই সুরক্ষিত, স্বচ্ছ এবং নিরপেক্ষ হতে হবে। অনলাইন ভোটিং পদ্ধতিতে:
• ভোটার যাচাইকরণ: ভোটারদের যাচাইকরণের জন্য একটি শক্তিশালী পদ্ধতি গ্রহণ করা হবে, যেন ভোটারদের সঠিক পরিচয় নিশ্চিত করা যায়।
• গোপনীয়তা এবং নিরাপত্তা: অনলাইন ভোটিংয়ের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে শক্তিশালী এনক্রিপশন এবং নিরাপদ সার্ভার ব্যবহার করা হবে।
• নির্বাচন ফলাফল: অনলাইন ভোটিংয়ের ফলাফল দ্রুত গণনা এবং প্রকাশ করা হবে, এবং ফলাফল প্রকাশের সময়সীমা নির্ধারণ করা হবে।
• ভোটার যাচাইকরণ: অনলাইন ভোটিংয়ের ক্ষেত্রে ভোটারের পরিচয় যাচাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভোটার যাচাইকরণের জন্য শক্তিশালী পদ্ধতি যেমন OTP (One-Time Password), ডিজিটাল স্বাক্ষর, বা দুই-স্তরের যাচাইকরণ (Two-Factor Authentication) ব্যবহার করা হবে, যাতে ভোটাররা নিজেদের পরিচয় সঠিকভাবে প্রমাণ করতে পারেন।
• ভোটারের তথ্য গোপন রাখার জন্য এনক্রিপশন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে, এবং ভোটারদের ব্যক্তিগত তথ্য কোনভাবেই প্রকাশ করা হবে না।
• অনলাইন ভোটিংয়ের জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যার এবং প্ল্যাটফর্ম অবশ্যই সুরক্ষিত এবং হ্যাকিং বা দুর্ব্যবহারের জন্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা থাকবে। এ জন্য উন্নত এনক্রিপশন প্রযুক্তি এবং ফায়ারওয়াল ব্যবহৃত হবে।
• নির্বাচন কমিশন শুধুমাত্র পরীক্ষিত এবং নিরাপদ অনলাইন ভোটিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করবে, যার পূর্বে নিরপেক্ষ সংস্থা দ্বারা নিরাপত্তা পরীক্ষিত হয়েছে।
• অনলাইন ভোটিংয়ে ভোট দেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকবে, যেমন: ভোট গ্রহণ শুরু হওয়ার পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাওয়া যাবে, বা নির্বাচনের নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে ভোট প্রদান সম্পন্ন করতে হবে।
• ভোটাররা একবার ভোট দেওয়ার পর, তাদের ভোটের পরিবর্তন বা বাতিল করার সুযোগ থাকবে না, এবং ভোটের অখণ্ডতা বজায় রাখার জন্য তা সুরক্ষিতভাবে রেকর্ড হবে।
• অনলাইন ভোটিংয়ের মাধ্যমে ভোটদানের গোপনীয়তা নিশ্চিত করা হবে, যাতে কোনো বাহ্যিক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কোনো ভোটারের পছন্দ জানাতে না পারে। এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ যাতে প্রার্থীরা অথবা অন্য কেউ ভোটারদের ভোটের ওপর প্রভাব ফেলতে না পারে।
• ভোটারদের শুধুমাত্র নির্ধারিত অবস্থান বা সিস্টেম থেকে ভোট দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে, যাতে অনলাইনে ভোটিংয়ের ক্ষেত্রে কোনো অবৈধ বা অপ্রত্যাশিত প্রভাব না আসে।
• অনলাইন ভোটিং সিস্টেমে ভোট গণনা স্বয়ংক্রিয়ভাবে করা হবে, এবং ফলাফল দ্রুত গণনা করা হবে যাতে ভোটের ফলাফল ঘোষণায় বিলম্ব না হয়।
• ভোট গণনা শেষে নির্বাচন কমিশন ফলাফল প্রকাশ করবে এবং প্রার্থীরা সেই ফলাফল দেখতে পারবেন। ফলাফল ঘোষণা একটি নির্দিষ্ট সময়ে হবে, এবং এটি স্বচ্ছতার সাথে সম্পন্ন করা হবে।
• নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের আগে একাধিকবার অনলাইন ভোটিং সিস্টেমের পরীক্ষা করবে যাতে এটি নির্ভুলভাবে কাজ করে। এছাড়া, নির্বাচনের সময় সিস্টেমের সাথে কোনো সমস্যা হলে নির্বাচনের ফলাফলে কোনো প্রভাব পড়বে না।
• যেকোনো প্রযুক্তিগত সমস্যার ক্ষেত্রে নির্বাচনের ফলাফলে কোনো প্রভাব না পড়ার জন্য জরুরি প্রক্রিয়া এবং রিজার্ভ সিস্টেম প্রস্তুত থাকবে।
• ভোটারদের জন্য অনলাইন ভোটিং প্রক্রিয়া সহজ এবং ব্যবহারকারী বান্ধব হবে, যাতে তারা সহজেই ভোট দিতে পারেন। ব্যবহারকারীদের জন্য একটি সহজ নির্দেশিকা বা টিউটোরিয়াল প্রদান করা হবে, যাতে তারা অনলাইনে ভোট দেওয়ার নিয়ম বুঝতে পারেন।
• নির্বাচনের পূর্বে প্রার্থীদের এবং ভোটারদের জন্য একটি ওয়ার্কশপ বা অনলাইন প্রশিক্ষণ আয়োজন করা যেতে পারে, যেখানে তারা অনলাইন ভোটিংয়ের প্রক্রিয়া এবং নিয়মাবলী সম্পর্কে ধারণা পাবেন।
• নির্বাচন শেষে অনলাইন ভোটিং সিস্টেম একটি পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তৈরি করবে, যাতে নির্বাচনের স্বচ্ছতা এবং সুষ্ঠুতা যাচাই করা যাবে। রিপোর্টে নির্বাচন প্রক্রিয়ার সময়কাল, ভোটের অংশগ্রহণ, ভোটের গড় শতাংশ, এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিশ্লেষণ থাকবে।
ঘ. নির্বাচন কমিশন নিশ্চিত করবে যে, প্রতিটি ভোটার শুধুমাত্র একবার ভোট দিতে পারবেন, এবং তা স্বতন্ত্রভাবে রেকর্ড হবে। একটি ভোটারের ভোট একাধিকবার গ্রহণ করা যাবে না, এবং প্রযুক্তি এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।
২১.২.৫ ভোটগ্রহণ:
ক. ভোটের সময় ও স্থান:
নির্বাচন কমিশন ভোটগ্রহণের সময় এবং স্থান নির্ধারণ করবে এবং নির্বাচনের ১ সপ্তাহ পূর্বে সদস্যদের জানিয়ে দিবে। সদস্যদের এই বিষয়ে একটি প্রাথমিক নোটিশ দেওয়া হবে যাতে তারা সময়মতো ভোট প্রদান করতে পারে। ভোটগ্রহণের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা যেমন:
• ব্যালট বাক্স: ব্যালট বাক্স নির্বাচন কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে রাখা হবে।
• ভোটার আইডি যাচাই: প্রতিটি ভোটারকে ভোট দেওয়ার পূর্বে তাদের আইডি যাচাই করা হবে, যাতে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার ব্যবহার করতে পারেন।
• অনলাইন ভোটিং: যদি অনলাইনে ভোটগ্রহণ হয়, তবে পুরো প্রক্রিয়া নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে মনিটর করা হবে, এবং গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
খ. ভোট প্রদান:
ভোটাররা নির্বাচিত প্রার্থীকে ভোট দেবেন। প্রত্যেক ভোটার একাধিক প্রার্থীর মধ্যে থেকে একজন প্রার্থীকে নির্বাচন করতে পারবেন। প্রত্যেক ভোটার তাদের ভোট প্রদান করার সময় গোপনীয়তা বজায় রাখবেন এবং ভোটারদের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করা হবে। অনলাইন ভোটিংয়ে, ভোটারদের ভোট প্রদান প্রক্রিয়াটি সুরক্ষিতভাবে পরিচালিত হবে এবং গোপনীয়তা নিশ্চিত করা হবে।
গ. ভোট গণনা:
ভোটগ্রহণ শেষে নির্বাচন কমিশন ভোট গণনা করবে। গণনার সময়, কোনো প্রকার অসদাচরণ বা পক্ষপাতিত্ব অনুমোদিত হবে না। ভোট গণনার জন্য নির্বাচন কমিশন ডিজিটাল বা ম্যানুয়াল পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারে, যা প্রক্রিয়া সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করবে। গণনার সময়, তৃতীয় পক্ষের পর্যবেক্ষক উপস্থিত থাকবেন, যাতে নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও সঠিক থাকে। নির্বাচনের ফলাফল স্বচ্ছভাবে গণনা এবং ঘোষণা করা হবে এবং তা সকল প্রার্থীর কাছে উপস্থাপন করা হবে।
২১.২.৬ প্রার্থী নির্বাচন:
ক. নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে নির্বাচন:
নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে, সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া প্রার্থী নির্বাচিত হবেন। যদি কোনো পদে একাধিক প্রার্থী সমান সংখ্যক ভোট পান, তবে নির্বাচন কমিশন পুনঃভোট গ্রহণ করবে। পুনঃভোটের জন্য নির্বাচনের তারিখ এবং সময় নির্ধারণ করা হবে এবং প্রার্থীরা সেই অনুযায়ী ভোট দিতে পারবেন। পুনঃভোটে অংশগ্রহণের জন্য সমস্ত প্রার্থীর সম্মতি নিতে হবে এবং পুনঃভোট গ্রহণের সময়সীমা ৭ দিনের মধ্যে সম্পন্ন হবে।
খ. নির্বাচিত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা:
নির্বাচিত প্রার্থীদের নাম সাধারণ সভায় ঘোষণা করা হবে এবং নির্বাচনের ফলাফল সেই সভায় সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হবে। ফলাফল ঘোষণার পর, কোনো প্রার্থী যদি ফলাফলের বিষয়ে আপত্তি জানায়, তাহলে নির্ধারিত সময়ে আপিল প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং তা নির্বাচন কমিশন দ্বারা সমাধান করা হবে।
২১.২.৭ ফলাফল ঘোষণা:
ক. ফলাফল ঘোষণা:
নির্বাচনের ফলাফল ভোটগ্রহণ ও গণনা শেষে দ্রুত ঘোষণা করা হবে। ফলাফল সাধারণ সভায় বা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ঘোষণা করা হবে, যার মাধ্যমে সকল প্রার্থী এবং সদস্যরা ফলাফল জানতে পারবেন। নির্বাচন কমিশন নিশ্চিত করবে যে ফলাফল সকল সদস্যদের কাছে সহজে পৌঁছায় এবং তা সঠিকভাবে জানানো হয়। নির্বাচিত সদস্যদের দায়িত্ব গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশন ব্যবস্থা গ্রহণ করবে, এবং তাদের শপথ গ্রহণের তারিখ ও সময় ঘোষণা করবে।
খ. অপত্তি বা সমস্যা নিষ্পত্তি:
নির্বাচনের ফলাফলে কোনো সমস্যা বা অভিযোগ উঠলে, নির্বাচন কমিশন তা নিরপেক্ষভাবে নিষ্পত্তি করবে। কমিশন অভিযোগের প্রমাণাদি যাচাই করে ৭ দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত নিবে। যদি কোনো প্রার্থী বা সদস্য ফলাফল নিয়ে আপত্তি জানায়, তবে তারা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর ৭ দিনের মধ্যে আপিল করতে পারবেন। নির্বাচন কমিশন আপিল পদ্ধতিতে দ্রুত এবং ন্যায়সঙ্গত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
২১.২.৮ শৃঙ্খলা এবং আপিল:
ক. অভিযোগ ও আপিল:
যদি কোনো সদস্য নির্বাচন প্রক্রিয়া বা ফলাফল সম্পর্কে অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশন ৭ দিনের মধ্যে অভিযোগ বা আপিল গ্রহণ করবে। অভিযোগ দায়েরের পর নির্বাচন কমিশন তা যাচাই করবে এবং নিরপেক্ষভাবে সিদ্ধান্ত নেবে। কমিশন অভিযোগের নিষ্পত্তি এক সপ্তাহের মধ্যে করবে। যদি কোনো প্রার্থী নির্বাচনী ফলাফল বা প্রক্রিয়া সম্পর্কে আপিল করতে চান, তবে তাদের অভিযোগ বা আপিল নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে হবে। কমিশন এই আপিলের প্রক্রিয়া এবং তার সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে পরিচালনা করবে এবং এক সপ্তাহের মধ্যে ফলাফল জানিয়ে দেবে।
খ. শৃঙ্খলা রক্ষা:
নির্বাচন কমিশন নির্বাচন প্রক্রিয়া চলাকালীন শৃঙ্খলা বজায় রাখবে এবং প্রার্থীদের বা সদস্যদের নির্বাচনী আচরণবিধি এবং গঠনতন্ত্র অনুসরণ নিশ্চিত করবে। যদি কোনো প্রার্থী বা সদস্য নির্বাচনী নিয়ম লঙ্ঘন করে, যেমন নির্বাচনী প্রচারণা আইন লঙ্ঘন করা, ভোটের সময়সূচী বা বিধি ভঙ্গ করা, বা অন্য কোনো প্রকার অসদাচরণ করা হয়, তাহলে নির্বাচন কমিশন তার বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা রক্ষার ব্যবস্থা নেবে। শৃঙ্খলা ভঙ্গকারী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন সতর্কীকরণ, জরিমানা, বা তাদের মনোনয়ন বাতিল করার মতো ব্যবস্থা নিতে পারবে।
২১.২.৯ নতুন কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ:
নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা ও পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করার পর, নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে দায়িত্ব গ্রহণ করবে এবং পুরানো কমিটি তাদের দায়িত্ব নব নির্বাচিত কমিটির হাতে সুষ্ঠুভাবে হস্তান্তর করবে।
হস্তান্তর প্রক্রিয়া:
• পুরানো কমিটি নির্বাচন কমিশনের উপস্থিতিতে নতুন কমিটিকে তাদের দায়িত্ব হস্তান্তর করবে।
• দায়িত্ব হস্তান্তরকার্য: সমস্ত প্রয়োজনীয় দলিল, নথিপত্র, হিসাব-বই, এবং সংগঠনের অন্যান্য সম্পদ নব নির্বাচিত কমিটির কাছে হস্তান্তর করা হবে।
• পরামর্শ: পুরানো কমিটি নির্বাচিত কমিটিকে দায়িত্ব গ্রহণের সময় তাদের পূর্ববর্তী কাজ এবং প্রক্রিয়া সম্পর্কে পরামর্শ প্রদান করবে।
• নতুন কমিটির সদস্যরা দায়িত্ব গ্রহণের পর তাদের দায়িত্বের সীমা, লক্ষ্য এবং পরিকল্পনা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেবেন।
নতুন কমিটির কার্যক্রম শুরু:
• নতুন কমিটি দায়িত্ব গ্রহণের পর তাদের প্রথম সভা আয়োজন করবে এবং সেই সভায় সংগঠনের আগের বছরের কার্যক্রম এবং ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করবে।
২১.২.১০ প্রার্থীর নির্বাচন সময়সীমা:
২১.২.১০.১ সীমিত মেয়াদ:
ব্যাচ ৪২, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক উক্ত পদের কোনটিতেই পর পর দুটি মেয়াদ (২ বার) পূর্ণ করার পর পুনঃনির্বাচন করতে পারবেন না।
২১.২.১০.২ মেয়াদ শেষ হওয়ার পর শর্ত:
বৈধতা:
যারা এই নিয়ম অনুযায়ী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন, তাদের নির্বাচিত হওয়ার জন্য সামাজিক দায়িত্ব, নেতৃত্ব এবং পরিচালনার ক্ষমতা সম্বন্ধে যোগ্যতা এবং দক্ষতা প্রমাণ করতে হবে। নির্বাচিত প্রার্থীদের অবশ্যই সংগঠনের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য অনুযায়ী কাজ করতে সক্ষম হওয়া প্রয়োজন। তাদের নেতৃত্বের দক্ষতা, সামাজিক দৃষ্টিকোণ এবং পূর্ববর্তী কার্যক্রমের পর্যালোচনা করা হবে।
• প্রার্থীদের পূর্ববর্তী নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা, দল পরিচালনার দক্ষতা এবং সংগঠনের উন্নয়নে অবদান রাখার প্রমাণের ভিত্তিতে নির্বাচন করা হবে।
সক্রিয়তা:
সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক পদে কোনো সদস্য পর পর দুই মেয়াদ নির্বাচিত হওয়ার পর, তার পরিবর্তে নতুন সদস্যকে সেই পদে নির্বাচিত করতে উৎসাহিত করা হবে।
নতুন নেতৃত্বের উত্সাহ:
• নতুন সদস্যদের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় আগ্রহী করা হবে এবং তাদের নেতৃত্বের গুণাবলী এবং সামাজিক দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন করা হবে।
• নতুন সদস্যদের জন্য প্রস্তুতি কর্মশালা, প্রশিক্ষণ এবং দলীয় কার্যক্রমের মাধ্যমে তাদের নেতৃত্বে আসার সুযোগ দেওয়া হবে।
দীর্ঘমেয়াদি সুফল:
• নতুন নেতৃত্ব সংগঠনে উদ্যম এবং নতুন দৃষ্টিকোণ নিয়ে আসবে, যা সংগঠনের জন্য দীর্ঘমেয়াদী সুফল বয়ে আনবে এবং সংগঠনটি আরও গতিশীল এবং শক্তিশালী হবে।
২১.২.১০.৪ ভোটারদের সুযোগ:
• নির্বাচন সুষ্ঠু ও গণতান্ত্রিক: এই নিয়ম ভোটারদের সামনে নতুন সুযোগ এনে দেবে, যাতে তারা নিয়মিতভাবে নতুন, উদ্যমী এবং দক্ষ নেতৃত্ব নির্বাচন করতে পারে। এতে সংগঠনের কার্যক্রমে বৈচিত্র্য এবং উদ্ভাবন বজায় থাকবে।
• নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং সঠিকতা: নির্বাচন কমিশন নিশ্চিত করবে যে, ভোটাররা নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পর্কে সঠিকভাবে অবহিত থাকে এবং তাদের ভোটের অধিকার সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারে। নির্বাচন কমিশন নির্বাচন প্রক্রিয়াকে সুষ্ঠু, স্বচ্ছ এবং নিরপেক্ষভাবে পরিচালনা করবে, যাতে ভোটারদের বিশ্বাস এবং অংশগ্রহণ বজায় থাকে।
• ভোটারদের ভূমিকা ও শিক্ষা: ভোটারদের জন্য নির্বাচনী প্রক্রিয়া এবং প্রার্থীদের যোগ্যতা সম্পর্কে প্রশিক্ষণ বা কর্মশালা আয়োজন করা হবে, যাতে তারা সঠিকভাবে প্রার্থী নির্বাচন করতে সক্ষম হয়।
• ভোটারের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি: নির্বাচন কমিশন ভোটারদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর জন্য তাদের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি করবে। নিয়মিত সভা, প্রচারণা এবং নির্বাচনের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হবে, যাতে ভোটারের সংখ্যা এবং তাদের সক্রিয়তা বৃদ্ধি পায়।
২১.১ নির্বাচন কমিশন:
নির্বাচন কমিশন গঠন:
গঠনতন্ত্রের ১৯ নং ধারা অনুযায়ী একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ এবং স্বচ্ছ নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে, যার দায়িত্ব নির্বাচন প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা। গঠনতন্ত্রের ১৯.২ নং ধারা অনুযায়ী কমিশন ৫ সদস্যবিশিষ্ট হবে, যার মধ্যে একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং ৪ জন সহকারী নির্বাচন কমিশনার থাকবেন। নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের কার্যকরী ক্ষমতা এবং স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে, যাতে তারা কোনো পক্ষপাতিত্ব বা বাহ্যিক প্রভাব ছাড়া নির্বাচন পরিচালনা করতে পারেন।
দায়িত্ব, কর্তব্য ও ক্ষমতা:
গঠনতন্ত্রের ১৯.৩ এর ’ক’, ’খ’ ও ‘গ’ ধারা অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন নির্বাচন প্রক্রিয়া পরিচালনার দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করবে এবং নির্বাচনের সুষ্ঠুতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
কমিশনের প্রধান কাজগুলির মধ্যে রয়েছে:
◦ নির্বাচনের তফসিল প্রকাশ করা,
◦ প্রার্থীদের যোগ্যতা যাচাই করা,
◦ ভোটার তালিকা প্রস্তুত করা,
◦ নির্বাচনী শৃঙ্খলা রক্ষা করা, এবং
◦ ভোট গণনা ও ফলাফল ঘোষণা করা।
নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা:
নির্বাচন কমিশন তার দায়িত্ব পালনকালে পূর্ণ স্বাধীনতা ও ক্ষমতা প্রয়োগ করবে এবং কোনো বাহ্যিক চাপ বা প্রভাবের বাইরে থাকবে। কমিশনের সকল কার্যক্রম সুশৃঙ্খল ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালিত হবে এবং তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ থাকবে।
২১.২ নির্বাচনের প্রক্রিয়া:
ক. প্রথম ধাপে নির্বাচন:
প্রথম ধাপে সভাপতি, সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক পদে নির্বাচন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া একই সাথে ১ নং যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও ১ নং সাংগাঠনিক সম্পাদক পদের নির্বাচন করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশিন প্রার্থীদের পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নিবে।
খ. পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন:
প্রথম ধাপের নির্বাচনের পর নির্বাচিত সভাপতি, সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক মিলে ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করবে। এক্ষেত্রে, কোন পদে নির্দিষ্ট সংখ্যার বেশি যদি আগ্রহী প্রার্থী থাকে তাহলে সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক নির্বাচন কমিশনকে সেই পদে নির্বাচন আয়োজন করার অনুরোধ করবেন এবং তার প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন সেই পদের জন্য নির্বাচনের আয়োজন করবে। সকল প্রক্রিয়া প্রথম ধাপে নির্বাচনের ৩০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।
২১.২.১ নির্বাচনের সময়সূচী (তফসিল):
ক. নির্বাচন কমিশন নির্বাচন পরিচালনার জন্য একটি সুস্পষ্ট এবং স্বচ্ছ তফসিল প্রকাশ করবে। তফসিলের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ, প্রার্থী হওয়ার শেষ তারিখ, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা, ভোটগ্রহণের সময়, এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকবে। নির্বাচন তফসিল সাধারণ সভায় প্রকাশের পর, সকল সদস্যকে অবহিত করা হবে। তফসিলটি কমপক্ষে ৩ সপ্তাহ পূর্বে প্রকাশ করা হবে, যাতে সকল প্রার্থী এবং ভোটারদের জন্য যথেষ্ট সময় থাকে।
খ. সাধারণ সভায় নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হবে এবং তফসিল অনুযায়ী ভোটগ্রহণ হবে। নির্বাচনের তারিখ সাধারণ সভায় ঘোষণার পর, নির্বাচন কমিশন সকল কার্যক্রম এবং ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া তফসিল অনুযায়ী সম্পন্ন করবে। কোনো কারণে নির্বাচনের তারিখ বা ভোটগ্রহণের সময় পরিবর্তন হলে, নির্বাচন কমিশন তা শীঘ্রই ঘোষণা করবে এবং নতুন তফসিল প্রকাশ করবে।
গ. নির্বাচনের সমস্ত প্রক্রিয়া তফসিল অনুযায়ী চলবে এবং কোনো প্রকার অনিয়ম বা বিলম্ব ঘটতে পারবে না। যদি নির্বাচনী তফসিল পরিবর্তন করতে হয়, তবে তা কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে হবে এবং সংশ্লিষ্ট সদস্যদের দ্রুত অবহিত করা হবে।
২১.২.২ প্রার্থীদের মনোনয়ন:
ক. নির্বাচন কমিশন প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রক্রিয়া পরিচালনার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করবে। মনোনয়ন ফর্ম পূরণ করার জন্য প্রার্থীদের একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে নির্বাচন কমিশনের কাছে ফর্ম জমা দিতে হবে। নির্বাচনী তফসিলের অংশ হিসেবে, মনোনয়ন ফর্ম জমা দেওয়ার শেষ তারিখ স্পষ্টভাবে তফসিলে উল্লেখ করা হবে এবং সেই তারিখের পর কোনো প্রার্থী মনোনয়ন ফর্ম জমা দিতে পারবেন না।
খ. মনোনয়ন ফর্মে প্রার্থীদের নাম, পদ, যোগ্যতা, নির্বাচনী প্রক্রিয়া অনুসরণ করার প্রতিশ্রুতি এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য থাকতে হবে। প্রার্থীদের নির্বাচনী পদ বা পদমর্যাদা, তাদের পেশাগত যোগ্যতা এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের জন্য তাদের সক্ষমতা বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করতে হবে।
গ. মনোনয়ন ফর্ম গ্রহণের পর, নির্বাচন কমিশন প্রার্থীদের যোগ্যতা যাচাই করবে এবং নিশ্চিত করবে যে তারা গঠনতন্ত্র এবং নির্বাচনী নিয়মাবলী অনুসরণ করছেন। কমিশন প্রার্থীদের গঠনতন্ত্রের প্রতি সম্মান এবং নির্বাচনী আচরণবিধির মানদণ্ড পূর্ণ করছে কিনা তা যাচাই করবে। যদি কোনো প্রার্থী গঠনতন্ত্রের কোন শর্ত লঙ্ঘন করেন বা নির্বাচনী নিয়মাবলী ভঙ্গ করেন, তবে তার মনোনয়ন বাতিল করা হবে।
ঘ. মনোনয়ন ফর্মের যাচাইয়ের পর নির্বাচন কমিশন প্রার্থীদের যোগ্যতা বা শর্তপূরণের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিবে এবং প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা ঘোষণা করবে।
ঙ. প্রার্থীদের মনোনয়ন যাচাইয়ের পর, নির্বাচন কমিশন কোনো অভিযোগ বা আপত্তি গ্রহণ করবে, এবং সেটির ওপর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রার্থীরা নির্বাচন কমিশনে আবেদন করতে পারবেন।
চ. মনোনয়ন ফর্ম জমা দেওয়ার পর নির্বাচন কমিশন একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে প্রার্থীদের মনোনয়ন চূড়ান্ত করে, সকল প্রার্থীদের অবহিত করবে এবং তাদের নাম ঘোষণা করবে।
ছ. মনোনয়ন ফর্মে প্রার্থীদের স্বাক্ষর এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের জন্য তাদের দায়িত্বর গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।
২১.২.৩ ভোটার তালিকা:
ক. নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী ভোটারদের একটি পূর্ণাঙ্গ এবং সঠিক তালিকা প্রস্তুত করবে। শুধুমাত্র সাধারণ সদস্যরা নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য হবেন। সদস্যদের নির্বাচনী যোগ্যতা যাচাই করার জন্য তাদের সদস্যপদ এবং অন্যান্য শর্ত যাচাই করা হবে। ভোটার তালিকা প্রস্তুতির জন্য নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের অন্তত ৩ সপ্তাহ পূর্বে ভোটার তালিকা প্রস্তুত করবে।
খ. ভোটার তালিকা প্রস্তুতির পর, প্রার্থীরা তালিকা যাচাই করতে পারবেন এবং যদি তারা কোনো ভুল বা অসঙ্গতি লক্ষ্য করেন, তবে তারা নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ বা সংশোধন দাবি করতে পারবেন। নির্বাচন কমিশন ৭ দিনের মধ্যে ভোটার তালিকা সংশোধন করবে, যদি কোনো তথ্য ভুল বা অসঙ্গতিপূর্ণ হয়। ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করার পর, তা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রকাশ করা হবে এবং সকল প্রার্থী এবং ভোটারদের অবহিত করা হবে।
গ. ভোটার তালিকার সঠিকতা নিশ্চিত করার জন্য, নির্বাচন কমিশন নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে একটি যাচাইকরণ প্রক্রিয়া আয়োজন করবে। তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার পর কোনো আপত্তি গ্রহণযোগ্য হবে না, তবে প্রার্থীরা তাদের অবলোকন করতে পারবেন এবং ফর্মে উল্লিখিত তথ্য যাচাই করবেন।
ঘ. ভোটার তালিকার গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন সকল ভোটার তথ্য সঠিকভাবে সংরক্ষণ করবে এবং তা নির্বাচনের পরেও কোনো অবৈধ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যাবে না।
ঙ. যদি কোনো ভোটার বা প্রার্থী ভোটার তালিকা নিয়ে আপত্তি জানায়, নির্বাচন কমিশন সেই আপত্তি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে গ্রহণ করবে এবং একটি নিরপেক্ষ বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তা নিষ্পত্তি করবে।
২১.২.৪ নির্বাচন কৌশল:
ক. নির্বাচন গোপন ব্যালটের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে। প্রার্থীরা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী ভোট দিতে পারবেন এবং এটি গোপন থাকবে। গোপন ব্যালট পদ্ধতি নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন নির্বাচন কেন্দ্রের নিরাপত্তা এবং ভোটগ্রহণের সুষ্ঠুতা নিশ্চিত করবে।
খ. যদি আলাদা করে সরাসরি ভোট গ্রহণ আয়োজন সম্ভব না হয়, তবে নির্বাচন কমিশন বার্ষিক সাধারণ সভায় ভোট গ্রহণের ব্যবস্থা করবে। সাধারণ সভায় ভোট গ্রহণের প্রক্রিয়া সুষ্ঠু, নিরাপদ এবং নির্বাচনী গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে সকল শর্ত পূরণ করতে হবে।
গ. যদি বার্ষিক সাধারণ সভা আয়োজন সম্ভব না হয়, তবে নির্বাচন কমিশন অনলাইন ভোটিংয়ের ব্যবস্থা করবে। অনলাইন ভোটিং পদ্ধতির মাধ্যমে ভোটাররা তাদের ভোট প্রদান করবেন। তবে, এটি অবশ্যই সুরক্ষিত, স্বচ্ছ এবং নিরপেক্ষ হতে হবে। অনলাইন ভোটিং পদ্ধতিতে:
• ভোটার যাচাইকরণ: ভোটারদের যাচাইকরণের জন্য একটি শক্তিশালী পদ্ধতি গ্রহণ করা হবে, যেন ভোটারদের সঠিক পরিচয় নিশ্চিত করা যায়।
• গোপনীয়তা এবং নিরাপত্তা: অনলাইন ভোটিংয়ের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে শক্তিশালী এনক্রিপশন এবং নিরাপদ সার্ভার ব্যবহার করা হবে।
• নির্বাচন ফলাফল: অনলাইন ভোটিংয়ের ফলাফল দ্রুত গণনা এবং প্রকাশ করা হবে, এবং ফলাফল প্রকাশের সময়সীমা নির্ধারণ করা হবে।
• ভোটার যাচাইকরণ: অনলাইন ভোটিংয়ের ক্ষেত্রে ভোটারের পরিচয় যাচাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভোটার যাচাইকরণের জন্য শক্তিশালী পদ্ধতি যেমন OTP (One-Time Password), ডিজিটাল স্বাক্ষর, বা দুই-স্তরের যাচাইকরণ (Two-Factor Authentication) ব্যবহার করা হবে, যাতে ভোটাররা নিজেদের পরিচয় সঠিকভাবে প্রমাণ করতে পারেন।
• ভোটারের তথ্য গোপন রাখার জন্য এনক্রিপশন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে, এবং ভোটারদের ব্যক্তিগত তথ্য কোনভাবেই প্রকাশ করা হবে না।
• অনলাইন ভোটিংয়ের জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যার এবং প্ল্যাটফর্ম অবশ্যই সুরক্ষিত এবং হ্যাকিং বা দুর্ব্যবহারের জন্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা থাকবে। এ জন্য উন্নত এনক্রিপশন প্রযুক্তি এবং ফায়ারওয়াল ব্যবহৃত হবে।
• নির্বাচন কমিশন শুধুমাত্র পরীক্ষিত এবং নিরাপদ অনলাইন ভোটিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করবে, যার পূর্বে নিরপেক্ষ সংস্থা দ্বারা নিরাপত্তা পরীক্ষিত হয়েছে।
• অনলাইন ভোটিংয়ে ভোট দেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকবে, যেমন: ভোট গ্রহণ শুরু হওয়ার পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাওয়া যাবে, বা নির্বাচনের নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে ভোট প্রদান সম্পন্ন করতে হবে।
• ভোটাররা একবার ভোট দেওয়ার পর, তাদের ভোটের পরিবর্তন বা বাতিল করার সুযোগ থাকবে না, এবং ভোটের অখণ্ডতা বজায় রাখার জন্য তা সুরক্ষিতভাবে রেকর্ড হবে।
• অনলাইন ভোটিংয়ের মাধ্যমে ভোটদানের গোপনীয়তা নিশ্চিত করা হবে, যাতে কোনো বাহ্যিক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কোনো ভোটারের পছন্দ জানাতে না পারে। এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ যাতে প্রার্থীরা অথবা অন্য কেউ ভোটারদের ভোটের ওপর প্রভাব ফেলতে না পারে।
• ভোটারদের শুধুমাত্র নির্ধারিত অবস্থান বা সিস্টেম থেকে ভোট দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে, যাতে অনলাইনে ভোটিংয়ের ক্ষেত্রে কোনো অবৈধ বা অপ্রত্যাশিত প্রভাব না আসে।
• অনলাইন ভোটিং সিস্টেমে ভোট গণনা স্বয়ংক্রিয়ভাবে করা হবে, এবং ফলাফল দ্রুত গণনা করা হবে যাতে ভোটের ফলাফল ঘোষণায় বিলম্ব না হয়।
• ভোট গণনা শেষে নির্বাচন কমিশন ফলাফল প্রকাশ করবে এবং প্রার্থীরা সেই ফলাফল দেখতে পারবেন। ফলাফল ঘোষণা একটি নির্দিষ্ট সময়ে হবে, এবং এটি স্বচ্ছতার সাথে সম্পন্ন করা হবে।
• নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের আগে একাধিকবার অনলাইন ভোটিং সিস্টেমের পরীক্ষা করবে যাতে এটি নির্ভুলভাবে কাজ করে। এছাড়া, নির্বাচনের সময় সিস্টেমের সাথে কোনো সমস্যা হলে নির্বাচনের ফলাফলে কোনো প্রভাব পড়বে না।
• যেকোনো প্রযুক্তিগত সমস্যার ক্ষেত্রে নির্বাচনের ফলাফলে কোনো প্রভাব না পড়ার জন্য জরুরি প্রক্রিয়া এবং রিজার্ভ সিস্টেম প্রস্তুত থাকবে।
• ভোটারদের জন্য অনলাইন ভোটিং প্রক্রিয়া সহজ এবং ব্যবহারকারী বান্ধব হবে, যাতে তারা সহজেই ভোট দিতে পারেন। ব্যবহারকারীদের জন্য একটি সহজ নির্দেশিকা বা টিউটোরিয়াল প্রদান করা হবে, যাতে তারা অনলাইনে ভোট দেওয়ার নিয়ম বুঝতে পারেন।
• নির্বাচনের পূর্বে প্রার্থীদের এবং ভোটারদের জন্য একটি ওয়ার্কশপ বা অনলাইন প্রশিক্ষণ আয়োজন করা যেতে পারে, যেখানে তারা অনলাইন ভোটিংয়ের প্রক্রিয়া এবং নিয়মাবলী সম্পর্কে ধারণা পাবেন।
• নির্বাচন শেষে অনলাইন ভোটিং সিস্টেম একটি পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তৈরি করবে, যাতে নির্বাচনের স্বচ্ছতা এবং সুষ্ঠুতা যাচাই করা যাবে। রিপোর্টে নির্বাচন প্রক্রিয়ার সময়কাল, ভোটের অংশগ্রহণ, ভোটের গড় শতাংশ, এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিশ্লেষণ থাকবে।
ঘ. নির্বাচন কমিশন নিশ্চিত করবে যে, প্রতিটি ভোটার শুধুমাত্র একবার ভোট দিতে পারবেন, এবং তা স্বতন্ত্রভাবে রেকর্ড হবে। একটি ভোটারের ভোট একাধিকবার গ্রহণ করা যাবে না, এবং প্রযুক্তি এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।
২১.২.৫ ভোটগ্রহণ:
ক. ভোটের সময় ও স্থান:
নির্বাচন কমিশন ভোটগ্রহণের সময় এবং স্থান নির্ধারণ করবে এবং নির্বাচনের ১ সপ্তাহ পূর্বে সদস্যদের জানিয়ে দিবে। সদস্যদের এই বিষয়ে একটি প্রাথমিক নোটিশ দেওয়া হবে যাতে তারা সময়মতো ভোট প্রদান করতে পারে। ভোটগ্রহণের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা যেমন:
• ব্যালট বাক্স: ব্যালট বাক্স নির্বাচন কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে রাখা হবে।
• ভোটার আইডি যাচাই: প্রতিটি ভোটারকে ভোট দেওয়ার পূর্বে তাদের আইডি যাচাই করা হবে, যাতে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার ব্যবহার করতে পারেন।
• অনলাইন ভোটিং: যদি অনলাইনে ভোটগ্রহণ হয়, তবে পুরো প্রক্রিয়া নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে মনিটর করা হবে, এবং গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
খ. ভোট প্রদান:
ভোটাররা নির্বাচিত প্রার্থীকে ভোট দেবেন। প্রত্যেক ভোটার একাধিক প্রার্থীর মধ্যে থেকে একজন প্রার্থীকে নির্বাচন করতে পারবেন। প্রত্যেক ভোটার তাদের ভোট প্রদান করার সময় গোপনীয়তা বজায় রাখবেন এবং ভোটারদের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করা হবে। অনলাইন ভোটিংয়ে, ভোটারদের ভোট প্রদান প্রক্রিয়াটি সুরক্ষিতভাবে পরিচালিত হবে এবং গোপনীয়তা নিশ্চিত করা হবে।
গ. ভোট গণনা:
ভোটগ্রহণ শেষে নির্বাচন কমিশন ভোট গণনা করবে। গণনার সময়, কোনো প্রকার অসদাচরণ বা পক্ষপাতিত্ব অনুমোদিত হবে না। ভোট গণনার জন্য নির্বাচন কমিশন ডিজিটাল বা ম্যানুয়াল পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারে, যা প্রক্রিয়া সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করবে। গণনার সময়, তৃতীয় পক্ষের পর্যবেক্ষক উপস্থিত থাকবেন, যাতে নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও সঠিক থাকে। নির্বাচনের ফলাফল স্বচ্ছভাবে গণনা এবং ঘোষণা করা হবে এবং তা সকল প্রার্থীর কাছে উপস্থাপন করা হবে।
২১.২.৬ প্রার্থী নির্বাচন:
ক. নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে নির্বাচন:
নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে, সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া প্রার্থী নির্বাচিত হবেন। যদি কোনো পদে একাধিক প্রার্থী সমান সংখ্যক ভোট পান, তবে নির্বাচন কমিশন পুনঃভোট গ্রহণ করবে। পুনঃভোটের জন্য নির্বাচনের তারিখ এবং সময় নির্ধারণ করা হবে এবং প্রার্থীরা সেই অনুযায়ী ভোট দিতে পারবেন। পুনঃভোটে অংশগ্রহণের জন্য সমস্ত প্রার্থীর সম্মতি নিতে হবে এবং পুনঃভোট গ্রহণের সময়সীমা ৭ দিনের মধ্যে সম্পন্ন হবে।
খ. নির্বাচিত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা:
নির্বাচিত প্রার্থীদের নাম সাধারণ সভায় ঘোষণা করা হবে এবং নির্বাচনের ফলাফল সেই সভায় সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হবে। ফলাফল ঘোষণার পর, কোনো প্রার্থী যদি ফলাফলের বিষয়ে আপত্তি জানায়, তাহলে নির্ধারিত সময়ে আপিল প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং তা নির্বাচন কমিশন দ্বারা সমাধান করা হবে।
২১.২.৭ ফলাফল ঘোষণা:
ক. ফলাফল ঘোষণা:
নির্বাচনের ফলাফল ভোটগ্রহণ ও গণনা শেষে দ্রুত ঘোষণা করা হবে। ফলাফল সাধারণ সভায় বা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ঘোষণা করা হবে, যার মাধ্যমে সকল প্রার্থী এবং সদস্যরা ফলাফল জানতে পারবেন। নির্বাচন কমিশন নিশ্চিত করবে যে ফলাফল সকল সদস্যদের কাছে সহজে পৌঁছায় এবং তা সঠিকভাবে জানানো হয়। নির্বাচিত সদস্যদের দায়িত্ব গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশন ব্যবস্থা গ্রহণ করবে, এবং তাদের শপথ গ্রহণের তারিখ ও সময় ঘোষণা করবে।
খ. অপত্তি বা সমস্যা নিষ্পত্তি:
নির্বাচনের ফলাফলে কোনো সমস্যা বা অভিযোগ উঠলে, নির্বাচন কমিশন তা নিরপেক্ষভাবে নিষ্পত্তি করবে। কমিশন অভিযোগের প্রমাণাদি যাচাই করে ৭ দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত নিবে। যদি কোনো প্রার্থী বা সদস্য ফলাফল নিয়ে আপত্তি জানায়, তবে তারা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর ৭ দিনের মধ্যে আপিল করতে পারবেন। নির্বাচন কমিশন আপিল পদ্ধতিতে দ্রুত এবং ন্যায়সঙ্গত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
২১.২.৮ শৃঙ্খলা এবং আপিল:
ক. অভিযোগ ও আপিল:
যদি কোনো সদস্য নির্বাচন প্রক্রিয়া বা ফলাফল সম্পর্কে অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশন ৭ দিনের মধ্যে অভিযোগ বা আপিল গ্রহণ করবে। অভিযোগ দায়েরের পর নির্বাচন কমিশন তা যাচাই করবে এবং নিরপেক্ষভাবে সিদ্ধান্ত নেবে। কমিশন অভিযোগের নিষ্পত্তি এক সপ্তাহের মধ্যে করবে। যদি কোনো প্রার্থী নির্বাচনী ফলাফল বা প্রক্রিয়া সম্পর্কে আপিল করতে চান, তবে তাদের অভিযোগ বা আপিল নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে হবে। কমিশন এই আপিলের প্রক্রিয়া এবং তার সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে পরিচালনা করবে এবং এক সপ্তাহের মধ্যে ফলাফল জানিয়ে দেবে।
খ. শৃঙ্খলা রক্ষা:
নির্বাচন কমিশন নির্বাচন প্রক্রিয়া চলাকালীন শৃঙ্খলা বজায় রাখবে এবং প্রার্থীদের বা সদস্যদের নির্বাচনী আচরণবিধি এবং গঠনতন্ত্র অনুসরণ নিশ্চিত করবে। যদি কোনো প্রার্থী বা সদস্য নির্বাচনী নিয়ম লঙ্ঘন করে, যেমন নির্বাচনী প্রচারণা আইন লঙ্ঘন করা, ভোটের সময়সূচী বা বিধি ভঙ্গ করা, বা অন্য কোনো প্রকার অসদাচরণ করা হয়, তাহলে নির্বাচন কমিশন তার বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা রক্ষার ব্যবস্থা নেবে। শৃঙ্খলা ভঙ্গকারী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন সতর্কীকরণ, জরিমানা, বা তাদের মনোনয়ন বাতিল করার মতো ব্যবস্থা নিতে পারবে।
২১.২.৯ নতুন কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ:
নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা ও পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করার পর, নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে দায়িত্ব গ্রহণ করবে এবং পুরানো কমিটি তাদের দায়িত্ব নব নির্বাচিত কমিটির হাতে সুষ্ঠুভাবে হস্তান্তর করবে।
হস্তান্তর প্রক্রিয়া:
• পুরানো কমিটি নির্বাচন কমিশনের উপস্থিতিতে নতুন কমিটিকে তাদের দায়িত্ব হস্তান্তর করবে।
• দায়িত্ব হস্তান্তরকার্য: সমস্ত প্রয়োজনীয় দলিল, নথিপত্র, হিসাব-বই, এবং সংগঠনের অন্যান্য সম্পদ নব নির্বাচিত কমিটির কাছে হস্তান্তর করা হবে।
• পরামর্শ: পুরানো কমিটি নির্বাচিত কমিটিকে দায়িত্ব গ্রহণের সময় তাদের পূর্ববর্তী কাজ এবং প্রক্রিয়া সম্পর্কে পরামর্শ প্রদান করবে।
• নতুন কমিটির সদস্যরা দায়িত্ব গ্রহণের পর তাদের দায়িত্বের সীমা, লক্ষ্য এবং পরিকল্পনা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেবেন।
নতুন কমিটির কার্যক্রম শুরু:
• নতুন কমিটি দায়িত্ব গ্রহণের পর তাদের প্রথম সভা আয়োজন করবে এবং সেই সভায় সংগঠনের আগের বছরের কার্যক্রম এবং ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করবে।
২১.২.১০ প্রার্থীর নির্বাচন সময়সীমা:
২১.২.১০.১ সীমিত মেয়াদ:
ব্যাচ ৪২, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক উক্ত পদের কোনটিতেই পর পর দুটি মেয়াদ (২ বার) পূর্ণ করার পর পুনঃনির্বাচন করতে পারবেন না।
২১.২.১০.২ মেয়াদ শেষ হওয়ার পর শর্ত:
বৈধতা:
যারা এই নিয়ম অনুযায়ী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন, তাদের নির্বাচিত হওয়ার জন্য সামাজিক দায়িত্ব, নেতৃত্ব এবং পরিচালনার ক্ষমতা সম্বন্ধে যোগ্যতা এবং দক্ষতা প্রমাণ করতে হবে। নির্বাচিত প্রার্থীদের অবশ্যই সংগঠনের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য অনুযায়ী কাজ করতে সক্ষম হওয়া প্রয়োজন। তাদের নেতৃত্বের দক্ষতা, সামাজিক দৃষ্টিকোণ এবং পূর্ববর্তী কার্যক্রমের পর্যালোচনা করা হবে।
• প্রার্থীদের পূর্ববর্তী নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা, দল পরিচালনার দক্ষতা এবং সংগঠনের উন্নয়নে অবদান রাখার প্রমাণের ভিত্তিতে নির্বাচন করা হবে।
সক্রিয়তা:
সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক পদে কোনো সদস্য পর পর দুই মেয়াদ নির্বাচিত হওয়ার পর, তার পরিবর্তে নতুন সদস্যকে সেই পদে নির্বাচিত করতে উৎসাহিত করা হবে।
নতুন নেতৃত্বের উত্সাহ:
• নতুন সদস্যদের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় আগ্রহী করা হবে এবং তাদের নেতৃত্বের গুণাবলী এবং সামাজিক দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন করা হবে।
• নতুন সদস্যদের জন্য প্রস্তুতি কর্মশালা, প্রশিক্ষণ এবং দলীয় কার্যক্রমের মাধ্যমে তাদের নেতৃত্বে আসার সুযোগ দেওয়া হবে।
দীর্ঘমেয়াদি সুফল:
• নতুন নেতৃত্ব সংগঠনে উদ্যম এবং নতুন দৃষ্টিকোণ নিয়ে আসবে, যা সংগঠনের জন্য দীর্ঘমেয়াদী সুফল বয়ে আনবে এবং সংগঠনটি আরও গতিশীল এবং শক্তিশালী হবে।
২১.২.১০.৪ ভোটারদের সুযোগ:
• নির্বাচন সুষ্ঠু ও গণতান্ত্রিক: এই নিয়ম ভোটারদের সামনে নতুন সুযোগ এনে দেবে, যাতে তারা নিয়মিতভাবে নতুন, উদ্যমী এবং দক্ষ নেতৃত্ব নির্বাচন করতে পারে। এতে সংগঠনের কার্যক্রমে বৈচিত্র্য এবং উদ্ভাবন বজায় থাকবে।
• নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং সঠিকতা: নির্বাচন কমিশন নিশ্চিত করবে যে, ভোটাররা নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পর্কে সঠিকভাবে অবহিত থাকে এবং তাদের ভোটের অধিকার সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারে। নির্বাচন কমিশন নির্বাচন প্রক্রিয়াকে সুষ্ঠু, স্বচ্ছ এবং নিরপেক্ষভাবে পরিচালনা করবে, যাতে ভোটারদের বিশ্বাস এবং অংশগ্রহণ বজায় থাকে।
• ভোটারদের ভূমিকা ও শিক্ষা: ভোটারদের জন্য নির্বাচনী প্রক্রিয়া এবং প্রার্থীদের যোগ্যতা সম্পর্কে প্রশিক্ষণ বা কর্মশালা আয়োজন করা হবে, যাতে তারা সঠিকভাবে প্রার্থী নির্বাচন করতে সক্ষম হয়।
• ভোটারের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি: নির্বাচন কমিশন ভোটারদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর জন্য তাদের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি করবে। নিয়মিত সভা, প্রচারণা এবং নির্বাচনের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হবে, যাতে ভোটারের সংখ্যা এবং তাদের সক্রিয়তা বৃদ্ধি পায়।
ধারা ২২ অবৈধ অনির্বাচিত কমিটি
সরাসরি ভোট ব্যতিত অন্য কোন উপায়ে যদি কোন কমিটি গঠিত হয়, তা অবৈধ কমিটি বলে গণ্য হবে।
ব্যাচ ৪২, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো কমিটি নির্বাচনের মাধ্যমে গঠন করা হবে এবং নির্বাচনের ব্যতীত কোনো ধরনের প্রভাব বা পদক্ষেপের মাধ্যমে যেমন, আলাপ-আরোচনা করে, বা সার্চ কমিটির মাধ্যমে কমিটি গঠন করা যাবে না। নির্বাচনের বাইরে অন্য কোনো পদ্ধতি গ্রহণ করা সম্পূর্ণরূপে অবৈধ এবং গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী হবে।
২২.১ নির্বাচন ছাড়া কমিটি গঠন নিষিদ্ধ:
ক. কমিটি গঠন: কোন সদস্য বা গোষ্ঠী যদি নির্বাচন ছাড়া রাজনৈতিক ক্ষমতা, অর্থ, বা অন্য কোনো প্রভাব ব্যবহার করে সংগঠনের কমিটি গঠন করার চেষ্টা করে বা কমিটি গঠন করে প্রকাশ করে, তবে সেটি অবৈধ বলে গণ্য হবে। এই ধরনের কমিটি বা কার্যক্রম চিহ্নিত হলে, নির্বাচন কমিশন তা অবিলম্বে বাতিল করে এবং সংশ্লিষ্ট সদস্যদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় শৃঙ্খলা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
খ. সরাসরি ভোট: শুধুমাত্র সরাসরি ভোট বা নির্বাচনের মাধ্যমে সদস্যরা তাদের প্রতিনিধিকে নির্বাচন করতে পারবেন। প্রার্থীদের নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যোগ্যতা যাচাই করা হবে, এবং এটি নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত হবে।
গ. নির্বাচন প্রক্রিয়া: কমিটি গঠনের জন্য নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ সুষ্ঠু, স্বচ্ছ, এবং গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পরিচালিত হতে হবে। অন্য কোন প্রক্রিয়া গ্রহণযোগ্য হবে না এবং তা অবৈধ বলে গণ্য হবে। নির্বাচন কমিশন নিশ্চিত করবে যে নির্বাচনের সমস্ত কার্যক্রম নিরপেক্ষভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং তৃতীয় পক্ষের পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা থাকবে যাতে ফলাফল সঠিক ও স্বচ্ছ হয়।
ঘ. আইনি ব্যবস্থা: যদি কোনো গোষ্ঠী বা সদস্য অবৈধভাবে কমিটি গঠনের চেষ্টা করে বা ইতোমধ্যে গঠন করা কমিটি বৈধ না হয়, নির্বাচন কমিশন তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং অবৈধ কমিটির কার্যক্রম স্থগিত করবে।
২২.২ রাজনৈতিক, অর্থ ও পদের প্রভাবের বিরুদ্ধে সতর্কতা:
ক. রাজনৈতিক ক্ষমতা:
কোন প্রকার রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি বা শক্তি কমিটির গঠনে ব্যবহৃত হতে পারবে না। ব্যাচ ৪২, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় একটি অরাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে সকল কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবে এবং রাজনৈতিক প্রভাবকে সম্পূর্ণভাবে এড়িয়ে চলবে।
• রাজনৈতিক প্রভাব প্রতিরোধ: নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক প্রভাব প্রতিরোধের জন্য শক্তিশালী নজরদারি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
• রাজনৈতিক দল বা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রভাব রোধ: নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক দলের সদস্যদের এবং রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত সদস্যদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ বা প্রভাব প্রয়োগ থেকে বিরত রাখবে।
খ. অর্থের প্রভাব:
টাকা বা আর্থিক প্রভাবের মাধ্যমে কোন সদস্য নির্বাচনে অংশগ্রহণ বা কোনো পদ লাভ করতে পারবে না। সদস্যরা শুধুমাত্র তাদের যোগ্যতা, দক্ষতা, এবং সাংগঠনিক মনোভাবের ভিত্তিতে নির্বাচিত হবেন।
• অর্থের প্রভাব নিয়ন্ত্রণ: নির্বাচন কমিশন প্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যয়ের উপর নজর রাখবে এবং অস্বাভাবিক খরচের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। কোনো প্রার্থী যদি অর্থের প্রভাবে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অসুস্থ প্রতিযোগিতা করে, তবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
• নির্বাচনী খরচের সীমা: নির্বাচনের জন্য একটি ব্যয় সীমা নির্ধারণ করা হবে, যার মধ্যে প্রার্থীদের তাদের প্রচারণা পরিচালনা করতে হবে।
গ. পদবির প্রভাব:
উচ্চ পদ বা সরকারি পদধারীদের প্রভাবও নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারবে না। নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ সুষম, নিরপেক্ষ এবং অরাজনৈতিকভাবে পরিচালিত হবে।
• পদবির প্রভাব প্রতিরোধ: নির্বাচন কমিশন উচ্চ পদ বা সরকারি পদধারীদের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অবৈধ প্রভাব ব্যবহার করতে বাধা দেবে এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ায় শৃঙ্খলা রক্ষা করবে।
• পদবির ব্যবহার: কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা উচ্চ পদস্থ ব্যক্তি যদি নির্বাচনে প্রভাব ফেলার চেষ্টা করেন, নির্বাচন কমিশন তা অবিলম্বে চিহ্নিত করবে এবং প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে।
ঘ. নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা:
নির্বাচন কমিশন নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা এবং নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার জন্য সকল প্রার্থীর যোগ্যতা যাচাই করবে এবং ভোটের ফলাফল নিরপেক্ষভাবে ঘোষণা করবে। কোনও প্রকার অবৈধ প্রভাব বা পক্ষপাতিত্ব নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সুযোগ পাবে না।
২২.৩ নির্বাচনের ভিত্তি:
ক. যোগ্যতা:
সদস্যরা শুধুমাত্র যোগ্যতার ভিত্তিতে নির্বাচন করবে এবং শুধুমাত্র নির্বাচিত ব্যক্তিরাই পদ গ্রহণ করবেন।
• নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য প্রার্থীদের অবশ্যই নির্দিষ্ট যোগ্যতা থাকতে হবে, যেমন: পূর্ববর্তী কার্যক্রমের অভিজ্ঞতা, নেতৃত্বের দক্ষতা, এবং সংগঠনের জন্য তাদের প্রতি দায়বদ্ধতা।
• নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সদস্যদের জন্য যোগ্যতা নির্ধারণের মানদণ্ড নির্বাচন কমিশন দ্বারা প্রণীত হবে এবং তা সকল সদস্যের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
খ. সামান্য বা বৃহৎ সুবিধা দিয়ে প্রভাবিত হওয়া নিষিদ্ধ:
কোন সদস্য বা গ্রুপ সামান্য সুবিধা বা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করলে, তা নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি হিসেবে গণ্য হবে।
• যদি কোনো প্রার্থী ভোটারদের সুবিধা বা উপহার দিয়ে তাদের ভোট প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে চায়, নির্বাচন কমিশন তা তদন্ত করবে এবং শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে।
• নির্বাচনী দুর্নীতির ক্ষেত্রে প্রার্থী বা সদস্যের বিরুদ্ধে নির্বাচনী মনোনয়ন বাতিল, জরিমানা অথবা নিষেধাজ্ঞার মতো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
গ. নির্বাচন এবং শৃঙ্খলা:
নির্বাচনী প্রক্রিয়া সুষ্ঠু, নিরাপদ, এবং শৃঙ্খলাপূর্ণভাবে পরিচালিত হবে। কোনো প্রকার অবৈধ প্রভাব, ভোট ক্রয়, অথবা প্রার্থীদের মধ্যে পক্ষপাতিত্ব কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে না।
• নির্বাচন কমিশন নির্বাচন প্রক্রিয়া সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষভাবে পরিচালনার জন্য পর্যবেক্ষণ করবে এবং কোনো প্রকার দুর্নীতি বা অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।
• নির্বাচনে নিরাপত্তা বজায় রাখতে, নির্বাচন কমিশন সঠিক সময় এবং স্থান নির্ধারণ করবে এবং নির্বাচনের সুষ্ঠুতা নিশ্চিত করতে তৃতীয় পক্ষের পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হবে।
• যদি কোনো প্রার্থী বা সদস্য নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব বা অন্য অবৈধ প্রভাব সৃষ্টি করার চেষ্টা করে, নির্বাচন কমিশন তা অবিলম্বে নিষিদ্ধ করবে এবং তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।
২২.৪ কমিটি বাতিলের শর্ত:
ক. অবৈধ কমিটি বাতিল:
যদি কোন কমিটি নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত না হয়ে অন্য কোন প্রভাবে বা মাধ্যমে যেমন আলোচনা, বিশেষ পক্ষ দ্বারা গঠিত সার্চ কমিটি বা অন্য কোন উপায়ে গঠিত হয়, তবে সেই কমিটি বাতিল হিসেবে গণ্য হবে এবং তার কার্যক্রম বাতিল হয়ে যাবে।
খ. গঠনতন্ত্রের বিরুদ্ধে কার্যকলাপ:
গঠনতন্ত্র অনুযায়ী গঠিত না হওয়া যেকোনো কমিটির সমস্ত কার্যক্রম বাতিল বলে গণ্য হবে এবং আর নির্বাচিত কমিটি বৈধ বলে বিবেচিত হবে।
• যদি নির্বাচিত কমিটি না থাকে, তবে নতুন নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে সঠিক কমিটি গঠন করা হবে।
• নির্বাচন কমিশন গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সঠিক এবং বৈধ প্রক্রিয়ায় নতুন নির্বাচন আয়োজন করবে এবং কমিটি গঠন করবে।
• নতুন নির্বাচনের ব্যবস্থা: নির্বাচিত কমিটি গঠনের জন্য নির্বাচন কমিশন একটি তফসিল নির্ধারণ করবে এবং এক মাসের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের ব্যবস্থা করবে।
২২.৫ অনির্বাচিত সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা:
ক. অবৈধ সদস্যপদ:
যদি কোনো সদস্য নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত না হয়ে অন্য কোনো কারণে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হন, তবে তার সদস্যপদ অবৈধ হবে এবং তাকে সংগঠনের কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে।
• নির্বাচন কমিশন অবিলম্বে এই সদস্যের সদস্যপদ বাতিল করবে এবং তাকে সংগঠনের কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
• অবৈধ সদস্যপদ চিহ্নিতকরণ: নির্বাচন কমিশন নিশ্চিত করবে যে, কোনো সদস্য অবৈধভাবে নির্বাচিত না হয়ে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত না হন। কোনো অবৈধ সদস্যের উপস্থিতি চিহ্নিত হলে কমিশন তা দ্রুত বাতিল করবে।
খ. ব্যবস্থা গ্রহণ:
এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং নির্বাচন ছাড়া গঠিত কমিটির সদস্যদের বিরুদ্ধে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
• শাস্তিমূলক ব্যবস্থা:
◦ অবৈধ সদস্যদের সদস্যপদ বাতিল করা হবে এবং তাদের নির্বাচন থেকে বহিষ্কার করা হবে।
◦ এই সদস্যদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে সতর্কীকরণ, বা কমিটি থেকে নির্বাসনও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
আর নির্বাচিত কমিটি থাকলে কমিটি গঠনতন্ত্র অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। নির্বাচিত কমিটি যদি এ ধরনের সদস্যদের চিহ্নিত করে, তবে তারা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশনের সাথে পরামর্শ করবে এবং গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পদক্ষেপ নেবে।
২২.৬ গঠনতন্ত্রের প্রয়োগ:
ক. গঠনতন্ত্রের বাধ্যবাধকতা:
ব্যাচ ৪২, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম, কমিটি গঠন, এবং সংগঠনের পরিচালনা গঠনতন্ত্রের নির্দেশনা অনুযায়ী চলবে। গঠনতন্ত্রের সাথে কোনো প্রকার অস্বীকৃতি বা পরিবর্তন সংগঠনের কার্যক্রমে অনুমোদিত হবে না।
• নির্বাচন ছাড়া গঠিত কমিটি: নির্বাচন ছাড়া অন্য কোন পদ্ধতিতে গঠিত কমিটি কিংবা সদস্য গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী হবে এবং তার বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
• নির্বাচন কমিশন, গঠনতন্ত্রের বিরুদ্ধে কোনো কার্যক্রম বা কমিটি দেখলে তা অবিলম্বে বাতিল করবে এবং সংশ্লিষ্ট সদস্যদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
খ. আইনগত পদক্ষেপ:
যদি কোনো কমিটি বা সদস্য গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী কার্যক্রম চালায়, তবে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এ পদক্ষেপের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে:
• কমিটি বাতিল করা
• সদস্যপদ বাতিল করা
• শাস্তিমূলক ব্যবস্থা, যেমন: জরিমানা বা কমিটি থেকে বহিষ্কার,
গ. গঠনতন্ত্রের পরিপালন নিশ্চিতকরণ:
নির্বাচিত কমিটি বা নির্বাচন কমিশন, সংগঠনের সকল কার্যক্রম এবং কমিটি গঠন গঠনতন্ত্রের নির্দেশনা অনুসারে চলছে কিনা তা মনিটর করবে এবং প্রয়োজন হলে সংশোধনী বা নতুন শর্ত যুক্ত করতে পারবে।
ব্যাচ ৪২, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো কমিটি নির্বাচনের মাধ্যমে গঠন করা হবে এবং নির্বাচনের ব্যতীত কোনো ধরনের প্রভাব বা পদক্ষেপের মাধ্যমে যেমন, আলাপ-আরোচনা করে, বা সার্চ কমিটির মাধ্যমে কমিটি গঠন করা যাবে না। নির্বাচনের বাইরে অন্য কোনো পদ্ধতি গ্রহণ করা সম্পূর্ণরূপে অবৈধ এবং গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী হবে।
২২.১ নির্বাচন ছাড়া কমিটি গঠন নিষিদ্ধ:
ক. কমিটি গঠন: কোন সদস্য বা গোষ্ঠী যদি নির্বাচন ছাড়া রাজনৈতিক ক্ষমতা, অর্থ, বা অন্য কোনো প্রভাব ব্যবহার করে সংগঠনের কমিটি গঠন করার চেষ্টা করে বা কমিটি গঠন করে প্রকাশ করে, তবে সেটি অবৈধ বলে গণ্য হবে। এই ধরনের কমিটি বা কার্যক্রম চিহ্নিত হলে, নির্বাচন কমিশন তা অবিলম্বে বাতিল করে এবং সংশ্লিষ্ট সদস্যদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় শৃঙ্খলা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
খ. সরাসরি ভোট: শুধুমাত্র সরাসরি ভোট বা নির্বাচনের মাধ্যমে সদস্যরা তাদের প্রতিনিধিকে নির্বাচন করতে পারবেন। প্রার্থীদের নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যোগ্যতা যাচাই করা হবে, এবং এটি নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত হবে।
গ. নির্বাচন প্রক্রিয়া: কমিটি গঠনের জন্য নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ সুষ্ঠু, স্বচ্ছ, এবং গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পরিচালিত হতে হবে। অন্য কোন প্রক্রিয়া গ্রহণযোগ্য হবে না এবং তা অবৈধ বলে গণ্য হবে। নির্বাচন কমিশন নিশ্চিত করবে যে নির্বাচনের সমস্ত কার্যক্রম নিরপেক্ষভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং তৃতীয় পক্ষের পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা থাকবে যাতে ফলাফল সঠিক ও স্বচ্ছ হয়।
ঘ. আইনি ব্যবস্থা: যদি কোনো গোষ্ঠী বা সদস্য অবৈধভাবে কমিটি গঠনের চেষ্টা করে বা ইতোমধ্যে গঠন করা কমিটি বৈধ না হয়, নির্বাচন কমিশন তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং অবৈধ কমিটির কার্যক্রম স্থগিত করবে।
২২.২ রাজনৈতিক, অর্থ ও পদের প্রভাবের বিরুদ্ধে সতর্কতা:
ক. রাজনৈতিক ক্ষমতা:
কোন প্রকার রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি বা শক্তি কমিটির গঠনে ব্যবহৃত হতে পারবে না। ব্যাচ ৪২, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় একটি অরাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে সকল কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবে এবং রাজনৈতিক প্রভাবকে সম্পূর্ণভাবে এড়িয়ে চলবে।
• রাজনৈতিক প্রভাব প্রতিরোধ: নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক প্রভাব প্রতিরোধের জন্য শক্তিশালী নজরদারি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
• রাজনৈতিক দল বা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রভাব রোধ: নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক দলের সদস্যদের এবং রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত সদস্যদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ বা প্রভাব প্রয়োগ থেকে বিরত রাখবে।
খ. অর্থের প্রভাব:
টাকা বা আর্থিক প্রভাবের মাধ্যমে কোন সদস্য নির্বাচনে অংশগ্রহণ বা কোনো পদ লাভ করতে পারবে না। সদস্যরা শুধুমাত্র তাদের যোগ্যতা, দক্ষতা, এবং সাংগঠনিক মনোভাবের ভিত্তিতে নির্বাচিত হবেন।
• অর্থের প্রভাব নিয়ন্ত্রণ: নির্বাচন কমিশন প্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যয়ের উপর নজর রাখবে এবং অস্বাভাবিক খরচের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। কোনো প্রার্থী যদি অর্থের প্রভাবে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অসুস্থ প্রতিযোগিতা করে, তবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
• নির্বাচনী খরচের সীমা: নির্বাচনের জন্য একটি ব্যয় সীমা নির্ধারণ করা হবে, যার মধ্যে প্রার্থীদের তাদের প্রচারণা পরিচালনা করতে হবে।
গ. পদবির প্রভাব:
উচ্চ পদ বা সরকারি পদধারীদের প্রভাবও নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারবে না। নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ সুষম, নিরপেক্ষ এবং অরাজনৈতিকভাবে পরিচালিত হবে।
• পদবির প্রভাব প্রতিরোধ: নির্বাচন কমিশন উচ্চ পদ বা সরকারি পদধারীদের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অবৈধ প্রভাব ব্যবহার করতে বাধা দেবে এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ায় শৃঙ্খলা রক্ষা করবে।
• পদবির ব্যবহার: কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা উচ্চ পদস্থ ব্যক্তি যদি নির্বাচনে প্রভাব ফেলার চেষ্টা করেন, নির্বাচন কমিশন তা অবিলম্বে চিহ্নিত করবে এবং প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে।
ঘ. নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা:
নির্বাচন কমিশন নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা এবং নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার জন্য সকল প্রার্থীর যোগ্যতা যাচাই করবে এবং ভোটের ফলাফল নিরপেক্ষভাবে ঘোষণা করবে। কোনও প্রকার অবৈধ প্রভাব বা পক্ষপাতিত্ব নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সুযোগ পাবে না।
২২.৩ নির্বাচনের ভিত্তি:
ক. যোগ্যতা:
সদস্যরা শুধুমাত্র যোগ্যতার ভিত্তিতে নির্বাচন করবে এবং শুধুমাত্র নির্বাচিত ব্যক্তিরাই পদ গ্রহণ করবেন।
• নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য প্রার্থীদের অবশ্যই নির্দিষ্ট যোগ্যতা থাকতে হবে, যেমন: পূর্ববর্তী কার্যক্রমের অভিজ্ঞতা, নেতৃত্বের দক্ষতা, এবং সংগঠনের জন্য তাদের প্রতি দায়বদ্ধতা।
• নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সদস্যদের জন্য যোগ্যতা নির্ধারণের মানদণ্ড নির্বাচন কমিশন দ্বারা প্রণীত হবে এবং তা সকল সদস্যের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
খ. সামান্য বা বৃহৎ সুবিধা দিয়ে প্রভাবিত হওয়া নিষিদ্ধ:
কোন সদস্য বা গ্রুপ সামান্য সুবিধা বা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করলে, তা নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি হিসেবে গণ্য হবে।
• যদি কোনো প্রার্থী ভোটারদের সুবিধা বা উপহার দিয়ে তাদের ভোট প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে চায়, নির্বাচন কমিশন তা তদন্ত করবে এবং শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে।
• নির্বাচনী দুর্নীতির ক্ষেত্রে প্রার্থী বা সদস্যের বিরুদ্ধে নির্বাচনী মনোনয়ন বাতিল, জরিমানা অথবা নিষেধাজ্ঞার মতো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
গ. নির্বাচন এবং শৃঙ্খলা:
নির্বাচনী প্রক্রিয়া সুষ্ঠু, নিরাপদ, এবং শৃঙ্খলাপূর্ণভাবে পরিচালিত হবে। কোনো প্রকার অবৈধ প্রভাব, ভোট ক্রয়, অথবা প্রার্থীদের মধ্যে পক্ষপাতিত্ব কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে না।
• নির্বাচন কমিশন নির্বাচন প্রক্রিয়া সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষভাবে পরিচালনার জন্য পর্যবেক্ষণ করবে এবং কোনো প্রকার দুর্নীতি বা অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।
• নির্বাচনে নিরাপত্তা বজায় রাখতে, নির্বাচন কমিশন সঠিক সময় এবং স্থান নির্ধারণ করবে এবং নির্বাচনের সুষ্ঠুতা নিশ্চিত করতে তৃতীয় পক্ষের পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হবে।
• যদি কোনো প্রার্থী বা সদস্য নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব বা অন্য অবৈধ প্রভাব সৃষ্টি করার চেষ্টা করে, নির্বাচন কমিশন তা অবিলম্বে নিষিদ্ধ করবে এবং তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।
২২.৪ কমিটি বাতিলের শর্ত:
ক. অবৈধ কমিটি বাতিল:
যদি কোন কমিটি নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত না হয়ে অন্য কোন প্রভাবে বা মাধ্যমে যেমন আলোচনা, বিশেষ পক্ষ দ্বারা গঠিত সার্চ কমিটি বা অন্য কোন উপায়ে গঠিত হয়, তবে সেই কমিটি বাতিল হিসেবে গণ্য হবে এবং তার কার্যক্রম বাতিল হয়ে যাবে।
খ. গঠনতন্ত্রের বিরুদ্ধে কার্যকলাপ:
গঠনতন্ত্র অনুযায়ী গঠিত না হওয়া যেকোনো কমিটির সমস্ত কার্যক্রম বাতিল বলে গণ্য হবে এবং আর নির্বাচিত কমিটি বৈধ বলে বিবেচিত হবে।
• যদি নির্বাচিত কমিটি না থাকে, তবে নতুন নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে সঠিক কমিটি গঠন করা হবে।
• নির্বাচন কমিশন গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সঠিক এবং বৈধ প্রক্রিয়ায় নতুন নির্বাচন আয়োজন করবে এবং কমিটি গঠন করবে।
• নতুন নির্বাচনের ব্যবস্থা: নির্বাচিত কমিটি গঠনের জন্য নির্বাচন কমিশন একটি তফসিল নির্ধারণ করবে এবং এক মাসের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের ব্যবস্থা করবে।
২২.৫ অনির্বাচিত সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা:
ক. অবৈধ সদস্যপদ:
যদি কোনো সদস্য নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত না হয়ে অন্য কোনো কারণে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হন, তবে তার সদস্যপদ অবৈধ হবে এবং তাকে সংগঠনের কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে।
• নির্বাচন কমিশন অবিলম্বে এই সদস্যের সদস্যপদ বাতিল করবে এবং তাকে সংগঠনের কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
• অবৈধ সদস্যপদ চিহ্নিতকরণ: নির্বাচন কমিশন নিশ্চিত করবে যে, কোনো সদস্য অবৈধভাবে নির্বাচিত না হয়ে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত না হন। কোনো অবৈধ সদস্যের উপস্থিতি চিহ্নিত হলে কমিশন তা দ্রুত বাতিল করবে।
খ. ব্যবস্থা গ্রহণ:
এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং নির্বাচন ছাড়া গঠিত কমিটির সদস্যদের বিরুদ্ধে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
• শাস্তিমূলক ব্যবস্থা:
◦ অবৈধ সদস্যদের সদস্যপদ বাতিল করা হবে এবং তাদের নির্বাচন থেকে বহিষ্কার করা হবে।
◦ এই সদস্যদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে সতর্কীকরণ, বা কমিটি থেকে নির্বাসনও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
আর নির্বাচিত কমিটি থাকলে কমিটি গঠনতন্ত্র অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। নির্বাচিত কমিটি যদি এ ধরনের সদস্যদের চিহ্নিত করে, তবে তারা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশনের সাথে পরামর্শ করবে এবং গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পদক্ষেপ নেবে।
২২.৬ গঠনতন্ত্রের প্রয়োগ:
ক. গঠনতন্ত্রের বাধ্যবাধকতা:
ব্যাচ ৪২, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম, কমিটি গঠন, এবং সংগঠনের পরিচালনা গঠনতন্ত্রের নির্দেশনা অনুযায়ী চলবে। গঠনতন্ত্রের সাথে কোনো প্রকার অস্বীকৃতি বা পরিবর্তন সংগঠনের কার্যক্রমে অনুমোদিত হবে না।
• নির্বাচন ছাড়া গঠিত কমিটি: নির্বাচন ছাড়া অন্য কোন পদ্ধতিতে গঠিত কমিটি কিংবা সদস্য গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী হবে এবং তার বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
• নির্বাচন কমিশন, গঠনতন্ত্রের বিরুদ্ধে কোনো কার্যক্রম বা কমিটি দেখলে তা অবিলম্বে বাতিল করবে এবং সংশ্লিষ্ট সদস্যদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
খ. আইনগত পদক্ষেপ:
যদি কোনো কমিটি বা সদস্য গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী কার্যক্রম চালায়, তবে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এ পদক্ষেপের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে:
• কমিটি বাতিল করা
• সদস্যপদ বাতিল করা
• শাস্তিমূলক ব্যবস্থা, যেমন: জরিমানা বা কমিটি থেকে বহিষ্কার,
গ. গঠনতন্ত্রের পরিপালন নিশ্চিতকরণ:
নির্বাচিত কমিটি বা নির্বাচন কমিশন, সংগঠনের সকল কার্যক্রম এবং কমিটি গঠন গঠনতন্ত্রের নির্দেশনা অনুসারে চলছে কিনা তা মনিটর করবে এবং প্রয়োজন হলে সংশোধনী বা নতুন শর্ত যুক্ত করতে পারবে।
ধারা ২৩ প্রস্তাব
২৩.১ প্রস্তাব গ্রহণের পদ্ধতি:
ক. সদস্যদের অবহিতকরণ: কার্যনির্বাহী কমিটি কর্তৃক কোন গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব গ্রহণের পূর্বে, যদি কোন সদস্য সভায় উপস্থিত না থাকেন, তাহলে তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিখিতভাবে কমিটির কাছে তাদের অনুপস্থিতির কারণ এবং প্রস্তাব সম্পর্কে তাদের মতামত জানিয়ে দিবেন।
খ. অবস্থানের প্রভাব: যদি কোন সদস্য প্রস্তাব সম্পর্কে কোনো মতামত না জানান, তবে সেই সদস্যকে প্রস্তাব গ্রহণের ব্যাপারে কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাধ্য থাকতে হবে। অর্থাৎ, তার মৌন অবস্থান বা অনুপস্থিতি প্রস্তাবের গ্রহণযোগ্যতায় কোনো বাধা সৃষ্টি করবে না।
গ. গৃহীত প্রস্তাবের চূড়ান্ততা: কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদিত কোন প্রস্তাব বা সিদ্ধান্ত, যা কমিটির সভায় গৃহীত হয়েছে, তা পরবর্তীতে সদস্যদের কাছে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে গণ্য হবে। সদস্যদের একমত না হওয়ার পরেও সেই প্রস্তাব কার্যকর করা হবে।
ঘ. রিভিউ ও পুনঃপ্রস্তাবনা নিষিদ্ধ: যেকোনো প্রস্তাব বা সিদ্ধান্ত যদি একবার গৃহীত হয়, তবে সেই প্রস্তাব পুনঃপ্রস্তাবনা বা আলোচনা করার সুযোগ থাকবে না। কার্যনির্বাহী কমিটি গৃহীত সিদ্ধান্তের পর পুনঃপ্রস্তাবনা বা সংশোধনী নিয়ে আলোচনা করা যাবে না, এবং তা চূড়ান্তভাবে কার্যকর হতে থাকবে।
২৩.২ গৃহীত প্রস্তাবের কার্যকরীতা:
ক. প্রস্তাবের কার্যকর করা: নির্বাচিত বা অনুমোদিত কোনো প্রস্তাব বা সিদ্ধান্ত, যা কার্যনির্বাহী কমিটি কর্তৃক গৃহীত হয়েছে, তা পরবর্তী সাধারণ সভা বা বিশেষ সাধারণ সভার আগে কার্যকর করার উদ্দেশ্যে অনুমোদিত হবে।
খ. বার্ষিক সাধারণ সভা বা বিশেষ সাধারণ সভা: কার্যনির্বাহী কমিটির প্রস্তাব অনুমোদিত হওয়ার পর, সাধারণ সভায় তা গৃহীত হলে এটি বৈধভাবে কার্যকর হয়ে যাবে।
ক. সদস্যদের অবহিতকরণ: কার্যনির্বাহী কমিটি কর্তৃক কোন গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব গ্রহণের পূর্বে, যদি কোন সদস্য সভায় উপস্থিত না থাকেন, তাহলে তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিখিতভাবে কমিটির কাছে তাদের অনুপস্থিতির কারণ এবং প্রস্তাব সম্পর্কে তাদের মতামত জানিয়ে দিবেন।
খ. অবস্থানের প্রভাব: যদি কোন সদস্য প্রস্তাব সম্পর্কে কোনো মতামত না জানান, তবে সেই সদস্যকে প্রস্তাব গ্রহণের ব্যাপারে কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাধ্য থাকতে হবে। অর্থাৎ, তার মৌন অবস্থান বা অনুপস্থিতি প্রস্তাবের গ্রহণযোগ্যতায় কোনো বাধা সৃষ্টি করবে না।
গ. গৃহীত প্রস্তাবের চূড়ান্ততা: কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদিত কোন প্রস্তাব বা সিদ্ধান্ত, যা কমিটির সভায় গৃহীত হয়েছে, তা পরবর্তীতে সদস্যদের কাছে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে গণ্য হবে। সদস্যদের একমত না হওয়ার পরেও সেই প্রস্তাব কার্যকর করা হবে।
ঘ. রিভিউ ও পুনঃপ্রস্তাবনা নিষিদ্ধ: যেকোনো প্রস্তাব বা সিদ্ধান্ত যদি একবার গৃহীত হয়, তবে সেই প্রস্তাব পুনঃপ্রস্তাবনা বা আলোচনা করার সুযোগ থাকবে না। কার্যনির্বাহী কমিটি গৃহীত সিদ্ধান্তের পর পুনঃপ্রস্তাবনা বা সংশোধনী নিয়ে আলোচনা করা যাবে না, এবং তা চূড়ান্তভাবে কার্যকর হতে থাকবে।
২৩.২ গৃহীত প্রস্তাবের কার্যকরীতা:
ক. প্রস্তাবের কার্যকর করা: নির্বাচিত বা অনুমোদিত কোনো প্রস্তাব বা সিদ্ধান্ত, যা কার্যনির্বাহী কমিটি কর্তৃক গৃহীত হয়েছে, তা পরবর্তী সাধারণ সভা বা বিশেষ সাধারণ সভার আগে কার্যকর করার উদ্দেশ্যে অনুমোদিত হবে।
খ. বার্ষিক সাধারণ সভা বা বিশেষ সাধারণ সভা: কার্যনির্বাহী কমিটির প্রস্তাব অনুমোদিত হওয়ার পর, সাধারণ সভায় তা গৃহীত হলে এটি বৈধভাবে কার্যকর হয়ে যাবে।
ধারা -২৪ অনুদান/ঋণ/ভর্তুকি/ প্রদান
ক. দান গ্রহণের অনুমতি: উৎসাহী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যাচ ৪২, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশ্য সাধনের জন্য দান, ঋণ, ভর্তুকি বা অনুদান প্রদান করতে পারবে। এগুলি সংগঠনের উদ্দেশ্য ও পরিকল্পনা অনুযায়ী ব্যয় করা হবে।
খ. দান গ্রহণের শর্ত: সংগঠন যেকোনো দান বা অনুদান গ্রহণ করবে যেটি সাংগঠনিক নীতিমালা এবং উদ্দেশ্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।
গ. ব্যাংক এবং ফান্ডসমূহ: সংগঠনের তহবিলের জন্য গৃহীত দান বা অনুদান ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে পরিশোধ করা হবে। এসব দান সংশ্লিষ্ট ব্যাংক শাখা বা প্রতিষ্ঠানের অনুমোদিত হতে হবে এবং তা সংগঠনের কাজে ব্যয় করা হবে।
ঘ. বিশেষ অনুষ্ঠানের জন্য অনুদান: যদি কোন অনুষ্ঠান বা সভার জন্য কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অনুদান নগদ টাকা প্রদান করতে চান তাহলে সে অনুদান সরাসরি গ্রহণ করা যাবে। তবে,এক্ষেত্রে টাকার পরিমাণ ও প্রদানকারীর বিস্তারিত তথ্য সংশ্লিষ্ট কলকে জানাতে হবে।
অনুদানের ব্যবস্থাপনা:
ক. তহবিল সংরক্ষণ: সংগঠনের তহবিলের স্থিতি থাকলে, সংগঠন যে অনুদান গ্রহণ করেছে তা স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান বা ব্যাংক থেকে করা যাবে।
• ফান্ডসমূহ ব্যয়: যেকোনো অনুদান সাংগঠনিক উদ্দেশ্য অনুযায়ী ব্যয় করা হবে।
অনুদানের পরামর্শ: যে কোনো অনুদান গ্রহণ করার ক্ষেত্রে সংগঠনের তহবিল ব্যবস্থাপনা কমিটি বা কার্যনির্বাহী কমিটির পরামর্শ ও অনুমোদন নিতে হবে, যাতে দান বা অনুদান সংগঠনের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য অনুযায়ী সঠিকভাবে ব্যয় হয়।
খ. দান গ্রহণের শর্ত: সংগঠন যেকোনো দান বা অনুদান গ্রহণ করবে যেটি সাংগঠনিক নীতিমালা এবং উদ্দেশ্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।
গ. ব্যাংক এবং ফান্ডসমূহ: সংগঠনের তহবিলের জন্য গৃহীত দান বা অনুদান ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে পরিশোধ করা হবে। এসব দান সংশ্লিষ্ট ব্যাংক শাখা বা প্রতিষ্ঠানের অনুমোদিত হতে হবে এবং তা সংগঠনের কাজে ব্যয় করা হবে।
ঘ. বিশেষ অনুষ্ঠানের জন্য অনুদান: যদি কোন অনুষ্ঠান বা সভার জন্য কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অনুদান নগদ টাকা প্রদান করতে চান তাহলে সে অনুদান সরাসরি গ্রহণ করা যাবে। তবে,এক্ষেত্রে টাকার পরিমাণ ও প্রদানকারীর বিস্তারিত তথ্য সংশ্লিষ্ট কলকে জানাতে হবে।
অনুদানের ব্যবস্থাপনা:
ক. তহবিল সংরক্ষণ: সংগঠনের তহবিলের স্থিতি থাকলে, সংগঠন যে অনুদান গ্রহণ করেছে তা স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান বা ব্যাংক থেকে করা যাবে।
• ফান্ডসমূহ ব্যয়: যেকোনো অনুদান সাংগঠনিক উদ্দেশ্য অনুযায়ী ব্যয় করা হবে।
অনুদানের পরামর্শ: যে কোনো অনুদান গ্রহণ করার ক্ষেত্রে সংগঠনের তহবিল ব্যবস্থাপনা কমিটি বা কার্যনির্বাহী কমিটির পরামর্শ ও অনুমোদন নিতে হবে, যাতে দান বা অনুদান সংগঠনের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য অনুযায়ী সঠিকভাবে ব্যয় হয়।
ধারা-২৫ কল্যাণ তহবিল গঠন
কল্যাণ তহবিল গঠনের প্রক্রিয়া:
ক. কল্যাণ তহবিলের উৎস:
ব্যাচ ৪২, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কল্যাণ তহবিল গঠনের জন্য নানা উৎস থাকবে, যেমন:
• সদস্যদের চাঁদা,
• অনুদান,
• অন্যান্য আয় (যেমন: বিভিন্ন ইভেন্ট থেকে আয়, বা কোনো দাতব্য প্রতিষ্ঠান বা সরকারী উৎস থেকে পাওয়া অনুদান)
এই তহবিল সংগঠনের কল্যাণমূলক কাজের জন্য ব্যবহার করা হবে।
খ. কল্যাণ তহবিল ব্যবস্থাপনা:
সংগঠন একটি স্বচ্ছ এবং জবাবদিহি মূলকভাবে কল্যাণ তহবিল পরিচালনা করবে।
• ব্যবস্থাপনা কমিটি: একটি তহবিল ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করা হবে, যা তহবিলের আয়-ব্যয়ের রিপোর্ট তৈরি করবে এবং তা সকল সদস্যদের কাছে উন্মুক্ত থাকবে।
• অর্থনৈতিক পরিকল্পনা: সংগঠনের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা সঠিকভাবে পরিচালিত হবে যাতে কোনো ধরনের অপচয় না হয় এবং সমস্ত খরচ সংগঠনের উদ্দেশ্য অনুযায়ী ব্যবহৃত হবে।
• বাজেট পর্যালোচনা: তহবিলের বাজেট প্রতি বছর পর্যালোচনা করা হবে এবং তা সকল সদস্যদের কাছে জানানো হবে।
গ. দান ও অনুদানের সহায়তা:
দান বা অনুদানের মাধ্যমে সংগঠনের কল্যাণ তহবিল বৃদ্ধি পাবে এবং তা ব্যাচ ৪২ এবং দেশের কল্যাণে ব্যবহার করা হবে।
• দান সংগ্রহের পদ্ধতি: সংগঠন দান সংগ্রহের জন্য বিভিন্ন ইভেন্ট, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, এবং অন্যান্য উপায় ব্যবহার করবে।
• দানের উৎস: দান বা অনুদান গ্রহণের ক্ষেত্রে সকল উৎস হতে তহবিল সংগ্রহ করা হবে এবং তা সাংগঠনিক স্বচ্ছতার সাথে পরিচালিত হবে।
কল্যাণ তহবিল ব্যবহারের উদ্দেশ্য:
• কল্যাণ তহবিলের অর্থ ব্যাচ ৪২-এর সদস্যদের এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের, বিশেষ করে সন্তানদের কল্যাণ, সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া, শিক্ষা, গবেষণা, এবং অন্যান্য সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রমে ব্যয় করা হবে।
• তহবিলের মধ্যে প্রাপ্ত অর্থ ব্যবহার করে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, ক্রীড়া টুর্নামেন্ট, শিক্ষা বৃত্তি, গবেষণার সহায়তা, চিকিৎসা সহায়তা ইত্যাদি বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের জন্য ব্যয় করা হবে।
• দুর্যোগ স্থাপনা ও কল্যাণে কল্যাণ তহবিল ব্যবহার করা হবে।
• দেশের যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় বা মানবিক জরুরি অবস্থা উদ্ভব হলে, তহবিল থেকে সহায়তা প্রদান করা হবে।
• তহবিলের অর্থ দুর্যোগ আক্রান্ত এলাকায় পুনর্বাসন কাজ, জরুরি চিকিৎসা সেবা, এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তার জন্য ব্যবহার করা হবে।
• সংগঠনের উদ্দেশ্য সাধনে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের জন্য প্রাপ্ত অর্থ পরিচালনা করা হবে।
• সংগঠনের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য অনুযায়ী তহবিল ব্যবহার করা হবে, যেমন: সদস্যদের শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মশালা, ইভেন্ট আয়োজন, সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রম, ইত্যাদি।
• তহবিল ব্যবহারের জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা এবং বাজেট তৈরি করা হবে, এবং তা সকল সদস্যদের কাছে স্বচ্ছভাবে উপস্থাপন করা হবে।
কল্যাণ তহবিল রক্ষণাবেক্ষণ ও অডিট:
• সংগঠনের কল্যাণ তহবিলের জন্য একটি অডিট ব্যবস্থা চালু করা হবে, যাতে সংগঠনের সমস্ত আর্থিক কার্যক্রম সুষ্ঠভাবে পরিচালিত হয়।
• প্রতি বছর একবার কল্যাণ তহবিলের অডিট রিপোর্ট প্রস্তুত করে সাধারণ সভায় উপস্থাপন করা হবে।
ক. কল্যাণ তহবিলের উৎস:
ব্যাচ ৪২, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কল্যাণ তহবিল গঠনের জন্য নানা উৎস থাকবে, যেমন:
• সদস্যদের চাঁদা,
• অনুদান,
• অন্যান্য আয় (যেমন: বিভিন্ন ইভেন্ট থেকে আয়, বা কোনো দাতব্য প্রতিষ্ঠান বা সরকারী উৎস থেকে পাওয়া অনুদান)
এই তহবিল সংগঠনের কল্যাণমূলক কাজের জন্য ব্যবহার করা হবে।
খ. কল্যাণ তহবিল ব্যবস্থাপনা:
সংগঠন একটি স্বচ্ছ এবং জবাবদিহি মূলকভাবে কল্যাণ তহবিল পরিচালনা করবে।
• ব্যবস্থাপনা কমিটি: একটি তহবিল ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করা হবে, যা তহবিলের আয়-ব্যয়ের রিপোর্ট তৈরি করবে এবং তা সকল সদস্যদের কাছে উন্মুক্ত থাকবে।
• অর্থনৈতিক পরিকল্পনা: সংগঠনের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা সঠিকভাবে পরিচালিত হবে যাতে কোনো ধরনের অপচয় না হয় এবং সমস্ত খরচ সংগঠনের উদ্দেশ্য অনুযায়ী ব্যবহৃত হবে।
• বাজেট পর্যালোচনা: তহবিলের বাজেট প্রতি বছর পর্যালোচনা করা হবে এবং তা সকল সদস্যদের কাছে জানানো হবে।
গ. দান ও অনুদানের সহায়তা:
দান বা অনুদানের মাধ্যমে সংগঠনের কল্যাণ তহবিল বৃদ্ধি পাবে এবং তা ব্যাচ ৪২ এবং দেশের কল্যাণে ব্যবহার করা হবে।
• দান সংগ্রহের পদ্ধতি: সংগঠন দান সংগ্রহের জন্য বিভিন্ন ইভেন্ট, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, এবং অন্যান্য উপায় ব্যবহার করবে।
• দানের উৎস: দান বা অনুদান গ্রহণের ক্ষেত্রে সকল উৎস হতে তহবিল সংগ্রহ করা হবে এবং তা সাংগঠনিক স্বচ্ছতার সাথে পরিচালিত হবে।
কল্যাণ তহবিল ব্যবহারের উদ্দেশ্য:
• কল্যাণ তহবিলের অর্থ ব্যাচ ৪২-এর সদস্যদের এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের, বিশেষ করে সন্তানদের কল্যাণ, সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া, শিক্ষা, গবেষণা, এবং অন্যান্য সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রমে ব্যয় করা হবে।
• তহবিলের মধ্যে প্রাপ্ত অর্থ ব্যবহার করে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, ক্রীড়া টুর্নামেন্ট, শিক্ষা বৃত্তি, গবেষণার সহায়তা, চিকিৎসা সহায়তা ইত্যাদি বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের জন্য ব্যয় করা হবে।
• দুর্যোগ স্থাপনা ও কল্যাণে কল্যাণ তহবিল ব্যবহার করা হবে।
• দেশের যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় বা মানবিক জরুরি অবস্থা উদ্ভব হলে, তহবিল থেকে সহায়তা প্রদান করা হবে।
• তহবিলের অর্থ দুর্যোগ আক্রান্ত এলাকায় পুনর্বাসন কাজ, জরুরি চিকিৎসা সেবা, এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তার জন্য ব্যবহার করা হবে।
• সংগঠনের উদ্দেশ্য সাধনে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের জন্য প্রাপ্ত অর্থ পরিচালনা করা হবে।
• সংগঠনের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য অনুযায়ী তহবিল ব্যবহার করা হবে, যেমন: সদস্যদের শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মশালা, ইভেন্ট আয়োজন, সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রম, ইত্যাদি।
• তহবিল ব্যবহারের জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা এবং বাজেট তৈরি করা হবে, এবং তা সকল সদস্যদের কাছে স্বচ্ছভাবে উপস্থাপন করা হবে।
কল্যাণ তহবিল রক্ষণাবেক্ষণ ও অডিট:
• সংগঠনের কল্যাণ তহবিলের জন্য একটি অডিট ব্যবস্থা চালু করা হবে, যাতে সংগঠনের সমস্ত আর্থিক কার্যক্রম সুষ্ঠভাবে পরিচালিত হয়।
• প্রতি বছর একবার কল্যাণ তহবিলের অডিট রিপোর্ট প্রস্তুত করে সাধারণ সভায় উপস্থাপন করা হবে।
ধারা-২৬ ব্যাংক হিসাব পরিচালনা
২৬.১ ব্যাংক হিসাবের প্রক্রিয়া:
ক. ব্যাংক হিসাবের স্থাপন: “Batch42-CU” নামে যে ব্যাংক হিসাব রয়েছে, তা সংগঠনের তহবিল গ্রহণ এবং ব্যয় করার জন্য ব্যবহৃত হবে।
হিসার নম্বর- 1111333505000, এবি ব্যাংক, নওয়াবপুর শাখা, ঢাকা।
খ. ব্যাংক হিসাবের ব্যবস্থাপনা: এই হিসাবটি সংগঠনের অর্থনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা এবং তহবিলের সকল লেনদেনের জন্য ব্যবহৃত হবে। হিসাব পরিচালনার দায়িত্ব কার্যনির্বাহী কমিটির নির্ধারিত সদস্যদের উপর থাকবে।
২৬.২ যৌথ ব্যাংক হিসাব:
ক. একাধিক সইকারী: ব্যাংক হিসাবটি যৌথ সইকারী হিসেবে পরিচালিত হবে, যেখানে সাধারণত সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং অর্থ সম্পাদক সিগনেটরি থাকবেন এবং তাদের মধ্যে যেকোনো দুজনের স্বাক্ষরে ব্যাংক হিসাবের লেনদেন সম্পন্ন করতে পারবেন।
খ. সাইনিং অথরিটি: কোনো বড় অর্থের লেনদেন (যেমন বড় দান বা বাজেট সংশ্লিষ্ট লেনদেন) ক্ষেত্রে, একাধিক সদস্যের স্বাক্ষর প্রয়োজন হবে, যাতে অর্থের সঠিক ব্যবহারের উপর নজরদারি থাকে।
২৬.৩ অর্থের ব্যবহার:
ক. অনুমোদন পদ্ধতি: যে কোন অর্থ ব্যবহার, যেমন কোনো ইভেন্ট আয়োজন বা প্রয়োজনীয় কাজের জন্য ব্যয়, কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে করা হবে।
খ. ব্যয় হিসাব রক্ষণ: ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে হওয়া সমস্ত ব্যয় এবং আয় সঠিকভাবে রেকর্ড করা হবে। প্রয়োজনে মাসিক বা বার্ষিক ভিত্তিতে অর্থনৈতিক রিপোর্ট প্রস্তুত করা হবে এবং এটি সাধারণ সভায় উপস্থাপন করা হবে।
২৬.৪ ব্যাংক হিসাবের তত্ত্বাবধান:
ক. অর্থ নিয়ন্ত্রণ: ব্যাংক হিসাবের পরিচালনা এবং তহবিলের ব্যবস্থাপনা কার্যনির্বাহী কমিটির অর্থ সম্পাদক এর তত্ত্বাবধানে থাকবে, এবং তিনি সমস্ত আর্থিক লেনদেনের যথাযথ হিসাব রাখবেন।
খ. অডিট: সংগঠনের সকল ব্যয় এবং আয়ের অডিট প্রতিবেদন বছরে অন্তত একবার প্রস্তুত করা হবে এবং তা সাধারণ সভায় উপস্থাপন করা হবে। কোন ধরনের দুর্নীতি বা অবৈধ কার্যক্রমের প্রতি নজরদারি নিশ্চিত করা হবে।
২৬.৫ ব্যাংক হিসাবের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা:
ক. স্বচ্ছতা: ব্যাংক হিসাব পরিচালনার জন্য একটি স্বচ্ছ পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে, যাতে সদস্যরা যে কোন সময় হিসাবের তথ্য দেখতে পারেন। প্রয়োজনে প্রতি মাসে বা প্রতি ত্রৈমাসিকে হিসাবের রিপোর্ট সদস্যদের জানানো হবে।
খ. জবাবদিহিতা: ব্যাংক হিসাবের সমস্ত লেনদেনের জন্য জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে, কার্যনির্বাহী কমিটি নিয়মিত অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা পর্যালোচনা করবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
২৬.৬ ব্যাংক একাউন্টে অনিয়ম বা দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা:
ক. যদি ব্যাংক একাউন্ট পরিচালনার ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতি ঘটে, তাহলে নির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটি তা অনুসন্ধান করবে এবং দোষী সদস্যের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
খ. প্রতিবেদন: প্রয়োজন হলে, একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে, যাদের মাধ্যমে এই অনিয়ম বা দুর্নীতির বিষয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করা হবে এবং সাধারণ সভায় উপস্থাপন করা হবে।
ক. ব্যাংক হিসাবের স্থাপন: “Batch42-CU” নামে যে ব্যাংক হিসাব রয়েছে, তা সংগঠনের তহবিল গ্রহণ এবং ব্যয় করার জন্য ব্যবহৃত হবে।
হিসার নম্বর- 1111333505000, এবি ব্যাংক, নওয়াবপুর শাখা, ঢাকা।
খ. ব্যাংক হিসাবের ব্যবস্থাপনা: এই হিসাবটি সংগঠনের অর্থনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা এবং তহবিলের সকল লেনদেনের জন্য ব্যবহৃত হবে। হিসাব পরিচালনার দায়িত্ব কার্যনির্বাহী কমিটির নির্ধারিত সদস্যদের উপর থাকবে।
২৬.২ যৌথ ব্যাংক হিসাব:
ক. একাধিক সইকারী: ব্যাংক হিসাবটি যৌথ সইকারী হিসেবে পরিচালিত হবে, যেখানে সাধারণত সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং অর্থ সম্পাদক সিগনেটরি থাকবেন এবং তাদের মধ্যে যেকোনো দুজনের স্বাক্ষরে ব্যাংক হিসাবের লেনদেন সম্পন্ন করতে পারবেন।
খ. সাইনিং অথরিটি: কোনো বড় অর্থের লেনদেন (যেমন বড় দান বা বাজেট সংশ্লিষ্ট লেনদেন) ক্ষেত্রে, একাধিক সদস্যের স্বাক্ষর প্রয়োজন হবে, যাতে অর্থের সঠিক ব্যবহারের উপর নজরদারি থাকে।
২৬.৩ অর্থের ব্যবহার:
ক. অনুমোদন পদ্ধতি: যে কোন অর্থ ব্যবহার, যেমন কোনো ইভেন্ট আয়োজন বা প্রয়োজনীয় কাজের জন্য ব্যয়, কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে করা হবে।
খ. ব্যয় হিসাব রক্ষণ: ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে হওয়া সমস্ত ব্যয় এবং আয় সঠিকভাবে রেকর্ড করা হবে। প্রয়োজনে মাসিক বা বার্ষিক ভিত্তিতে অর্থনৈতিক রিপোর্ট প্রস্তুত করা হবে এবং এটি সাধারণ সভায় উপস্থাপন করা হবে।
২৬.৪ ব্যাংক হিসাবের তত্ত্বাবধান:
ক. অর্থ নিয়ন্ত্রণ: ব্যাংক হিসাবের পরিচালনা এবং তহবিলের ব্যবস্থাপনা কার্যনির্বাহী কমিটির অর্থ সম্পাদক এর তত্ত্বাবধানে থাকবে, এবং তিনি সমস্ত আর্থিক লেনদেনের যথাযথ হিসাব রাখবেন।
খ. অডিট: সংগঠনের সকল ব্যয় এবং আয়ের অডিট প্রতিবেদন বছরে অন্তত একবার প্রস্তুত করা হবে এবং তা সাধারণ সভায় উপস্থাপন করা হবে। কোন ধরনের দুর্নীতি বা অবৈধ কার্যক্রমের প্রতি নজরদারি নিশ্চিত করা হবে।
২৬.৫ ব্যাংক হিসাবের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা:
ক. স্বচ্ছতা: ব্যাংক হিসাব পরিচালনার জন্য একটি স্বচ্ছ পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে, যাতে সদস্যরা যে কোন সময় হিসাবের তথ্য দেখতে পারেন। প্রয়োজনে প্রতি মাসে বা প্রতি ত্রৈমাসিকে হিসাবের রিপোর্ট সদস্যদের জানানো হবে।
খ. জবাবদিহিতা: ব্যাংক হিসাবের সমস্ত লেনদেনের জন্য জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে, কার্যনির্বাহী কমিটি নিয়মিত অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা পর্যালোচনা করবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
২৬.৬ ব্যাংক একাউন্টে অনিয়ম বা দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা:
ক. যদি ব্যাংক একাউন্ট পরিচালনার ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতি ঘটে, তাহলে নির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটি তা অনুসন্ধান করবে এবং দোষী সদস্যের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
খ. প্রতিবেদন: প্রয়োজন হলে, একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে, যাদের মাধ্যমে এই অনিয়ম বা দুর্নীতির বিষয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করা হবে এবং সাধারণ সভায় উপস্থাপন করা হবে।
ধারা-২৭ গঠনতন্ত্রের সংশোধনী
২৭.১ গঠনতন্ত্রের সংশোধনীর প্রক্রিয়া:
• সংশোধনীর প্রয়োজনীয়তা: ব্যাচ ৪২, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গঠনতন্ত্রে কোনো পরিবর্তন বা সংশোধন আনার প্রস্তাব কার্যনির্বাহী কমিটি, সাধারণ সদস্য বা উপদেষ্টা পরিষদ উপস্থাপন করতে পারে, যদি সংগঠনের প্রয়োজনে, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে, বা নতুন চাহিদার সাথে সংগঠনের উদ্দেশ্য মেলাতে এই সংশোধনীর প্রয়োজন হয়।
• সংশোধনীর প্রস্তাব: যেকোনো প্রস্তাবিত সংশোধনী কার্যনির্বাহী কমিটি দ্বারা পর্যালোচিত হবে। সংশোধনীর জন্য নির্ধারিত কোনো সভায় এটি উপস্থাপন করা হবে এবং সাধারণ সভায় এর অনুমোদন নিতে হবে।
২৭.২ সংশোধনীর অনুমোদন:
• অবহিতকরণ: গঠনতন্ত্র সংশোধনীর প্রস্তাব সাধারণ সভায় উপস্থাপনের আগে, সংশোধনীর বিষয়ে সকল সদস্যকে নোটিশ প্রদান করা হবে, যা অন্ততঃ ১৫ দিন পূর্বে অবহিত করা হবে।
• সাধারণ সভায় অনুমোদন: সংশোধনী প্রস্তাবের অনুমোদন সাধারণ সভায় অনুষ্ঠিত হবে। সাধারণ সভায় সংশোধনী প্রস্তাব পাস করতে মোট সদস্যের দুই-তৃতীয়াংশ (২/৩) সদস্যের ভোট সমর্থন প্রয়োজন হবে।
• পুনঃপ্রস্তাবনা গ্রহণযোগ্য নয়: একবার গৃহীত সংশোধনী পুনরায় আলোচনায় আসবে না। যদি কোনো প্রস্তাবিত সংশোধনী সাধারণ সভায় বাতিল হয়, তবে তা পুনরায় প্রস্তাবনা হিসেবে উপস্থাপন করা যাবে না।
২৭.৩ জরুরি সংশোধনী:
• বিশেষ প্রয়োজন: যদি কোনো প্রস্তাবিত সংশোধনী জরুরি হয় এবং তা সাধারণ সভার মাধ্যমে অনুমোদিত হতে না পারে, তবে কার্যনির্বাহী কমিটি সেই সংশোধনীর জন্য বিশেষ সাধারণ সভা আহ্বান করতে পারে।
• বিশেষ সাধারণ সভায় অনুমোদন: যদি বিশেষ সাধারণ সভায় সংশোধনী নিয়ে আলোচনা করা হয়, তবে সংশোধনীর জন্য কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ (২/৩) সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন হবে।
২৭.৪ সংশোধনী কার্যকরী হওয়া:
• প্রকাশনা: গঠনতন্ত্রে যে কোনো সংশোধনী অনুমোদিত হলে তা কার্যকর হবে এবং সংশোধিত গঠনতন্ত্র সকল সদস্যের কাছে প্রকাশিত হবে। সংশোধনীর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকল সদস্যকে অবহিত করা হবে।
• প্রয়োগ: সংশোধিত গঠনতন্ত্র পরবর্তীতে সকল কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে এবং পূর্বের সংস্করণের পরিবর্তে এটি কার্যকরী হবে।
• সংশোধনীর প্রয়োজনীয়তা: ব্যাচ ৪২, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গঠনতন্ত্রে কোনো পরিবর্তন বা সংশোধন আনার প্রস্তাব কার্যনির্বাহী কমিটি, সাধারণ সদস্য বা উপদেষ্টা পরিষদ উপস্থাপন করতে পারে, যদি সংগঠনের প্রয়োজনে, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে, বা নতুন চাহিদার সাথে সংগঠনের উদ্দেশ্য মেলাতে এই সংশোধনীর প্রয়োজন হয়।
• সংশোধনীর প্রস্তাব: যেকোনো প্রস্তাবিত সংশোধনী কার্যনির্বাহী কমিটি দ্বারা পর্যালোচিত হবে। সংশোধনীর জন্য নির্ধারিত কোনো সভায় এটি উপস্থাপন করা হবে এবং সাধারণ সভায় এর অনুমোদন নিতে হবে।
২৭.২ সংশোধনীর অনুমোদন:
• অবহিতকরণ: গঠনতন্ত্র সংশোধনীর প্রস্তাব সাধারণ সভায় উপস্থাপনের আগে, সংশোধনীর বিষয়ে সকল সদস্যকে নোটিশ প্রদান করা হবে, যা অন্ততঃ ১৫ দিন পূর্বে অবহিত করা হবে।
• সাধারণ সভায় অনুমোদন: সংশোধনী প্রস্তাবের অনুমোদন সাধারণ সভায় অনুষ্ঠিত হবে। সাধারণ সভায় সংশোধনী প্রস্তাব পাস করতে মোট সদস্যের দুই-তৃতীয়াংশ (২/৩) সদস্যের ভোট সমর্থন প্রয়োজন হবে।
• পুনঃপ্রস্তাবনা গ্রহণযোগ্য নয়: একবার গৃহীত সংশোধনী পুনরায় আলোচনায় আসবে না। যদি কোনো প্রস্তাবিত সংশোধনী সাধারণ সভায় বাতিল হয়, তবে তা পুনরায় প্রস্তাবনা হিসেবে উপস্থাপন করা যাবে না।
২৭.৩ জরুরি সংশোধনী:
• বিশেষ প্রয়োজন: যদি কোনো প্রস্তাবিত সংশোধনী জরুরি হয় এবং তা সাধারণ সভার মাধ্যমে অনুমোদিত হতে না পারে, তবে কার্যনির্বাহী কমিটি সেই সংশোধনীর জন্য বিশেষ সাধারণ সভা আহ্বান করতে পারে।
• বিশেষ সাধারণ সভায় অনুমোদন: যদি বিশেষ সাধারণ সভায় সংশোধনী নিয়ে আলোচনা করা হয়, তবে সংশোধনীর জন্য কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ (২/৩) সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন হবে।
২৭.৪ সংশোধনী কার্যকরী হওয়া:
• প্রকাশনা: গঠনতন্ত্রে যে কোনো সংশোধনী অনুমোদিত হলে তা কার্যকর হবে এবং সংশোধিত গঠনতন্ত্র সকল সদস্যের কাছে প্রকাশিত হবে। সংশোধনীর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকল সদস্যকে অবহিত করা হবে।
• প্রয়োগ: সংশোধিত গঠনতন্ত্র পরবর্তীতে সকল কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে এবং পূর্বের সংস্করণের পরিবর্তে এটি কার্যকরী হবে।
ধারা-২৮ ডিজিটাল ও তথ্যপ্রযুক্তি নীতিমালা
২৮.১ অনলাইন সভা ও ভোটিং:
সংগঠনের সকল সভা এবং জরুরি সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য অনলাইন প্ল্যাটফর্ম যেমন Zoom, Google Meet, ইত্যাদি ব্যবহার করা হবে।
ভোটিং নিরাপত্তা:
অনলাইন ভোটিংয়ের স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট সফটওয়্যার বা অ্যাপ ব্যবহার করা হবে, যা নির্বাচন কমিশন দ্বারা নির্ধারিত হবে এবং ভোটারদের পরিচয় নিশ্চিত করার ব্যবস্থা থাকবে।
নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য:
• ভোটের সময় একটি একক সেশন লগইন পদ্ধতি নিশ্চিত করা হবে, যাতে প্রতিটি ভোটারের একক ভোট নিশ্চিত হয়।
• ভোটিংয়ের পর ফলাফল স্বচ্ছভাবে প্রকাশ করা হবে এবং ভোটের ফলাফল প্রকৃত সময়ের মধ্যে ট্র্যাক করা যাবে।
২৮.২ ডেটা প্রাইভেসি ও সাইবার নিরাপত্তা:
সদস্যদের ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণ, ব্যবহারের সীমা, এবং তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষার জন্য স্পষ্ট নীতিমালা থাকবে।
তথ্য সুরক্ষা:
সদস্যদের তথ্য সংরক্ষণের জন্য নিরাপদ সিস্টেম ব্যবহার করা হবে, যেমন এনক্রিপশন এবং ব্যাকআপ সিস্টেম।
নিরাপত্তা নীতি:
• সদস্যদের ব্যক্তিগত তথ্য গোপন রাখা হবে এবং তা কোনো তৃতীয় পক্ষের সাথে শেয়ার করা যাবে না, তবে আইনি বা প্রশাসনিক কারণে তা প্রয়োজনে প্রকাশ করা হতে পারে।
• সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ফায়ারওয়াল এবং এন্টিভাইরাস সুরক্ষা ব্যবস্থার ব্যবস্থা থাকবে।
২৮.৩ ডিজিটাল আর্কাইভ:
সংগঠনের সকল গুরুত্বপূর্ণ নথি, ছবি, ভিডিও ও প্রতিবেদন ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল আর্কাইভ থাকবে।
ডিজিটাল আর্কাইভের নিরাপত্তা:
ডিজিটাল আর্কাইভের নিরাপত্তা এবং অ্যাক্সেস কন্ট্রোল নিশ্চিত করা হবে। শুধুমাত্র অনুমোদিত সদস্যরা আর্কাইভের তথ্য দেখতে বা সম্পাদনা করতে পারবে।
আর্কাইভে সংরক্ষিত তথ্য:
• সকল তথ্য নিরাপদ সার্ভারে সংরক্ষিত থাকবে এবং অ্যাক্সেস কেবল প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী হবে।
২৮.৪ ই-মেইল ও সামাজিক যোগাযোগ:
সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য অফিসিয়াল ই-মেইল batch42.0607.cu@gmail.com, ফেসবুক গ্রুপ, হোয়াটসঅ্যাপ, ইত্যাদি ব্যবহার করা হবে।
যোগাযোগের সুরক্ষা:
• সদস্যদের মধ্যে যোগাযোগের জন্য নিরাপদ ও অফিশিয়াল চ্যানেল ব্যবহার করা হবে।
• সকল গোপনীয় তথ্য বা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত শুধু এনক্রিপটেড ই-মেইল বা অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে শেয়ার করা হবে।
সংগঠনের সকল সভা এবং জরুরি সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য অনলাইন প্ল্যাটফর্ম যেমন Zoom, Google Meet, ইত্যাদি ব্যবহার করা হবে।
ভোটিং নিরাপত্তা:
অনলাইন ভোটিংয়ের স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট সফটওয়্যার বা অ্যাপ ব্যবহার করা হবে, যা নির্বাচন কমিশন দ্বারা নির্ধারিত হবে এবং ভোটারদের পরিচয় নিশ্চিত করার ব্যবস্থা থাকবে।
নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য:
• ভোটের সময় একটি একক সেশন লগইন পদ্ধতি নিশ্চিত করা হবে, যাতে প্রতিটি ভোটারের একক ভোট নিশ্চিত হয়।
• ভোটিংয়ের পর ফলাফল স্বচ্ছভাবে প্রকাশ করা হবে এবং ভোটের ফলাফল প্রকৃত সময়ের মধ্যে ট্র্যাক করা যাবে।
২৮.২ ডেটা প্রাইভেসি ও সাইবার নিরাপত্তা:
সদস্যদের ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণ, ব্যবহারের সীমা, এবং তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষার জন্য স্পষ্ট নীতিমালা থাকবে।
তথ্য সুরক্ষা:
সদস্যদের তথ্য সংরক্ষণের জন্য নিরাপদ সিস্টেম ব্যবহার করা হবে, যেমন এনক্রিপশন এবং ব্যাকআপ সিস্টেম।
নিরাপত্তা নীতি:
• সদস্যদের ব্যক্তিগত তথ্য গোপন রাখা হবে এবং তা কোনো তৃতীয় পক্ষের সাথে শেয়ার করা যাবে না, তবে আইনি বা প্রশাসনিক কারণে তা প্রয়োজনে প্রকাশ করা হতে পারে।
• সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ফায়ারওয়াল এবং এন্টিভাইরাস সুরক্ষা ব্যবস্থার ব্যবস্থা থাকবে।
২৮.৩ ডিজিটাল আর্কাইভ:
সংগঠনের সকল গুরুত্বপূর্ণ নথি, ছবি, ভিডিও ও প্রতিবেদন ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল আর্কাইভ থাকবে।
ডিজিটাল আর্কাইভের নিরাপত্তা:
ডিজিটাল আর্কাইভের নিরাপত্তা এবং অ্যাক্সেস কন্ট্রোল নিশ্চিত করা হবে। শুধুমাত্র অনুমোদিত সদস্যরা আর্কাইভের তথ্য দেখতে বা সম্পাদনা করতে পারবে।
আর্কাইভে সংরক্ষিত তথ্য:
• সকল তথ্য নিরাপদ সার্ভারে সংরক্ষিত থাকবে এবং অ্যাক্সেস কেবল প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী হবে।
২৮.৪ ই-মেইল ও সামাজিক যোগাযোগ:
সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য অফিসিয়াল ই-মেইল batch42.0607.cu@gmail.com, ফেসবুক গ্রুপ, হোয়াটসঅ্যাপ, ইত্যাদি ব্যবহার করা হবে।
যোগাযোগের সুরক্ষা:
• সদস্যদের মধ্যে যোগাযোগের জন্য নিরাপদ ও অফিশিয়াল চ্যানেল ব্যবহার করা হবে।
• সকল গোপনীয় তথ্য বা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত শুধু এনক্রিপটেড ই-মেইল বা অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে শেয়ার করা হবে।
ধারা ২৯ প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সদস্যদের জন্য সুবিধা
• অন্তর্ভুক্তিমূলক সদস্যপদ: প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সদস্যদের জন্য সদস্যপদ গ্রহণ ও অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা ও নমনীয়তা থাকবে।
• সুবিধাজনক পরিবেশ: সভা, ইভেন্ট ও কার্যক্রমে তাদের জন্য প্রবেশযোগ্যতা নিশ্চিত করতে হবে।
• ডিজিটাল অ্যাক্সেসিবিলিটি: অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও ওয়েবসাইটে স্ক্রিন রিডার, বড় ফন্ট, কনট্রাস্ট ইত্যাদি সুবিধা যুক্ত থাকবে।
• সহযোগিতা ও সহায়তা: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সদস্যদের জন্য আলাদা সহায়তা টিম বা ফোকাল পার্সন নির্ধারণ করতে হবে।
• সুবিধাজনক পরিবেশ: সভা, ইভেন্ট ও কার্যক্রমে তাদের জন্য প্রবেশযোগ্যতা নিশ্চিত করতে হবে।
• ডিজিটাল অ্যাক্সেসিবিলিটি: অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও ওয়েবসাইটে স্ক্রিন রিডার, বড় ফন্ট, কনট্রাস্ট ইত্যাদি সুবিধা যুক্ত থাকবে।
• সহযোগিতা ও সহায়তা: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সদস্যদের জন্য আলাদা সহায়তা টিম বা ফোকাল পার্সন নির্ধারণ করতে হবে।
ধারা-৩০ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা
৩০.১ স্বতন্ত্র অডিট কমিটি
সংগঠনের আর্থিক লেনদেন ও বাজেটের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে একটি স্বতন্ত্র অডিট কমিটি থাকবে, যারা সংগঠনের সব আর্থিক কার্যক্রম এবং বাজেটের নিরীক্ষা করবে।
অডিট কমিটির কার্যক্রম:
• অডিট কমিটি প্রতিবছর একটি বিস্তারিত অডিট প্রতিবেদন প্রস্তুত করবে এবং এটি সাধারণ সভায় উপস্থাপন করবে।
• কমিটির সদস্যরা হতে হবে স্বাধীন এবং অডিট কমিটির সদস্যদের অডিট প্রক্রিয়া পরিচালনায় কোনো পক্ষপাতিত্ব বা বাহ্যিক প্রভাব থেকে মুক্ত থাকতে হবে।
• অডিটের সময় তারা সংগঠনের সমস্ত আর্থিক লেনদেন, হিসাব এবং খরচ পর্যালোচনা করবে এবং সংশ্লিষ্ট কমিটির প্রতি সুপারিশ প্রদান করবে।
৩০.২ বার্ষিক প্রতিবেদন:
সংগঠনের সকল কার্যক্রম, আয়-ব্যয় ও সিদ্ধান্তের বিস্তারিত বার্ষিক প্রতিবেদন সাধারণ সভায় উপস্থাপন করা হবে।
• প্রতিবেদনটি সঠিক, পূর্ণাঙ্গ এবং স্বচ্ছ হবে যাতে সকল সদস্য বিস্তারিতভাবে সংগঠনের কার্যক্রম সম্পর্কে অবগত হতে পারেন।
• প্রতিবেদনটি গঠনমূলক পর্যালোচনার জন্য সদস্যদের কাছে এক মাস পূর্বে পাঠানো হবে।
• প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হবে গঠনতন্ত্রের শর্তাবলী অনুসারে এবং তা সদস্যদের মতামতের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
৩০.৩ খোলা তথ্য:
সদস্যরা চাইলে সংগঠনের অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক তথ্য নির্দিষ্ট নিয়মে দেখতে পারবেন।
• তথ্যের প্রতি সদস্যদের অধিকার নিশ্চিত করতে একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া থাকবে, যার মাধ্যমে সদস্যরা ইচ্ছা করলে সদস্যপদ ফি, আয়-ব্যয়ের হিসাব এবং প্রশাসনিক নথি পর্যালোচনা করতে পারবেন।
• সকল তথ্য নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তা বজায় রেখে সদস্যদের প্রদান করা হবে, এবং কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে অবৈধভাবে তথ্য দেওয়া যাবে না।
৩০.৪ অভিযোগ ও আপিল ব্যবস্থা:
সদস্যদের অভিযোগ গ্রহণ, তদন্ত ও আপিলের জন্য একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া এবং কমিটি থাকবে।
অভিযোগ প্রক্রিয়া:
• কোনো সদস্য যদি সংগঠনের কার্যক্রম বা নির্বাচনের সাথে সম্পর্কিত কোনো অভিযোগ করেন, তবে তা দ্রুতভাবে তদন্ত করা হবে।
• সদস্যরা তাদের অভিযোগ লিখিতভাবে বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে উপস্থাপন করতে পারবেন এবং নির্বাচন কমিশন বা গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বিষয়টি দ্রুত সমাধান করা হবে।
আপিল প্রক্রিয়া:
• যদি কোনো সদস্য অভিযোগের প্রতি সন্তুষ্ট না হন, তাহলে তিনি একটি আপিল করতে পারবেন, যা নির্দিষ্ট পদ্ধতির মাধ্যমে উর্ধ্বতন কমিটির কাছে পৌঁছানো হবে।
• আপিলের সিদ্ধান্ত সাধারণ সভায় উপস্থাপন করা হবে এবং প্রয়োজন হলে অডিট কমিটির মাধ্যমে পুনঃমূল্যায়ন করা হবে।
সংগঠনের আর্থিক লেনদেন ও বাজেটের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে একটি স্বতন্ত্র অডিট কমিটি থাকবে, যারা সংগঠনের সব আর্থিক কার্যক্রম এবং বাজেটের নিরীক্ষা করবে।
অডিট কমিটির কার্যক্রম:
• অডিট কমিটি প্রতিবছর একটি বিস্তারিত অডিট প্রতিবেদন প্রস্তুত করবে এবং এটি সাধারণ সভায় উপস্থাপন করবে।
• কমিটির সদস্যরা হতে হবে স্বাধীন এবং অডিট কমিটির সদস্যদের অডিট প্রক্রিয়া পরিচালনায় কোনো পক্ষপাতিত্ব বা বাহ্যিক প্রভাব থেকে মুক্ত থাকতে হবে।
• অডিটের সময় তারা সংগঠনের সমস্ত আর্থিক লেনদেন, হিসাব এবং খরচ পর্যালোচনা করবে এবং সংশ্লিষ্ট কমিটির প্রতি সুপারিশ প্রদান করবে।
৩০.২ বার্ষিক প্রতিবেদন:
সংগঠনের সকল কার্যক্রম, আয়-ব্যয় ও সিদ্ধান্তের বিস্তারিত বার্ষিক প্রতিবেদন সাধারণ সভায় উপস্থাপন করা হবে।
• প্রতিবেদনটি সঠিক, পূর্ণাঙ্গ এবং স্বচ্ছ হবে যাতে সকল সদস্য বিস্তারিতভাবে সংগঠনের কার্যক্রম সম্পর্কে অবগত হতে পারেন।
• প্রতিবেদনটি গঠনমূলক পর্যালোচনার জন্য সদস্যদের কাছে এক মাস পূর্বে পাঠানো হবে।
• প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হবে গঠনতন্ত্রের শর্তাবলী অনুসারে এবং তা সদস্যদের মতামতের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
৩০.৩ খোলা তথ্য:
সদস্যরা চাইলে সংগঠনের অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক তথ্য নির্দিষ্ট নিয়মে দেখতে পারবেন।
• তথ্যের প্রতি সদস্যদের অধিকার নিশ্চিত করতে একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া থাকবে, যার মাধ্যমে সদস্যরা ইচ্ছা করলে সদস্যপদ ফি, আয়-ব্যয়ের হিসাব এবং প্রশাসনিক নথি পর্যালোচনা করতে পারবেন।
• সকল তথ্য নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তা বজায় রেখে সদস্যদের প্রদান করা হবে, এবং কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে অবৈধভাবে তথ্য দেওয়া যাবে না।
৩০.৪ অভিযোগ ও আপিল ব্যবস্থা:
সদস্যদের অভিযোগ গ্রহণ, তদন্ত ও আপিলের জন্য একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া এবং কমিটি থাকবে।
অভিযোগ প্রক্রিয়া:
• কোনো সদস্য যদি সংগঠনের কার্যক্রম বা নির্বাচনের সাথে সম্পর্কিত কোনো অভিযোগ করেন, তবে তা দ্রুতভাবে তদন্ত করা হবে।
• সদস্যরা তাদের অভিযোগ লিখিতভাবে বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে উপস্থাপন করতে পারবেন এবং নির্বাচন কমিশন বা গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বিষয়টি দ্রুত সমাধান করা হবে।
আপিল প্রক্রিয়া:
• যদি কোনো সদস্য অভিযোগের প্রতি সন্তুষ্ট না হন, তাহলে তিনি একটি আপিল করতে পারবেন, যা নির্দিষ্ট পদ্ধতির মাধ্যমে উর্ধ্বতন কমিটির কাছে পৌঁছানো হবে।
• আপিলের সিদ্ধান্ত সাধারণ সভায় উপস্থাপন করা হবে এবং প্রয়োজন হলে অডিট কমিটির মাধ্যমে পুনঃমূল্যায়ন করা হবে।
ধারা-৩১ নৈতিকতা ও আচরণবিধি
কোড অব কন্ডাক্ট: সকল সদস্য ও নেতৃবৃন্দের জন্য গঠনতন্ত্রের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং নীতিমাল কোড অব কন্ডাক্ট বলে গণ্য হবে। যদি কেউ তা ভঙ্গ করে তাহলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সদস্যদের নৈতিক আচরণবিধি মেনে চলতে হবে, যাতে শৃঙ্খলা, সৌহার্দ্য ও পেশাদারিত্ব বজায় থাকে।
দুর্নীতি ও স্বার্থের দ্বন্দ্ব প্রতিরোধ: স্বার্থের দ্বন্দ্ব, দুর্নীতি ও পক্ষপাতিত্ব প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
শাস্তিমূলক ব্যবস্থা: আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ও আপিলের সুযোগ থাকবে।
দুর্নীতি ও স্বার্থের দ্বন্দ্ব প্রতিরোধ: স্বার্থের দ্বন্দ্ব, দুর্নীতি ও পক্ষপাতিত্ব প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
শাস্তিমূলক ব্যবস্থা: আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ও আপিলের সুযোগ থাকবে।
ধারা-৩২ পরিবেশ ও সামাজিক দায়বদ্ধতা
পরিবেশবান্ধব নীতিমালা: সংগঠনের সকল কার্যক্রমে পরিবেশ সংরক্ষণ, প্লাস্টিক বর্জন, পুনর্ব্যবহারযোগ্য সামগ্রী ব্যবহারে সর্বাত্মক চেষ্টা থাকবে।
পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি:
• প্লাস্টিকের ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করা হবে এবং পরিবেশবান্ধব বিকল্প ব্যবহার করা হবে।
• সংগঠন কাগজ, প্লাস্টিক, এবং অন্যান্য সামগ্রী পুনঃব্যবহার করবে এবং কমপোস্টিং বা অন্যান্য পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে বর্জ্য নিষ্কাশন করবে।
• সকল ইভেন্ট, সভা, এবং কার্যক্রমে পরিবেশ সুরক্ষার জন্য একাধিক উদ্যোগ যেমন শূন্য প্লাস্টিক নীতি গ্রহণ করা হবে।
সামাজিক দায়বদ্ধতা:
সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রম যেমন রক্তদান, বৃক্ষরোপণ, শিক্ষা সহায়তা, ও যে কোন প্রতিকূল পরিবেশে সহায়তা ইত্যাদি সংগঠনের নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হবে।
নির্দিষ্ট সমাজকল্যাণ কার্যক্রম:
রক্তদান কর্মসূচি: প্রতি বছর রক্তদান কর্মসূচি আয়োজন করা হবে এবং সমাজের প্রয়োজনীয় সেবাগুলির জন্য এটি অনবরত অব্যাহত থাকবে।
বৃক্ষরোপণ: পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য বছরে অন্তত একবার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।
শিক্ষা সহায়তা: আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল ছাত্রদের শিক্ষার জন্য বৃত্তি ও সহায়তা প্রদান করা হবে।
প্রতিকূল পরিবেশে সহায়তা: প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় সংগঠন প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে, যেমন: ত্রাণ বিতরণ, পুনর্বাসন কার্যক্রম।
সচেতনতা বৃদ্ধি: পরিবেশ ও সামাজিক বিষয়ে সদস্যদের সচেতন করতে প্রচারণা চালাতে হবে।
প্রচারণা কার্যক্রম: সদস্যদের মধ্যে পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়ে সচেতনতা তৈরির জন্য কর্মশালা, সেমিনার, এবং অন্যান্য প্রচারণামূলক কার্যক্রম চালানো হবে।
ডিজিটাল প্রচারণা: সোশ্যাল মিডিয়া এবং অন্যান্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য নিয়মিত পোস্ট, ভিডিও এবং নিবন্ধ প্রকাশ করা হবে।
পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি:
• প্লাস্টিকের ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করা হবে এবং পরিবেশবান্ধব বিকল্প ব্যবহার করা হবে।
• সংগঠন কাগজ, প্লাস্টিক, এবং অন্যান্য সামগ্রী পুনঃব্যবহার করবে এবং কমপোস্টিং বা অন্যান্য পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে বর্জ্য নিষ্কাশন করবে।
• সকল ইভেন্ট, সভা, এবং কার্যক্রমে পরিবেশ সুরক্ষার জন্য একাধিক উদ্যোগ যেমন শূন্য প্লাস্টিক নীতি গ্রহণ করা হবে।
সামাজিক দায়বদ্ধতা:
সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রম যেমন রক্তদান, বৃক্ষরোপণ, শিক্ষা সহায়তা, ও যে কোন প্রতিকূল পরিবেশে সহায়তা ইত্যাদি সংগঠনের নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হবে।
নির্দিষ্ট সমাজকল্যাণ কার্যক্রম:
রক্তদান কর্মসূচি: প্রতি বছর রক্তদান কর্মসূচি আয়োজন করা হবে এবং সমাজের প্রয়োজনীয় সেবাগুলির জন্য এটি অনবরত অব্যাহত থাকবে।
বৃক্ষরোপণ: পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য বছরে অন্তত একবার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।
শিক্ষা সহায়তা: আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল ছাত্রদের শিক্ষার জন্য বৃত্তি ও সহায়তা প্রদান করা হবে।
প্রতিকূল পরিবেশে সহায়তা: প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় সংগঠন প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে, যেমন: ত্রাণ বিতরণ, পুনর্বাসন কার্যক্রম।
সচেতনতা বৃদ্ধি: পরিবেশ ও সামাজিক বিষয়ে সদস্যদের সচেতন করতে প্রচারণা চালাতে হবে।
প্রচারণা কার্যক্রম: সদস্যদের মধ্যে পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়ে সচেতনতা তৈরির জন্য কর্মশালা, সেমিনার, এবং অন্যান্য প্রচারণামূলক কার্যক্রম চালানো হবে।
ডিজিটাল প্রচারণা: সোশ্যাল মিডিয়া এবং অন্যান্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য নিয়মিত পোস্ট, ভিডিও এবং নিবন্ধ প্রকাশ করা হবে।
ধারা-৩৩ জরুরি অবস্থা ব্যবস্থাপনা
জরুরি পরিকল্পনা: প্রাকৃতিক দুর্যোগ, মহামারি, বা অন্য কোনো জরুরি পরিস্থিতিতে সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কার্যনির্বাহী কমিটি একটি বিশেষ জরুরি পরিকল্পনা গ্রহণ করবে।
প্রতিকূল পরিস্থিতিতে পরিকল্পনা:
• যখন কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ, মহামারি বা অন্য জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হয়, তখন কার্যনির্বাহী কমিটি দ্রুত একটি কার্যকরী পরিকল্পনা তৈরি করবে, যাতে সংগঠনের কার্যক্রম সচল থাকে।
• সদস্যদের প্রয়োজনীয় সহায়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য জরুরি ব্যবস্থাপনা তৈরি করা হবে।
অস্থায়ী কার্যক্রম: মহামারি বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে যদি ফিজিক্যাল উপস্থিতি সম্ভব না হয়, তবে অনলাইন সভা, ওয়ার্কশপ এবং অন্যান্য কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
জরুরি ফান্ড: যে কোন জরুরি সহায়তার জন্য আলাদা একটি জরুরি তহবিল গঠন করা হবে।
তহবিলের প্রক্রিয়া: তহবিলের পরিমাণ প্রত্যাশিত খরচ অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে, এবং এটি অ্যাকাউন্টে জমা রাখা হবে।
ফান্ড ব্যবস্থাপনা:
• এই তহবিলের ব্যবহারের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা তৈরি করা হবে।
• যদি প্রয়োজন হয়, তাহলে এই তহবিল ব্যবহার করে ত্রাণ বিতরণ, চিকিৎসা সহায়তা, বা পুনর্বাসন কার্যক্রম চালানো হবে।
ফান্ডের অডিট: এই তহবিলের ব্যবহারের নিয়মিত অডিট করা হবে, এবং প্রতিটি ব্যয়ের প্রতিবেদন সাধারণ সভায় উপস্থাপন করা হবে।
যোগাযোগ ব্যবস্থা: জরুরি অবস্থায় দ্রুত যোগাযোগ ও সমন্বয়ের জন্য নির্দিষ্ট টিম ও যোগাযোগ চ্যানেল নির্ধারণ করতে হবে।
যোগাযোগ টিম: একটি জরুরি যোগাযোগ টিম গঠন করা হবে, যারা কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা মহামারির সময় দ্রুত যোগাযোগ স্থাপন করবে এবং অন্যান্য কার্যক্রমের সমন্বয় করবে।
যোগাযোগ চ্যানেল: জরুরি পরিস্থিতির জন্য একটি বিশেষ যোগাযোগ চ্যানেল নির্ধারণ করা হবে, যেমন ফেসবুক গ্রুপ, হোয়াটসঅ্যাপ, ই-মেইল, বা টেলিগ্রাম। সদস্যরা যাতে দ্রুত ও নিরাপদভাবে তথ্য পেতে পারেন, তার জন্য স্কাইপ, Zoom বা অন্যান্য অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ইভেন্টের আয়োজন করা হবে।
যোগাযোগের সুরক্ষা: জরুরি অবস্থায় যোগাযোগের তথ্য সুরক্ষিত রাখা হবে, এবং সকল সদস্য যাতে দ্রুত যোগাযোগ করতে পারে তার ব্যবস্থা করা হবে।
প্রতিকূল পরিস্থিতিতে পরিকল্পনা:
• যখন কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ, মহামারি বা অন্য জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হয়, তখন কার্যনির্বাহী কমিটি দ্রুত একটি কার্যকরী পরিকল্পনা তৈরি করবে, যাতে সংগঠনের কার্যক্রম সচল থাকে।
• সদস্যদের প্রয়োজনীয় সহায়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য জরুরি ব্যবস্থাপনা তৈরি করা হবে।
অস্থায়ী কার্যক্রম: মহামারি বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে যদি ফিজিক্যাল উপস্থিতি সম্ভব না হয়, তবে অনলাইন সভা, ওয়ার্কশপ এবং অন্যান্য কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
জরুরি ফান্ড: যে কোন জরুরি সহায়তার জন্য আলাদা একটি জরুরি তহবিল গঠন করা হবে।
তহবিলের প্রক্রিয়া: তহবিলের পরিমাণ প্রত্যাশিত খরচ অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে, এবং এটি অ্যাকাউন্টে জমা রাখা হবে।
ফান্ড ব্যবস্থাপনা:
• এই তহবিলের ব্যবহারের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা তৈরি করা হবে।
• যদি প্রয়োজন হয়, তাহলে এই তহবিল ব্যবহার করে ত্রাণ বিতরণ, চিকিৎসা সহায়তা, বা পুনর্বাসন কার্যক্রম চালানো হবে।
ফান্ডের অডিট: এই তহবিলের ব্যবহারের নিয়মিত অডিট করা হবে, এবং প্রতিটি ব্যয়ের প্রতিবেদন সাধারণ সভায় উপস্থাপন করা হবে।
যোগাযোগ ব্যবস্থা: জরুরি অবস্থায় দ্রুত যোগাযোগ ও সমন্বয়ের জন্য নির্দিষ্ট টিম ও যোগাযোগ চ্যানেল নির্ধারণ করতে হবে।
যোগাযোগ টিম: একটি জরুরি যোগাযোগ টিম গঠন করা হবে, যারা কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা মহামারির সময় দ্রুত যোগাযোগ স্থাপন করবে এবং অন্যান্য কার্যক্রমের সমন্বয় করবে।
যোগাযোগ চ্যানেল: জরুরি পরিস্থিতির জন্য একটি বিশেষ যোগাযোগ চ্যানেল নির্ধারণ করা হবে, যেমন ফেসবুক গ্রুপ, হোয়াটসঅ্যাপ, ই-মেইল, বা টেলিগ্রাম। সদস্যরা যাতে দ্রুত ও নিরাপদভাবে তথ্য পেতে পারেন, তার জন্য স্কাইপ, Zoom বা অন্যান্য অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ইভেন্টের আয়োজন করা হবে।
যোগাযোগের সুরক্ষা: জরুরি অবস্থায় যোগাযোগের তথ্য সুরক্ষিত রাখা হবে, এবং সকল সদস্য যাতে দ্রুত যোগাযোগ করতে পারে তার ব্যবস্থা করা হবে।
ধারা-৩৪ প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন
লিডারশিপ ও স্কিল ডেভেলপমেন্ট: বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের জন্য নেতৃত্ব, যোগাযোগ, টিমওয়ার্ক, আইটি, পাবলিক স্পিকিং, বা অন্যান্য বিষয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করা হবে।
প্রশিক্ষণের বিষয়বস্তু:
• নেতৃত্ব এবং ব্যবস্থাপনা দক্ষতা
• যোগাযোগ দক্ষতা এবং পাবলিক স্পিকিং
• টিমওয়ার্ক এবং কো-অপারেশন
• আইটি দক্ষতা ও প্রযুক্তি ব্যবহার
• ব্যক্তিগত দক্ষতা উন্নয়ন
• প্রশিক্ষণ পদ্ধতি:
• প্রশিক্ষণগুলি হবে প্রতিদিনের কাজ বা উদ্যোক্তা কার্যক্রমে সফলতা অর্জন করার জন্য।
• কর্মশালাগুলি ইন্টারেকটিভ হবে যাতে অংশগ্রহণকারীরা তাদের দক্ষতা উন্নয়নের জন্য কার্যকরী অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারেন।
ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং: ক্যারিয়ার গাইডেন্স, সিভি রাইটিং, ইন্টারভিউ স্কিলস, রিসার্চ, ডাটা এনালাইসিস, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে সেশন আয়োজন করা হবে।
নিয়মিত কর্মশালা: বছরে নির্দিষ্ট সংখ্যক প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন কর্মশালা আয়োজন করা হবে।
সার্টিফিকেট: প্রশিক্ষণ ও কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের জন্য হার্ডবপি অথবা ডিজিটাল সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে।
প্রশিক্ষণের বিষয়বস্তু:
• নেতৃত্ব এবং ব্যবস্থাপনা দক্ষতা
• যোগাযোগ দক্ষতা এবং পাবলিক স্পিকিং
• টিমওয়ার্ক এবং কো-অপারেশন
• আইটি দক্ষতা ও প্রযুক্তি ব্যবহার
• ব্যক্তিগত দক্ষতা উন্নয়ন
• প্রশিক্ষণ পদ্ধতি:
• প্রশিক্ষণগুলি হবে প্রতিদিনের কাজ বা উদ্যোক্তা কার্যক্রমে সফলতা অর্জন করার জন্য।
• কর্মশালাগুলি ইন্টারেকটিভ হবে যাতে অংশগ্রহণকারীরা তাদের দক্ষতা উন্নয়নের জন্য কার্যকরী অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারেন।
ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং: ক্যারিয়ার গাইডেন্স, সিভি রাইটিং, ইন্টারভিউ স্কিলস, রিসার্চ, ডাটা এনালাইসিস, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে সেশন আয়োজন করা হবে।
নিয়মিত কর্মশালা: বছরে নির্দিষ্ট সংখ্যক প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন কর্মশালা আয়োজন করা হবে।
সার্টিফিকেট: প্রশিক্ষণ ও কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের জন্য হার্ডবপি অথবা ডিজিটাল সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে।
উপসংহার
এই গঠনতন্ত্রের মাধ্যমে ব্যাচ ৪২, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় তার সদস্যদের জন্য একটি সুষ্ঠু, স্বচ্ছ এবং কার্যকরী কার্যক্রম পরিচালনা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। গঠনতন্ত্রের প্রতিটি ধারা এবং সিদ্ধান্ত সদস্যদের অধিকার এবং দায়িত্ব সুষমভাবে নিশ্চিত করে এবং সংগঠনের স্বার্থে সবার সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
সংগঠনটি পরিবেশবান্ধব, সামাজিক দায়বদ্ধ এবং নতুন সদস্যদের দক্ষতা উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করবে। প্রশিক্ষণ, শিক্ষা, সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রম এবং সুস্থ নির্বাচনী প্রক্রিয়া এর মাধ্যমে সদস্যদের সঠিক দিকনির্দেশনা প্রদান করে তাদের সর্বাঙ্গীণ উন্নয়ন নিশ্চিত করবে।
এই গঠনতন্ত্র শুধু একটি নিয়মাবলী নয়, বরং এটি একটি অভীষ্ট লক্ষ্য এবং আদর্শের প্রতিফলন যা সংগঠনের সকল সদস্যের জন্য একটি ন্যায্য, কর্মক্ষম এবং সহযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি করবে। এর মাধ্যমে সকল সদস্য সংগঠনের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য পূরণে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে উৎসাহিত হবে।
গঠনতন্ত্রের প্রতি প্রতিটি সদস্যের শ্রদ্ধাশীল মান্যতা এবং এটি সঠিকভাবে বাস্তবায়িত করা নিশ্চিত করবে যে, ব্যাচ ৪২-র কার্যক্রম দীর্ঘমেয়াদী সাফল্য এবং অগ্রগতি অর্জন করবে।
সংগঠনটি পরিবেশবান্ধব, সামাজিক দায়বদ্ধ এবং নতুন সদস্যদের দক্ষতা উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করবে। প্রশিক্ষণ, শিক্ষা, সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রম এবং সুস্থ নির্বাচনী প্রক্রিয়া এর মাধ্যমে সদস্যদের সঠিক দিকনির্দেশনা প্রদান করে তাদের সর্বাঙ্গীণ উন্নয়ন নিশ্চিত করবে।
এই গঠনতন্ত্র শুধু একটি নিয়মাবলী নয়, বরং এটি একটি অভীষ্ট লক্ষ্য এবং আদর্শের প্রতিফলন যা সংগঠনের সকল সদস্যের জন্য একটি ন্যায্য, কর্মক্ষম এবং সহযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি করবে। এর মাধ্যমে সকল সদস্য সংগঠনের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য পূরণে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে উৎসাহিত হবে।
গঠনতন্ত্রের প্রতি প্রতিটি সদস্যের শ্রদ্ধাশীল মান্যতা এবং এটি সঠিকভাবে বাস্তবায়িত করা নিশ্চিত করবে যে, ব্যাচ ৪২-র কার্যক্রম দীর্ঘমেয়াদী সাফল্য এবং অগ্রগতি অর্জন করবে।
গঠনতন্ত্র প্রনয়ন কমিটি
আহবায়ক: মোঃ শরীফুজ্জামান, রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ।
সদস্য সচিব: মোঃ ওমর ফারুক খালেদ, আইন বিভাগ।
সদস্যবৃন্দ:
১. হরিদাস কুমার, আইন ভিাগ
২. মোছাঃ রুপালী খাতুন, আইন বিভাগ
৩. মুহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ
৪. মোঃ আমির হোসেন, পদার্থবিদ্যা বিভাগ
৫. মাইদুল হায়দার লিমন, ফাই্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগ
৬. নয়ন কুমার নাথ, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ
৭. মুহাম্মদ মাহফুজুল আলম, পদার্থবিদ্যা বিভাগ
সদস্য সচিব: মোঃ ওমর ফারুক খালেদ, আইন বিভাগ।
সদস্যবৃন্দ:
১. হরিদাস কুমার, আইন ভিাগ
২. মোছাঃ রুপালী খাতুন, আইন বিভাগ
৩. মুহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ
৪. মোঃ আমির হোসেন, পদার্থবিদ্যা বিভাগ
৫. মাইদুল হায়দার লিমন, ফাই্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগ
৬. নয়ন কুমার নাথ, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ
৭. মুহাম্মদ মাহফুজুল আলম, পদার্থবিদ্যা বিভাগ